কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৪, ০৫:২০ এএম
অনলাইন সংস্করণ

শেষ ভাষণে হাসান নাসরুল্লাহ যা বলেছিলেন

হাসান নাসরুল্লাহ। ছবি : সংগৃহীত
হাসান নাসরুল্লাহ। ছবি : সংগৃহীত

লেবাননে বিমান হামলা চালিয়ে হিজবুল্লাহ প্রধান হাসান নাসরুল্লাহকে হত্যা করেছে ইসরায়েল। এর আগের সপ্তাহ থেকে নেতানিয়াহুর বাহিনী দক্ষিণ লেবাননে ব্যাপক বিমান হামলা শুরু করে। এর প্রেক্ষাপট তৈরি হয় হিজবুল্লাহর ব্যবহৃত পেজার, ওয়াকিটকি ও রেডিও ডিভাইস বিস্ফোরণের মাধ্যমে। তখন ইহুদিবাদীদের হুঁশিয়ারি করে প্রতিশোধের হুংকার দেন নাসরুল্লাহ।

তার শেষ ভাষণ হাসান নাসরুল্লাহ বলেন, হিজবুল্লাহ সবসময় গাজার মুসলিম ভাইদের পাশে থাকবে। আর সেই শপথ আমরা ৮ অক্টোবর, ২০২৩ থেকে গ্রহণ করেছি। শত বাধা ও প্রতিবন্ধকতা শর্তেও আমরা পিছিয়ে যাইনি, এক মুহূর্তের জন্য আমাদের গাজার অসহায় ভাই-বোনদের ভুলে যাইনি। নেতানিয়াহু, গালান্ট এবং ইসরায়েলের সেনাবাহিনীকে বলছি, তোমরা কখনোই উত্তরাঞ্চলের বসতিগুলো ফিরিয়ে নিতে পারবে না।

ইহুদিবাদী ইসরায়েলের পেজার ও ওয়াকিটকি হামলার লক্ষ্য ছিল হামাস ও হিজবুল্লাহর মতো প্রতিরোধ যোদ্ধাদের দুই ফ্রন্টকে আলাদা করা। কিন্তু তারা কী সফল হয়েছে? আমরা শহীদদের, তাদের পরিবারের, আহতদের, এবং অনুগত জনগণের পক্ষ থেকে বলছি- যতক্ষণ না গাজার ওপর আক্রমণ বন্ধ হয়, হিজবুল্লাহকে কোনোভাবেই থামানো যাবে না।

ইসরায়েল মাত্র ২ মিনিটে ৫ সহস্রাধিক মানুষকে হত্যা করতে চেয়েছিল। এ জন্য তারা কোনো নিয়মকানুনের তোয়াক্কা করেনি। কোথায়, কীভাবে নিরীহ মানুষ মারা যাচ্ছে, ইসরায়েল একবারও তা ভাবেনি।

একসাথে ঘটানো এই বিস্ফোরণে কত মানুষ আহত হতে পারে, হাসপাতালগুলোয় তাদের চিকিৎসা দিতে পারবে কি না, এই বিষয়গুলো তারা উপেক্ষা করে গেছে। একে আমরা কী বলব? কোনো সন্দেহ নেই এটি বড় ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ও গণহত্যা। আমরা একে মঙ্গলবার এবং বুধবারের গণহত্যা বলব। এটি লেবানন, তার জনগণ, প্রতিরোধ, সার্বভৌমত্ব এবং নিরাপত্তার বিরুদ্ধে এক বড় নির্লজ্জ হামলা।

ইসরায়েল নাশকতার মাধ্যমে লেবাননে একযোগে হাজার হাজার পেজারের বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে। এই হামলায় দখলদাররা সকল নিয়ম, আইন ও সীমারেখা অমান্য করেছে। কোনো নৈতিকতা, মানবিকতা বা আইন মানেনি। এমনকি হাসপাতালেও বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে তারা। ফার্মেসি, বাজার, দোকান, বাড়ি, গাড়ি এবং রাস্তায়ও বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে, যেখানে অনেক সাধারণ মানুষ, নারী ও শিশুরাও ছিল।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

অক্সিজেন-কুয়াইশ সড়ক / ১৮ বছরের দুর্নীতির ছায়ায় ১১ বছরের জনদুর্ভোগ

ধানমন্ডিতে সাংবাদিকদের ওপর হামলা / বহিরাগতদের উসকানিতে এই অপ্রীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি: জামায়াত

হামের উপসর্গে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু, প্রাণহানি বেড়ে ৬৮৬

ঢাবির তিন শিক্ষককে সাময়িক বরখাস্ত, দুজনকে অব্যাহতি

বন্ধুর বিয়েতে এসে প্রাণ গেল কুয়েত প্রবাসীর

রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে বিজিবি মোতায়েন

দিনে কতবার চুল আঁচড়ানো উচিত? জানুন সঠিক নিয়ম

পূবালী ব্যাংক পিএলসি’র সিএলএস এজেন্ট সম্মেলন ২০২৬ অনুষ্ঠিত

‘আ.লীগ এখন আরও প্রবলভাবে আছে’, অভিনেত্রী শাওনের দাবি

সাবেক ভূমিমন্ত্রীর বিরুদ্ধে আরও ৭ জনের সাক্ষ্য

১০

সালমান শাহর দেহাবশেষ উত্তোলন আদেশ বাতিল হয়নি

১১

আ.লীগের ঝটিকা মিছিল, সাবেক মেয়রসহ ৭৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা

১২

সালমান শাহর কবর অক্ষত থাকছে, আদালতের সিদ্ধান্তে স্বস্তি পরিবারের

১৩

দিল্লিতে ১০ বছরের শিশুকে অপহরণের পর ধর্ষণ ও খুন

১৪

ফ্যাসিবাদের উত্থানের চেষ্টা আর সম্ভব নয়, জনগণ ঐক্যবদ্ধ: রিজভী

১৫

শাহজালাল মাজারে ৫ লাখ টাকা দিলেন সাবেক ডিসি সারওয়ার

১৬

ধানমন্ডিতে সাংবাদিকদের ওপর হামলা / জামায়াত দেশকে ‘ফ্যাসিবাদী কাঠামোর’ দিকে ঠেলে দিতে চায়: ছাত্রদল

১৭

ক্বারি আবু রায়হানের ওপর হামলার ঘটনায় ন্যাশনাল ওলামা এলায়েন্সের নিন্দা

১৮

দীর্ঘ লড়াই শেষে মৃত্যুর কাছে হার মানলেন জাকির হোসেন

১৯

এনসিপি-জামায়াত নিয়ে ভবিষ্যদ্বাণী দিলেন রাশেদ

২০
X