কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ১২ মার্চ ২০২৪, ০৩:৪৯ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

সেই মার্কিন সেনার নামে ফিলিস্তিনে সড়ক

মার্কিন সেনার নামে ফিলিস্তিনে সড়কের নামকরণ। ছবি : সংগৃহীত
মার্কিন সেনার নামে ফিলিস্তিনে সড়কের নামকরণ। ছবি : সংগৃহীত

ফিলিস্তিনির সঙ্গে রক্তের কোনো সম্পর্ক নেই। থাকেন হাজার হাজার মাইল দূরের দেশে। তবুও গাজায় যে ইসরায়েলি হত্যাযজ্ঞ চলছে তার প্রতিবাদে চুপ করে বসে থাকতে পারেননি। নিজের গায়ে আগুন ধরিয়ে দেন যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহিনীর সদস্য অ্যারন বুশনেল। তার এমন আত্মত্যাগের প্রতিদান দিতে অবশ্য দেরি করেনি ফিলিস্তিনিরাও। তাদের হৃদয়ে দাগ কেটে যাওয়া এ ঘটনার পর সেই অ্যারনের নামে ফিলিস্তিনের একটি সড়কের নামকরণ করা হয়েছে। রোববার (১০ মার্চ) দ্য গার্ডিয়ানের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অধিকৃত পশ্চিম তীরের জেরিকো শহরে রোববার সড়কের নতুন নামফলক উন্মোচন করেন জেরিকোর মেয়র আবদুল করিম সিদর। এ সময় মেয়র বলেন, এই যুবককে ফিলিস্তিনিবাসীরাও চিনতেন না, এমনকি সেই যুবকও তাদের চিনতেন না। তবুও তাদের অধিকার রক্ষায় প্রাণ বিলিয়ে দিয়েছেন।

গত ২৫ ফেব্রুয়ারি সামরিক বাহিনীর পোশাকে ওয়াশিংটনে ইসরায়েলি দূতাবাসের বাইরে অ্যারন বুশনেল হাজির হন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লাইভ করছিলেন পুরো ঘটনা। সেখানেই ঘোষণা দেন, ‘গণহত্যার সঙ্গে জড়িত থাকতে চান না’। এরপর নিজের শরীরে আগুন দেন। শরীরে আগুন জ্বলা অবস্থায়ও আঁকুতি জানিয়ে বলছিলেন, ‘ফিলিস্তিনের মুক্তি চাই।’

এরপর দ্রুত তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। এই ঘটনার পর মুসলিম বিশ্বে তাকে নিয়ে বেশ আলোচনা হয়, কেন একজন মার্কিন সেনা হয়ে নিরীহ গাজাবাসীর জন্য এমন পথ বেছে নিলেন সেই প্রশ্নও তোলেন অনেকে।

এর আগেও ইসরায়েল-গাজা যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর গত ডিসেম্বরেও যুক্তরাষ্ট্রে একই রকম ঘটনা ঘটেছিল। তখন ফিলিস্তিনি সমর্থক এক ব্যক্তি জর্জিয়া রাজ্যের ইসরায়েলি কনস্যুলেটের সামনে গায়ে পেট্রোল ঢেলে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছিলেন। তখন তাকেও গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছিল। ওই ঘটনাকে ‘রাজনৈতিক প্রতিবাদের উগ্রবাদী পদক্ষেপ’ বলে অভিহিত করেছিল পুলিশ।

গেল ৭ অক্টোবর গোটা বিশ্বকে অবাক করে দিয়ে ইসরায়েলে নজিরবিহীন হামলা চালিয়ে বসে ফিলিস্তিনির স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস। এর পর থেকে গাজায় রক্তক্ষয়ী হামলা চালাচ্ছে ইসরায়েলি বাহিনী। নির্বিচারে হত্যা করছে সবাইকে। চালানো হচ্ছে একের পর এক রকেট আর বিমান হামলা। বাস্তচ্যুতি হয়েছে লাখ লাখ বাসিন্দা।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ঘোষণা আজ / জামায়াতসহ ১১ দলের আসন সমঝোতা চূড়ান্ত

‘শেয়ার শূন্য ৫ ব্যাংকের অডিটরদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে’

খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক শিক্ষা সারা জীবন বয়ে চলার অঙ্গীকার ব্যারিস্টার অমির

খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় জবিতে শীতবস্ত্র বিতরণ 

বাংলাদেশের সঙ্গে যোগাযোগের সব চ্যানেল খোলা : ভারতের সেনাপ্রধান

ইরানি বিক্ষোভকারীদের নতুন বার্তা ট্রাম্পের

নির্বাচনে পর্যবেক্ষক পাঠাচ্ছে চীন

রাজধানীর যেসব এলাকায় গ‍্যাস বন্ধ

‘শেষ ৪ মাসে আমাকে কোনো কাজ করতে দেওয়া হয়নি’

বুধবার সায়েন্সল্যাব-টেকনিক্যাল-তাঁতীবাজার অবরোধের ঘোষণা

১০

যে কারণে স্বতন্ত্র নির্বাচন করছেন, জানালেন তাসনিম জারা

১১

মাদ্রাসার টয়লেটে মিলল শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ

১২

ভারতে না যাওয়ার সিদ্ধান্তে অটল বিসিবি : ‘এক ইঞ্চিও পিছু হটব না’

১৩

কলকাতার হয়ে খেলা পেসারকেও ভিসা দিচ্ছে না ভারত

১৪

প্রার্থী-সমর্থকদের প্রতি যে আহ্বান জানাল জমিয়ত

১৫

‘হাঙর’ নিয়ে আসছেন নেপালি তারকা প্রমোদ আগ্রহারী

১৬

শতাধিক কর্মী-সমর্থক নিয়ে ছাত্রদলে এনসিপি নেতা

১৭

দেহরক্ষী ও বাসভবনে নিরাপত্তা পেলেন জামায়াতের আমির

১৮

জকসুর প্রথম সভা অনুষ্ঠিত

১৯

পৌষ সংক্রান্তিতে বসেছে ঐতিহ্যবাহী মাছের মেলা

২০
X