

অন্য দেশের প্রেসিডেন্টকে বন্দি করে বৈশ্বিক রাজনীতির পট-পরিবর্তনের পর, এবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের লক্ষ্য ইরানের শাসনব্যবস্থা। বিক্ষোভের আগুনে জ্বলতে থাকা ইরানকে ঘিরে ট্রাম্পের রণপরিকল্পনা এখন তুঙ্গে। ইরানের অভ্যন্তরে চলমান অস্থিরতাকে ট্রাম্প প্রশাসন বৈশ্বিক রাজনীতির পট-পরিবর্তনের মোক্ষম সুযোগ হিসেবে দেখছে।
মার্কিন কর্মকর্তাদের মতে, ইরানকে বাগে আনতে এটিই ট্রাম্পের সেরা অস্ত্র। নিউইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ইরানে সামরিক অভিযানের ব্যাপারে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প অত্যন্ত সিরিয়াস। গেল রোববার মার্কিন শীর্ষ কর্মকর্তারা ট্রাম্পকে হামলার সম্ভাব্য কৌশল নিয়ে বিস্তারিত জানিয়েছেন। যদিও চূড়ান্ত সবুজ সংকেত এখনো আসেনি, তবে ওয়াশিংটনের ভেতরে যুদ্ধের দামামা বেজে উঠেছে।
ওয়ালস্ট্রিট জার্নালের তথ্যমতে, ইরানে কোথায় কীভাবে হামলা চালাতে পারে সে ব্যাপারে একাধিক পরিকল্পনা দেওয়া হয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, সামরিক এবং বেসামরিক সব স্থাপনাই হামলার তালিকার ভেতরে রয়েছে।
সম্প্রতি ইরানের ভেতরে পরিস্থিতি গৃহযুদ্ধের চেয়েও ভয়াবহ। বিক্ষোভ দমনে সরকারি বাহিনীর কঠোরতায় তেহরানের রাজপথ রক্তে রঞ্জিত। গেল বৃহস্পতিবার ও শুক্রবারের তীব্র আন্দোলনের পর পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে। সংবাদ মাধ্যম বিবিসি ও স্থানীয় চিকিৎসকদের তথ্যমতে, তরুণদের মাথা এবং বুক লক্ষ্য করে সরাসরি গুলি চালানো হয়েছে।
তেহরানের হাসপাতালগুলোতে তিল ধারণের জায়গা নেই। তাদের হাসপাতালে এত বেশি রোগী আসছিল যে তারা ক্রাইসিস মুডে চলে গেছেন। হতাহতদের চিকিৎসা দিয়ে তারা কুলিয়ে উঠতে পারছিলেন না।
মন্তব্য করুন