কালবেলা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২২ মে ২০২৪, ০২:৪৪ এএম
আপডেট : ২২ মে ২০২৪, ০৫:১৭ পিএম
প্রিন্ট সংস্করণ

চরমপন্থি মুকুল বাহিনীর দিকে সন্দেহের তীর

এখনো নিখোঁজ এমপি আনার
চরমপন্থি মুকুল বাহিনীর দিকে সন্দেহের তীর

চিকিৎসার জন্য ভারতে গিয়ে নিখোঁজ ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজীম আনারের খোঁজ মেলেনি এখনো। তার সন্ধানে কাজ করছে দুই দেশের সরকার। তবে তিনি কোথায়, কী অবস্থায় আছেন, তা নিশ্চিত করতে পারছেন না কেউ। এতে নানা গুজব ডালপালা ছড়াচ্ছে। এমপি আনারের নিখোঁজ হওয়ার নেপথ্যে কুষ্টিয়ার চরমপন্থি নেতা পলাতক মুকুল বাহিনীর প্রধান আমিনুল ইসলাম মুকুলের হাত থাকতে পারে বলে অনেকে সন্দেহ করছেন।

পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বলছেন, ভারতের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে তারা ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রাখছেন। এ বিষয়ে নতুন কোনো অগ্রগতি নেই। নিখোঁজ সংসদ সদস্যের পরিবার ও ঝিনাইদহে তার ঘনিষ্ঠ নেতাকর্মীদের সঙ্গে কথা বলেও সুস্পষ্ট কোনো তথ্য মেলেনি।

সূত্র বলছে, কুষ্টিয়ার চরমপন্থি মুকুল বাহিনীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ছিল এমপি আনারের। ওই বাহিনীর সদস্যরা তাকে অপহরণ করে থাকতে পারে বলে কেউ কেউ ধারণা করছেন। এরই মধ্যে সন্দেহভাজন তিনজনকে খুঁজছে গোয়েন্দা পুলিশ। তাদের মধ্যে দুজনের অবস্থান ভারতে। আরেকজন নেপাল বা ভুটানে পালিয়েছেন। এমপির খোঁজে ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের (ডিবি) একটি দল শিগগির ভারতে যেতে পারে।

ঢাকায় তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, চারটি বিষয় সামনে রেখে তদন্ত চলছে। এক সময় ইন্টারপোলের ওয়ারেন্টভুক্ত আনারের নিখোঁজ হওয়ার পেছনে আর্থিক কোনো বিরোধ রয়েছে কি না, ব্যক্তিগত শত্রুতা, নারী-সংক্রান্ত বিষয় ও সীমান্তকেন্দ্রিক অবৈধ কারবার নিয়ে বিরোধের জেরে কেউ তাকে জিম্মি করেছে কি না তাও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। আনার মোবাইল ফোনের সিম ট্র্যাক করে ভারতে যাওয়ার পর তার ভিন্ন ভিন্ন অবস্থানের তথ্য পাওয়া গেছে। তিনি কখনো মোজাফফরাবাদ, কখনো বেনাপোলের কাছাকাছি আবার কখনোও কলকাতায় ছিলেন। তবে বর্তমানে তিনি কোথায় অবস্থান করছেন, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল গতকাল মঙ্গলবার সাংবাদিকদের বলেন, ‘ঝিনাইদহের এমপি যথাযথভাবে ইমিগ্রেশন পার হয়ে ভারতে গিয়েছিলেন। যাওয়ার পর তার কোনো খোঁজখবর পাচ্ছি না। সরকারের সব এজেন্সি এটা নিয়ে কাজ করছে। এনএসআই, এসবি, পুলিশ কাজ করছে। ভারতীয় পুলিশের সঙ্গে, ভারতের গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে এটা নিয়ে কাজ চলছে। আমার কাছে এখন পর্যন্ত কোনো আপডেট নেই। যতটুকু শুনেছি, তার মোবাইল ফোনটা বন্ধ আছে।’

চিকিৎসা ও বন্ধুর মেয়ের বিয়ে উপলক্ষে গত ১২ মে ভারতে যান এমপি আনার। পরদিন ব্যক্তিগত সহকারী আব্দুর রউফের সঙ্গে তার কথা হয়। গত ১৬ মে সকাল ৭টা ৪৬ মিনিটে এমপির ফোন থেকে পিএসের নম্বরে সর্বশেষ কল আসে। কলটি ধরতে পারেননি পিএস। এক মিনিট পর পিএস তাকে কল করলে ওপাশ থেকে রিসিভ হয়নি। এরপর থেকে আনারের সঙ্গে আর যোগাযোগ নেই পরিবারের সদস্যদের।

জানা গেছে, এক সময় আন্তর্জাতিক পুলিশ সংস্থা ইন্টারপোলের ওয়ারেন্টভুক্ত ছিলেন আনার। আগ্নেয়াস্ত্র ও বিস্ফোরক দ্রব্য ব্যবহার সংক্রান্ত অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগে ২০০৬ সালে ইন্টারপোলের তালিকায় তার নাম ওঠে। ২০০৯ সালে ইন্টারপোলের ওয়ান্টেড তালিকা থেকে নাম প্রত্যাহার হওয়ার পর এলাকায় ফিরে আগের মতোই কর্মকাণ্ড শুরু করেন তিনি।

যেভাবে রাজনীতিতে উত্থান আনারের: আনোয়ারুল আজীম আনারের পৈতৃক বাড়ি ঝিনাইদহের কালীগঞ্জের মধুগঞ্জ বাজার এলাকায়। তিনি কালীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য। ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালে টানা তিনবার আওয়ামী লীগ থেকে তিনি এমপি নির্বাচিত হন।

স্থানীয় সূত্রগুলো বলছে, এক সময়ের দক্ষিণ ও পশ্চিমাঞ্চলের চরমপন্থিদের নিয়ন্ত্রণ করতেন আনার। অস্ত্র ও বিস্ফোরক দ্রব্য পাচারের হোতা হিসেবেও পুলিশের খাতায় নাম ছিল তার। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে দীর্ঘদিন ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী ও চরমপন্থিদের গডফাদার হিসেবে পরিচিতি পান।

আনারের বিরুদ্ধে অস্ত্র, বিস্ফোরক, মাদকদ্রব্য ও স্বর্ণ চোরাচালান, চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, দখলবাজি এবং চরমপন্থিদের আশ্রয় দেওয়ার অভিযোগে ৯টির বেশি মামলা ছিল। ইন্টারপোলের ওয়ান্টেড আসামি হিসেবে পুলিশ একবার তাকে আটক করলেও তার ক্যাডাররা পুলিশের ওপর আক্রমণ করে তাকে ছিনিয়ে নিয়েছিল। ওই ঘটনায় তার বিরুদ্ধে পুলিশ বাদী হয়ে মামলা করে। চারদলীয় জোট সরকারের আমলে যৌথ বাহিনীর অপারেশনের সময় আত্মগোপনে ছিলেন আনার।

ঝিনাইদহের রাজনৈতিক কর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ১৯৮৬ সালের দিকে জাতীয় পার্টি ক্ষমতায় থাকাকালে আনার মাদক কারবারে জড়িয়ে পড়েন। ভারতের বাগদা সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশের বাঘাভাঙ্গা সীমান্ত পথে চোরাচালান করতেন তিনি। ওই সময় কালীগঞ্জ থানাসহ মহেশপুর, কোটচাঁদপুর ও চুয়াডাঙ্গার জীবননগর থানা পুলিশের সঙ্গে মাসিক চুক্তিতে ‘টোকেন’ তৈরি করে তার বাহিনী। ওই টোকেন দেখালেই প্রশাসনের লোকজন মাদকদ্রব্য বহনকারী গাড়ি ছেড়ে দিত। এই টোকেন বাণিজ্য থেকে আনার দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ‘মাদক সম্রাট’ হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন। এই মাদক কারবারের মাধ্যমে বিপুল অর্থবিত্তের মালিকও বনে যান। ১৯৯১ সালে আনার ঝিনাইদহের আরেক চোরাকারবারি পরিতোষ ঠাকুরের সঙ্গে মিলে স্বর্ণ চোরাচালানের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন। স্বর্ণের বড় বড় চালান রাজধানী থেকে বাঘাডাঙ্গা সীমান্ত দিয়ে প্রতিবেশী দেশে পাচার করতেন তারা।

১৯৯৬ সালে আনার বিএনপি থেকে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগে যোগ দেন। মাদক ও স্বর্ণ চোরাচালানের কারবারের সঙ্গে কালীগঞ্জ পৌরসভার এক কমিশনারের হাত ধরে অস্ত্র চোরাকারবারে জড়ান তিনি। তার অবৈধ অস্ত্রের চালান চরমপন্থি ক্যাডার সামসেল ওরফে রবিনের কাছে বিক্রি হতো। কথিত আছে, সরকারের পুরস্কার ঘোষিত শীর্ষ সন্ত্রাসী প্রকাশ ভারতে আত্মগোপন করার পর তার মাধ্যমে অস্ত্র চোরাকারবার চালিয়ে যান আনার। বাগদা এলাকার মাদক সম্রাট জয়ন্ত কুমার, কার্তিক, গৌতম সাহা ও বনগাঁর দেবদাসের সঙ্গে আনারের মাদকের কারবার ছিল।

সূত্র জানায়, ২০০৭ সালে চুয়াডাঙ্গার লোকনাথপুর এলাকা থেকে ১২ কেজি ৯৫০ গ্রাম স্বর্ণ আটক করে তৎকালীন সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিডিআর। চোরাকারবারিরা নিশ্চিত হয় যে, দর্শনা শ্যামপুরের সিঅ্যান্ডএফ ব্যবসায়ী সাইফুল ইসলাম স্বর্ণগুলো ধরিয়ে দিয়েছে। ওই ঘটনায় টার্গেট কিলিংয়ের শিকার হন সাইফুল। তিনি নিজেও স্বর্ণ চোরাকারবারিদের সিন্ডিকেটে যুক্ত ছিলেন। ওই হত্যা মামলায় আনারসহ আসামি করা হয় ২৫ জনকে। কুষ্টিয়ার চরমপন্থি নেতা মুকুল, শাহীন রুমী, ঝিনাইদহের চোরাকারবারি পরিতোষ ঠাকুর, আনারসহ ১৯ জনের বিরুদ্ধে পরের বছর আদালতে অভিযোগপত্র দেয় পুলিশ। ২০১২ সালে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুপারিশে রাজনৈতিক বিবেচনায় পরিতোষ, আনারসহ বেশ কয়েকজন মামলা থেকে অব্যাহতি পান। এ মামলায় আনারকে গ্রেপ্তারে ২০০৯ সালে গণবিজ্ঞপ্তি জারি করেছিলেন চুয়াডাঙ্গার বিশেষ আদালত। এর দশ দিন পর ওই বছরের ২১ জানুয়ারি তাকে গ্রেপ্তারের জন্য নিশ্চিন্তপুর গ্রামে তার বাড়িতে অভিযান চালায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। তবে তাকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।

উপজেলা আওয়ামী লীগের একাধিক নেতা জানান, ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করলে ধীরে ধীরে আনারের বিরুদ্ধে থাকা মামলাগুলো কমে যেতে শুরু করে। ২০১৪ সালে আওয়ামী লীগের মনোনয়নে এমপি নির্বাচিত হলে ক্ষমতার দাপটে বেশিরভাগ মামলা থেকে নিজেকে মুক্ত করেন আনার।

মুকুলের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ: কুষ্টিয়ার চরমপন্থি নেতা মুকুলের সঙ্গে দেড় যুগ ধরে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রয়েছে আনারের। দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে রয়েছে তার দাপট। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে দেশে চরমপন্থি বিরোধী অভিযান শুরু হলে বিদেশে চলে যান এই মুকুল। এরপর দেশের বাইরে বসেই রাজত্ব সামলান তিনি। এলাকার অনেক রাজনৈতিক নেতা ও ঠিকাদার তার সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখেন। আবার বিদেশে গিয়ে তার সঙ্গে দেখাও করেন। গত সংসদ নির্বাচনের পর কুষ্টিয়ার একজন স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য বিদেশে গিয়ে মুকুলের সঙ্গে দেখা করেছেন বলে স্থানীয়ভাবে আলোচনা রয়েছে।

সূত্রগুলো বলছে, মুকুল বেশিরভাগ সময় ইতালি থাকেন। মাঝেমধ্যে থাইল্যান্ড যান। নেপালে তার ব্যবসা রয়েছে। বেশভূষায় পরিবর্তন এনে তিনি এখন জুব্বা পরেন। বছরচারেক আগেও তিনি মালয়েশিয়ায় থাকতেন। কুষ্টিয়া শহরের গোশালা রোডে তার দুটি আলিশান পাঁচতলা বাড়ি রয়েছে। এ ছাড়া বটতৈল মোড় ও ভাদালিয়ায় বাড়ি রয়েছে। শহরের বিভিন্ন এলাকায় তার ফ্ল্যাট রয়েছে। এ ছাড়া ঢাকায় তার কমপক্ষে ১০টি ফ্ল্যাট আছে। কুষ্টিয়া শহরের বিভিন্ন ব্যাংকে স্বজনের নামে তিনি টাকা রেখেছেন। দেশের বাইরে বিপুল টাকা পাচার করেছেন। এ ছাড়া মুকুলের নামে বিভিন্ন থানায় হত্যা, চাঁদাবাজি ও অপহরণের একাধিক মামলা রয়েছে।

সূত্র জানায়, মুকুলের উত্থান নব্বইয়ের দশকে। কুষ্টিয়ার ইসলামিয়া কলেজে পড়ার সময় শ্রমজীবী মুক্তি আন্দোলনের রাজনীতিতে যুক্ত হন। সে সময় গোপনে চরমপন্থি বাহিনীও গড়ে তোলেন। ’৯০ সালের দিকে মুকুল প্রথম পুলিশের হাতে আটক হন। ছাড়া পেয়ে গা-ঢাকা দেন। পরে কিছুদিন সদর উপজেলার ভাদালিয়া এলাকায় নার্সারির ব্যবসা করলেও কুষ্টিয়া ছেড়ে ঝিনাইদহ চলে যান। শ্রমজীবী মুক্তি আন্দোলনের রাজনীতি ছেড়ে গণমুক্তি ফৌজ নামে চরমপন্থি সংগঠন গঠন করেন। শাহিন ও লিপটন ছিল তার সেকেন্ড ইন কমান্ড। কয়েকজন রাজনৈতিক নেতা ও ব্যবসায়ীকে হত্যা করে এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করে এই বাহিনী। মুকুল বাহিনীর সদস্যরা ওই সময় বিএনপি নেতা ভিসি শহীদ ও বাচ্চু, ঠিকাদার জামু ও হাবিব, কুষ্টিয়ার থানাপাড়ার বাবু, কয়া ইউপি চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা জামিল হোসেন বাচ্চু, ব্যবসায়ী বকুল সওদাগরসহ প্রায় এক ডজন হত্যাকাণ্ড ঘটায়। এমনকি টেন্ডারের নিয়ন্ত্রণ নিতে সড়ক ও জনপথ অফিসের সামনে তিনজনের বিচ্ছিন্ন মস্তক এবং জি কে অফিসের সামনে দুজনের কাটা মাথা রেখে আতঙ্ক ছড়ান মুকুল। এসব হত্যাকাণ্ডের পর দায় স্বীকার করে মিডিয়ায় বিবৃতিও দিতেন মুকুল।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ছুটির দিনে ঘুরতে গিয়ে খুন হলেন আব্দুল্লাহ

মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রে যুবকের মৃত্যু, পরিবারের দাবি হত্যা

চরে হঠাৎ জোয়ারের পানি, মৃত অবস্থায় ৩৪ গরু উদ্ধার

মার্কিন মালিকানায় গেল দ্য টেলিগ্রাফ

দুপুরের মধ্যে ঢাকাসহ ১১ জেলায় ঝড়ের শঙ্কা

আজ কেমন থাকবে ঢাকার আবহাওয়া 

ঈদুল আজহা : ট্রেনের ৩ জুনের টিকিট বিক্রি আজ

গাজার উত্তরে এখনো খাবার যায়নি, আরও মৃত্যু ৭৬

২৪ মে : কী ঘটেছিল ইতিহাসের এই দিনে

২৪ মে : আজকের নামাজের সময়সূচি

১০

হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে প্রতারণার ফাঁদ, অতঃপর

১১

‘যারা আজ সবচেয়ে বেশি শিক্ষিত, তারাই মাকে দূরে রাখতে চায়’

১২

চট্টগ্রামে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের নেতার পদত্যাগ

১৩

চবি তেপান্তর সাহিত্য সভার নেতৃত্বে আবদুল মোমেন-রিয়াদ উদ্দিন

১৪

বৈষম্যবিরোধী সমন্বয়কদের দুগ্রুপের সংঘর্ষে আহত ৪

১৫

সৈকতে পড়ে আছে মৃত ডলফিন, ছড়াচ্ছে দুর্গন্ধ

১৬

পতেঙ্গা সৈকতে গোলাগুলি, ঢাকাইয়া আকবরসহ গুলিবিদ্ধ ২

১৭

কারাবন্দি সোহাগের মৃত্যু নিয়ে ধোঁয়াশা

১৮

তারেক রহমানকে নিয়ে অশালীন মন্তব্য বরদাস্ত করা হবে না : ইয়াসিন ফেরদৌস মুরাদ

১৯

ঢাকার দুই সিটি নির্বাচনের শিডিউল / সরকারকে লিগ্যাল নোটিশ পাঠালেন আ.লীগের এমপি হতে চাওয়া আইনজীবী

২০
X