ঘূর্ণিঝড়-জলোচ্ছ্বাস উপকূলবাসীর নিত্যসঙ্গী। বারবার জলোচ্ছ্বাস আর ঘূর্ণিঝড়ে বিধ্বস্ত হন। প্রতিবারই ধ্বংসস্তূপ থেকে মাথা তুলে দাঁড়ান উপকূলের মানুষ। গত রোববার রাতে ঘূর্ণিঝড়ের পর ভেসে উঠেছে ভয়াবহ ক্ষত। যেদিকেই চোখ যায়, শুধু রিমালের ধ্বংসযজ্ঞ। দীর্ঘ সময়ের তাণ্ডবে উপকূলের গ্রামে গ্রামে বহু পরিবার মাথা গোঁজার ঠাঁই ও উপার্জনের একমাত্র উৎস হারা হয়েছেন। তারপরও তারা আগের মতোই চেষ্টা করছেন ঘুরে দাঁড়াতে। অতীত অভিজ্ঞতায় যখন দুর্গতদের সরকারি সহযোগিতা খুবই প্রয়োজন ছিল, সে সময় তারা প্রয়োজনীয় সরকারি সহায়তা পাননি। তাই এবারও সহায়তার অপেক্ষায় তারা বসেও থাকেননি।
বাড়িঘরের মায়া ছেড়ে নিরাপদে থাকতে যারা আশ্রয়কেন্দ্রে গেছেন, আতঙ্কের দুই রাত পেরিয়ে বাড়ির আঙিনায় এসে তারা দেখতে পান ধ্বংসলীলা। বানের তোড়ে ধসে পড়েছে অনেকের ঘর; গাছপালা ভেঙে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ঘর, নিচু এলাকার বাড়ি ডুবেছে পানিতে। কৃষি, মৎস্য, প্রাণিসম্পদ, অবকাঠামো সবকিছুতেই ছোবল বসিয়েছে রিমাল। ১৫ বছর আগে ঘূর্ণিঝড় আইলা যে প্রলয় চালিয়েছিল, রিমালের দীর্ঘসময় ধরে চালানো তাণ্ডবেও একই রকমের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অধীন ন্যাশনাল ডিজাস্টার রেসপন্স কো-অর্ডিনেশন সেন্টারের দুর্যোগ সংক্রান্ত দৈনিক প্রতিবেদনে গতকাল বুধবার বলা হয়েছে, রিমালের আঘাতে উপকূলীয় ও এর আশপাশের ১৯টি জেলায় প্রায় পৌনে ২ লাখ ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে। এর মধ্যে পুরোপুরি বিধ্বস্ত হয়েছে ৪০ হাজার ৩৩৮টি। আংশিক বিধ্বস্ত হয়েছে ১ লাখ ৩৩ হাজার ৫২৮টি ঘরবাড়ি। সবচেয়ে বেশি ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে খুলনা জেলায়। এই জেলায় ২০ হাজার ৭৬২টি ঘরবাড়ি পুরোপুরি বিধ্বস্ত হয়েছে। বাগেরহাটে বিধ্বস্ত হয়েছে ১০ হাজার ঘরবাড়ি। বাকিগুলো বিভিন্ন জেলায়। এই ঝড়ে দুর্গত মানুষের সংখ্যা প্রায় ৪৬ লাখ।
বাতাসের প্রায় ১২০ কিলোমিটার ঘূর্ণন গতি নিয়ে গত রোববার সন্ধ্যায় উপকূলে আঘাত হানে রিমাল। এরপর ধীরে ধীরে সামনের দিকে এগোতে শুরু করে। প্রথমেই তাণ্ডবের শিকার হয় বাংলাদেশের ঢাল হিসেবে পরিচিত সুন্দরবন। এরপর সাতক্ষীরা, যশোর, মাগুরা, ফরিদপুর, মানিকগঞ্জ হয়ে টাঙ্গাইল, ঢাকা, ময়মনসিংহ ও সিলেট দিয়ে ভারতের আসামে চলে যায়। তবে দীর্ঘ এই যাত্রাপথ ধীর গতিতে পার হওয়ায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ বেড়েছে। স্থলে উঠে যাওয়ার পরও বহু সময় ধরে দমকা বাতাস ও ভারি বর্ষণে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ বাড়তে থাকে। ঘূর্ণিঝড়ের তাণ্ডবে পটুয়াখালী, বরগুনা, সাতক্ষীরা, বাগেরহাট, খুলনা, পিরোজপুর, ভোলা, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম, কক্সবাজারসহ উপকূলীয় অঞ্চলগুলো পরিণত হয়েছে ধ্বংসস্তূপে।
পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপকূলে চলছে দুর্গত মানুষের আহাজারি। রেহানা বেগম স্বামী ও দুই সন্তান নিয়ে বসবাস করেন কুয়াকাটা পৌর এলাকার জেলেপল্লি আশি ঘর কলোনিতে। রিমালের তাণ্ডবে তার ছোট্ট ঘরটি উড়ে গেছে। ভিটাও ধসে গেছে পানির তোড়ে। জেলেপল্লির পুরোটাই ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। এখানকার অন্তত দুইশ জেলে পরিবার এখন খোলা আকাশের নিচে জীবন কাটাচ্ছে।
বাউফলের চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ছালাম হাওলাদার বলেন, এত বেশি জলোচ্ছ্বাস হবে, তা কল্পনাও করিনি। ২০০৭ সালের সিডরের বন্যা দেখেছি। ভেবেছিলাম তার থেকে বেশি হবে না। কিন্তু ঘূর্ণিঝড় রিমাল হার মানিয়েছে সিডরকে।
চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নের বন্যাকবলিত ভিটাহারা তিন সন্তানের জননী ফারজানা বলেন, ঘরের মাটি নেই। রান্নার চুলা, টয়লেট, পুকুরের মাছ কিছুই নেই আমার। শেষ আশ্রয়স্থলটুকুও নিয়ে গেছে পানিতে। খেয়ে না খেয়ে পঙ্গু স্বামী ও সন্তানদের নিয়ে বেঁচে আছি না মরে গেছি, এখন পর্যন্ত কেউ দেখতে আসেনি। গত ৭ এপ্রিল ঘূর্ণি বাতাসে আমার ঘরটি ভেঙে যায়। সে সময় মেম্বার-চেয়ারম্যান সহয়তার কথা বলেছিল। কিন্তু তারা কোনো সহায়তা দেয়নি। সরকারি সহায়তা চেয়ে ওই নারী বলেন, আমার ঘরটি পূর্ণ নির্মাণ ও আর্থিক সহায়তার দাবি জানাই। তা না হলে পথে বসতে হবে আমাদের।
ক্ষতিগ্রস্ত গোলবানু বেগম বলেন, চাল-চুলো কিছুই নেই। ঘরের মাটি নেই। ছেলেমেয়ে নিয়ে মানুষের বাড়িতে ছিলাম। হাঁস-মুরগি সব নিয়ে গেছে বন্যায়। এখন চৌকিতে বসে দিন কাটাচ্ছি।
খলিল খান বলেন, সাত সদস্যের ঘরটি এখন ভূতের বাড়ি হয়ে গেছ। ভিটেতে মাটি নেই। রাত হলে অন্যের বাড়িতে গিয়ে কোনোরকম থাকি।
রাস্তাঘাট, ঘরবাড়ি ও স্কুল-মাদ্রাসা পানিতে তলিয়ে অতি দুরবস্থায় রয়েছে মানুষ। চর মিয়াজান গ্রামের বাসিন্দারা বলেন, ঘূর্ণিঝড়ে পানিবন্দি হয়ে মৃত্যুকে খুব কাছ থেকে দেখেছি। এখন সরকার আমাদের সহয়তা না দিলে আমরা আর ঘুরে দাঁড়াতে পারব না। জেলে কামাল বেপারী বলেন, বন্যায় নৌকা, জাল, ঘরের মাটি নিয়ে গেছে। এখন কী করব জানি না। নদীতে জাল না ফেললে জীবন চলে না আমাদের।
খুলনায় ঘূর্ণিঝড় আইলায় ঘর হারানো অনেকে এবার বসতভিটাও হারিয়েছেন। দুদিন আগেও সদ্য তোলা ফসল নিয়ে যারা স্বপ্নে বুক বেঁধেছিল, তাদের চোখের সামনেই ভেসে গেল শেষ সম্বলটুকুও। বসতভিটা হারিয়ে জীবন টিকিয়ে রাখতে খুলনার উপকূলজুড়ে শুরু হয়েছে জনতার স্বেচ্ছাশ্রমে অস্তিত্ব রক্ষার লড়াই। খুলনার দাকোপ পাইকগাছা ও কয়রা উপজেলায় ৫৫টি পয়েন্টে বাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্যে ৩৫টি স্থানে ধসে যাওয়া বাঁধ রক্ষায় কোদাল, বালতি নিয়ে বরাবরের মতো লেগে পড়েছেন এলাকাবাসী।
দাকোপ উপজেলার তিলডাঙ্গা ইউনিয়নের বটবুনিয়া এলাকার মধ্যবয়সী নারী সুনীতা সরদার বলেন, সব তো গেল; জল ঢোকাডা যদি বন্ধ হয়। খুলনার দাকোপ উপজেলার বটবুনিয়া বাজার সংলগ্ন সরদারবাড়ি এলাকায় ভেঙে যাওয়া বাঁধ মেরামতের জন্য যে রিং বাঁধ দেওয়া হচ্ছে, সেটা সুনীতাদের ভিটার ওপরই নির্মাণ করা হচ্ছে।
খুলনার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক নাজমুল হুসেইন খান জানান, এখানকার ৫৫টি পয়েন্টে বাঁধ ভেঙে ও উপচে প্লাবিত হয়েছে অসংখ্য গ্রাম। এর মধ্যে ৩২টি পয়েন্টে ১ দশমিক ৭০৫ কিলোমিটার বাঁধ ভেঙে গেছে। আর ২৩টি পয়েন্টের ৩ দশমিক ৬৮৮ কিলোমিটার বাঁধ ওভারফ্লো হয়েছে। ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সাড়ে ৪ লাখ মানুষ। ১২ হাজার ৭১৫ দশমিক ৫ হেক্টর জমির ধান, পাট, তরমুজ ও সবজি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ ছাড়াও ৭ হাজার ২৮৩ হেক্টর জমির ৫ হাজার ৫৭৫টি মাছের ঘের এবং ৩০৭ হেক্টর জমির ৩ হাজার ৩০০টি পুকুরের মাছ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কয়রা, পাইকগাছা ও দাকোপ উপজেলায় পানি প্রবেশ করে বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়েছে।
কয়রা উপজেলার দশহালিয়া গ্রামে জোয়ারের পানিতে ভাসছে অর্ধশতাধিক পরিবার। তাদের সুপেয় পানি ও খাবারের চরম সংকট দেখা দিয়েছে। মিলছে না অসুস্থদের চিকিৎসাসেবা। তারা জোয়ারের সময় খাটের ওপর অথবা বাঁধের ওপর বসে থাকেন। অনেকের ঘর নষ্ট হয়ে গেছে।
পাইকগাছায় ঘূর্ণিঝড় রিমালের প্রভাবে ৬টি ইউনিয়নের অন্তত ২০টি স্থানে নদীর বাঁধ ভেঙে গেছে। এতে প্লাবিত হয়েছে অর্ধশতাধিক গ্রাম। এতে চিংড়ি ঘেরসহ ফসলি জমির ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন উপজেলার প্রায় এক লাখ মানুষ। ৬০ ঘণ্টার বেশি সময় ধরে পুরো উপজেলা বিদ্যুৎহীন রয়েছে। প্রতিটি বাঁধই স্থানীয়রা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে স্বেচ্ছাশ্রমে মেরামত করার চেষ্টা করে যাচ্ছেন।
খুলনা জেলা প্রশাসক খন্দকার ইয়াসির আরেফিন কালবেলাকে বলেন, উপকূলীয় তিন উপজেলার ৫২টি ওয়ার্ডেও প্রায় ৭৭ হাজার ঘড়বাড়ি আংশিক ও সম্পূর্ণ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে সাড়ে চার লাখ মানুষ সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ ছাড়া খুলনার ৫৫টি পয়েন্টে বাঁধ ভেঙে ও উপচে প্লাবিত হয়েছে অসংখ্য গ্রাম। এর মধ্যে ৩২টি পয়েন্টে ১ দশমিক ৭০৫ কিলোমিটার বাঁধ ভেঙে গেছে। আর ২৩টি পয়েন্টের ৩ দশমিক ৬৮৮ কিলোমিটার বাঁধ ওভারফ্লো হয়েছে। ১২ হাজার ৭১৫ দশমিক ৫ হেক্টর জমির ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সার্বিক সহযোগিতা করা হচ্ছে।
এদিকে চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার দশানী এলাকায় নদীতে বিলীন হয়ে গেছে বাবুল সরকারের ঘরবাড়ি ও দোকান। খোলা আকাশের নিচে বসবাস করছে তার পরিবার। তিনি জানান, আমার বাড়িঘর আগেও একবার নদী ভেঙে নিয়েছে। ফের বাড়ি করেছি। গত সোমবার রাত ৯টার দিকে প্রবল বাতাস ও জলোচ্ছ্বাসে আবারও নদী নিয়ে গেছে দোকান ও ঘর। কোনো রকমে দৌড়ে প্রাণ বাঁচিয়েছি। আমার ৭-৮ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। আমি এখন নিঃস্ব। সরকারের কাছে আমার দাবি, আমাকে যেন কিছু ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়।
বরিশাল বিভাগের ৬ জেলায় ২১৭ কোটি ২৯ লাখ টাকার মৎস্য সম্পদের ক্ষতি হয়েছে। এ ছাড়া ঝড়ে আহত হয়েছেন ৩১ জেলে। মৎস্য অধিদপ্তরের বরিশাল বিভাগীয় কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন জানান, রিমালের প্রভাবে জলোচ্ছ্বাস এবং অতিবর্ষণে লোকালয়ে পানি ঢুকে পড়ে। অনেক স্থানে বাঁধ ভেঙে যায়। ফলে তিন থেকে চার ফুট পানিতে তলিয়ে যায় শত শত গ্রাম। এতে মাছের ঘের, পুকুর এবং খামার তলিয়ে গিয়ে মাছ ভেসে যায়।
বরিশাল মৎস্য ভবনের তথ্য অনুযায়ীÑবরিশাল, পটুয়াখালী, বরগুনা, পিরোজপুর, ভোলা এবং ঝালকাঠি জেলার ৩৩৯টি ইউনিয়নের ৮৬ হাজার ৯৭৬টি পুকুর ও দিঘীর মৎস্য সম্পদ ক্ষতি হয়েছে। এ ছাড়া ৬ হাজার ৯০৬টি ঘের এবং ১২০টি খামারের মৎস্য সম্পদ ভেসে গেছে। এর মধ্যে ৭০ হাজার ৯২ মেট্রিক টন বিভিন্ন জাতের মাছ, ১৫৯ মেট্রিক টন চিংড়ি, ৬৯৬ লাখ পিস পোনা মাছ বন্যার পানিতে ভেসে গেছে। এতে মৎস্য খাতে ২১৭ কোটি ২৯ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।
বরিশাল কৃষি বিভাগের তথ্যমতে, শুধু বরিশাল জেলায় ৬ হাজার ৪৪১ হেক্টর জমির ফসল ক্ষতিগ্রস্ত বা আক্রান্ত হয়েছে, যার মধ্যে পুরোপুরি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ২ হাজার ৮৫ হেক্টর জমির ফসল। আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ ১১০ কোটি টাকা।
বরিশাল বিভাগে মৃত্যু বেড়ে ১৯: রিমালের তাণ্ডবে বরিশাল বিভাগে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৯ জনে দাঁড়িয়েছে। ভোলা জেলায় আরও তিনজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এ নিয়ে ওই জেলায় মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬ জনে। এ ছাড়া ঝালকাঠি জেলায় একজনের মৃত্যু হয়েছে। মৃতের পরিবারকে সহায়তা করা হচ্ছে বলে উপজেলা ও জেলা প্রশাসন জানিয়েছে। এদিকে রিমালে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শনে আজ (বৃহস্পতিবার) পটুয়াখালী আসার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার।
এ বিষয়ে পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক মো. নূর কুতুবুল আলম বলেন, প্রধানমন্ত্রীর পটুয়াখালী সফরের কথা শুনেছি। আমরা এখনো অফিসিয়ালি কোনো চিঠি পাইনি। তবে আমরা সব ধরনের প্রস্তুতি নিচ্ছি। এ সময় তিনি দুর্গত এলাকা পরিদর্শন করে ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে ত্রাণ বিতরণে অংশগ্রহণ করবেন বলেও আমরা জেনেছি।
পটুয়াখালী জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজী আলমগীর বলেন, ১৯৭০ সালের প্রলয়ঙ্করী ঝড়ে এ এলাকার ব্যাপক ক্ষতি হয়েছিল। তখন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এই এলাকায় এসেছিলেন দুর্গতদের খোঁজখবর নিতে। আমরা জেনেছি প্রধানমন্ত্রীও কলাপাড়ায় আসবেন দুর্গতদের খোঁজ নিতে। প্রধানমন্ত্রীর আগমনের সংবাদে জেলার সব মানুষ খুবই আনন্দিত। আমরা তাকে বরণ করে নিতে প্রস্তুত।