মাসুদ রানা
প্রকাশ : ২৮ জুন ২০২৪, ০৩:৩৫ এএম
আপডেট : ২৮ জুন ২০২৪, ১০:৩৭ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ

শিক্ষক উৎপল হত্যার দুই বছরেও শুরু হয়নি বিচার

শিক্ষক উৎপল হত্যার দুই বছরেও শুরু হয়নি বিচার

প্রেমে বাধা দেওয়ায় ঢাকার আশুলিয়ার হাজী ইউনুস আলী স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষক উৎপল কুমার সরকার হত্যার শিকার হন। ক্রিকেট খেলার স্টাম্প দিয়ে ওই প্রতিষ্ঠানের ছাত্র আশরাফুল ইসলাম জিতু তাকে পিটিয়ে হত্যা করে। ঘটনাটি দেশব্যাপী আলোড়ন সৃষ্টি করে। বিচার নিয়ে সব মহলে আলোচনা হয়। তবে ঘটনার দুই বছর পার হলেও অভিযুক্ত জিতু ও তার বাবা উজ্জ্বলের বিচার শুরু হয়নি। বিচার নিয়ে বাদীও অনাগ্রহী।

এ বিষয়ে ঢাকার চতুর্থ অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর মো. আনোয়ার সরদার কালবেলাকে বলেন, জিতুর বয়স জটিলতায় আসামিপক্ষ উচ্চ আদালতে গেছে। যে কারণে অভিযোগ গঠন শুনানি পিছিয়েছে। আগামী ধার্য তারিখে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরু হবে। পরে সাক্ষীদের হাজির করে মামলার বিচারকাজ সম্পন্ন করা হবে।

বর্তমানে মামলাটি ঢাকার চতুর্থ অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতে বিচারাধীন। গত ২৬ জুন এ মামলার অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য ধার্য ছিল। তবে আসামিপক্ষ সময়ের আবেদন করে। পরে আদালত এ বিষয়ে শুনানির জন্য আগামী ৪ সেপ্টেম্বর দিন ধার্য করেছেন। এ মামলায় জিতুর বাবা উজ্জ্বল হাইকোর্ট থেকে জামিনে থাকলেও জিতু কারাগারে রয়েছে।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, ঢাকার আশুলিয়ার হাজী ইউনুস আলী স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষক উৎপল কুমার সরকার। তিনি কলেজের শৃঙ্খলা কমিটির আহ্বায়ক ছিলেন। ওই স্কুলের দশম শ্রেণির ছাত্র ছিল আশরাফুল ইসলাম জিতু। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিভিন্ন ধরনের অপকর্মসহ ছাত্রীদের উত্ত্যক্ত করত সে। এসবে বাধা দেওয়ায় শিক্ষক উৎপলের ওপর ক্ষিপ্ত হয় জিতু। ২০২২ সালের ২৫ জুন দুপুরে কলেজে মেয়েদের ক্রিকেট খেলা চলাকালে জিতু উৎপল কুমারকে হত্যার উদ্দেশ্যে ক্রিকেট খেলার স্টাম্প দিয়ে মাথায় ও কপালে আঘাত করে গুরুতর রক্তাক্ত জখম করে। এ ছাড়া জিতু স্টাম্পের সুঁচালো অংশ দিয়ে উৎপলের ডান ও বাম পাশের পেটে গুরুতর রক্তাক্ত জখম করে। এতে পেটের নাড়িভুঁড়িসহ বিভিন্ন গ্রন্থি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। উৎপলকে উদ্ধার করে গণস্বাস্থ্য হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে তাকে সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিউতে রাখা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই বছরের ২৭ জুন উৎপল মারা যান।

এ ঘটনায় উৎপলের ভাই অসীম কুমার সরকার বাদী হয়ে আশুলিয়া থানায় মামলা করেন। তদন্ত শেষে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও আশুলিয়া থানার উপপরিদর্শক মো. এমদাদুল হক জিতু ও তার বাবা উজ্জ্বলকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। আসামিপক্ষের আইনজীবী আলমগীর হোসেন বলেন, এটা কোনো পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড নয়। ভুলবশত অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা। পুলিশ অতিউৎসাহী হয়ে জিতুর বাবা উজ্জ্বলকেও আসামি করেছে। তার কোনো সম্পৃক্ততা নেই। আসামিরা খালাস পাবেন।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

জুলাই সনদের প্রতি পুনরায় প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করলেন জামায়াত আমির

হরমুজ প্রণালি ইরানের জন্য পারমাণবিক অস্ত্রের মতোই গুরুত্বপূর্ণ 

বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র অংশীদারত্ব আরও গভীর করার আহ্বান ডা. শফিকুর রহমানের

ইসলামিক ব্যাংকিংয়ে সুশাসন, শরিয়াহ কমপ্লায়েন্স বাস্তবায়নে জোর

ফরিদপুর বিভাগ ও সিটি করপোরেশন হবে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

পুরো ৯০ মিনিট খেলার জন্য প্রস্তুত নেইমার : আনচেলত্তি

কুমিল্লা ও চাঁদপুরে আনসার-ভিডিপির কার্যক্রম পরিদর্শনে অতিরিক্ত মহাপরিচালক

কমিউনিস্টবিরোধী বক্তব্যে যুক্তরাষ্ট্রের ২৫০তম স্বাধীনতা দিবস উদযাপনের সূচনা করলেন ট্রাম্প

সাগরে লঘুচাপ, ঝড়ো হাওয়ার আভাস

ফুটপাতে ঘুমন্ত নারীকে ধর্ষণ, বিএনপি কর্মী আটক

১০

নজরুল বর্ষ ২০২৬-২৭ / বক্তৃতা প্রতিযোগিতায় মাতিন হাসানের প্রথম স্থান অর্জন

১১

রিয়াদে পরিত্যক্ত কক্ষে প্রবাসী যুবকের মৃত্যু, লাশ দেশে আনতে স্বজনদের আকুতি

১২

মুকসুদপুরে হ্যান্ডকাফ ও খেলনা পিস্তলসহ ভুয়া পুলিশ আটক

১৩

নদী বন্দর এলাকা পরিদর্শনে নৌ কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান

১৪

বিশ্বকাপ জিতবে কারা, শেষ ষোলোর আগে ভবিষ্যদ্বাণী অপটার

১৫

সড়কে প্রাণ গেল ২ জনের

১৬

এক যুগেরও বেশি সময় ধরে সংষ্কার হয়নি বেড়িবাঁধ, দুর্ভোগে কয়রাবাসী

১৭

ফ্রান্স দলে বড় ধাক্কা, ছিটকে গেলেন বড় তারকা

১৮

নরওয়েকে হারিয়েই ইউরোপের ‘অভিশাপ’ ঘুচাবে ব্রাজিল?

১৯

দেশের নয় জেলায় রাত ১২টার মধ্যে বজ্রবৃষ্টির আভাস

২০
X