মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩
রঞ্জন দেব
প্রকাশ : ০৩ অক্টোবর ২০২৩, ০২:৫৬ এএম
আপডেট : ০৩ অক্টোবর ২০২৩, ১১:১৭ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ
এক বছরে এসেছে ৪১০০ মৃতদেহ

মধ্যপ্রাচ্যে প্রবাসীদের মৃত্যুঝুঁকি বাড়ছে

ফাইল ছবি
ফাইল ছবি

প্রতিবছর প্রবাসে উল্লেখ্যযোগ্য সংখ্যক কর্মী মারা যায়। এর মধ্যে অনেককে প্রবাসেই কবর দেওয়া হয়। অনেক মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনা হয়। ২০২২-২৩ সালে দেশে মৃতদেহ এসেছে ৪ হাজার ১০৭টি। মৃত্যুর কারণ হিসেবে সড়ক দুর্ঘটনা, কর্মস্থলে দুর্ঘটনা, ভবন থেকে পড়ে যাওয়া, বৈদ্যুতিক দুর্ঘটনাকে দেখানো হয়। তবে তাপ সংক্রান্ত কারণে বর্তমানে অসংখ্য প্রবাসী মারা যাচ্ছে। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে দিন দিন এ ধরনের মৃত্যুঝুঁকি বেড়ে চলেছে। যদিও কোনো প্রবাসীর তাপ সংক্রান্ত কারণে মৃত্যু হলে কার্যকর কোনো কারণ ব্যাখ্যা করা হয় না। মৃত্যু সনদে লেখা হয়, প্রাকৃতিক কারণ বা হার্টঅ্যাটাক।

ওয়েজ আনার্স কল্যাণ বোর্ডের সূত্র থেকে জানা যায়, প্রবাসে কোনো কর্মী মারা গেলে সংশ্লিষ্ট দেশের কর্তৃপক্ষ মৃত্যুর কারণ লিখিতভাবে জানায়। গত পাঁচ বছরে ১৮ হাজার ১৬৬টি মরদেহ বাংলাদেশে এসেছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি মারা গেছে সড়ক দুর্ঘটনায় ২ হাজার ৬৪৯ জন। কর্মক্ষেত্রে আসা-যাওয়ার সময় এসব দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে।

তবে অভিবাসন খাত সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, অধিকাংশ ক্ষেত্রে প্রবাসী মৃত্যুর কারণ হিসেবে স্ট্রোক বা হার্টঅ্যাটাক দেখানো হয়। এ কারণে স্বাভাবিক মৃত্যু ধরা হয় ৬৯ শতাংশ। বাকি ৩১ শতাংশ ধরা হয় অস্বাভাবিক মৃত্যু। কিন্তু বিদেশে কর্মীদের মৃত্যুর কোনো কারণ বাংলাদেশের পক্ষ থেকে যাচাই করা হয় না।

যদিও মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে বছরে প্রায় ১০ হাজার প্রবাসী মারা যান। এ ক্ষেত্রে একজন প্রবাসীর মৃত্যুর কোনো কার্যকর কারণ ব্যাখ্যা করা হয় না। প্রাকৃতিক কারণ বা হার্টঅ্যাটাক বলে মৃত্যু সনদ দেওয়া হয়। তাপমাত্রা বৃদ্ধিজনিত কারণে মধ্যপ্রাচ্যে প্রবাসীদের মৃত্যুঝুঁকি বেড়েই চলছে। এমন মৃত্যুর ক্ষেত্রে মরদেহ দেশে আনার পর দ্বিতীয়বার ময়নাতদন্ত করা প্রয়োজন। দেশে তদন্ত করে প্রতিবেদন সংশ্লিষ্ট দেশে পাঠানো গেলে নিয়োগকর্তাদের জবাবদিহির মধ্যে আনা সম্ভব।

জানা গেছে, মৃত্যুর ক্ষেত্রে যে দেশে কাজ করত সেদেশের দেওয়া সনদই সত্যি বলে ধরে নেওয়া হয়। এ বিষয়ে ওয়েজ আনার্স কল্যাণ বোর্ডের মহাপরিচালক মোহাম্মদ হামিদুর রহমান বলেন, প্রবাসীদের অস্বাভাবিক মৃত্যুর ক্ষেত্রে মরদেহ দেশে আনার পর দ্বিতীয়বার ময়নাতদন্তের বিষয়টি আমরা চিন্তা-ভাবনা করছি। কোনো কর্মীর মৃত্যু সম্পর্কিত লিখিত কারণ বাংলাদেশ দূতাবাসের মাধ্যমে কল্যাণ বোর্ডের কাছে আসে। সে অনুযায়ী তাৎক্ষণিকভাবে কল্যাণ বোর্ড দাফন-কাফনের জন্য ৩৫ হাজার টাকা নগদ সহায়তা দেয়। এর বাইরে জীবন বীমার সুবিধা পায় কর্মীর পরিবার আর বিদেশে কোনো ক্ষতিপূরণ দাবি থাকলে তা দূতাবাসের মাধ্যমে আদায় করে দেওয়া হয়।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ভেঙে গেল রোনালদোর বিশ্বকাপ স্বপ্ন

বিশ্বকাপ শেষ রোনালদোর, পর্তুগালকে কাঁদিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে স্পেন

চোট নিয়ে মাঠ ছাড়লেন নুনো মেন্দেস

কোয়ার্টার ফাইনালে যেতে আর্জেন্টিনার নতুন কৌশল

বিশ্বকাপে লাল কার্ডের আন-লাকি থার্টিন

সিডনিতে বাংলা হান্ড্রেড লিগে চ্যাম্পিয়ন কুমিল্লা

প্রথমার্ধে রোমাঞ্চকর লড়াই, গোলশূন্য সমতায় বিরতিতে স্পেন-পর্তুগাল

উদযাপন করতে গিয়ে কবজি ভেঙে বিশ্বকাপ শেষ হেন্ডারসনের

মহরণে স্পেন-পর্তুগাল, শুরুর একাদশে রয়েছেন যারা

পদযাত্রায় হামলার জন্য সাভারের এমপিকে সন্দেহ নাহিদের

১০

ডিজি ছাড়া ইসিতে এনআইডি সেবা বন্ধ, সেবা মিলবে মাঠে

১১

এনসিপির সমাবেশে বোমা বিস্ফোরণ, ‘প্রশাসনের সহায়তায় হয়েছে’ দাবি নাহিদের

১২

সরকার জনগণকে দেওয়া প্রতিশ্রুতির সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে: নাহিদ ইসলাম

১৩

পিপলস্ ইন্স্যুরেন্স পিএলসিতে থ্যালাসেমিয়া সচেতনতা ও স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচি অনুষ্ঠিত

১৪

এক উপদেষ্টাসহ আওয়ামী লীগের ৪ নেতার পদত্যাগ

১৫

শুধু ব্রাজিল নয়, ভারতকেও দুঃস্বপ্ন দেখিয়েছিলেন হালান্ড

১৬

দাবি স্বাস্থ্য কর্মকর্তার / আমি কখনো কাউকে স্যার সম্বোধন করতে বলিনি

১৭

সাভারে এনসিপির সমাবেশস্থলে ককটেল বিস্ফোরণ, আহতদের পরিচয় প্রকাশ

১৮

রিহ্যাব সদস্যের সংবেদনশীল অঙ্গে আঘাত, দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি

১৯

মেয়াদ শেষের আগেই নিয়োগ বাতিল ডেপুটি গভর্নরের

২০
X