কালবেলা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৮ মে ২০২৪, ০৭:৫৭ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

শিল্পকলায় বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৩তম জন্মবার্ষিকী উদ্‌যাপন

রবীন্দ্রজয়ন্তী উৎসবের উদ্বোধন করেন স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী। ছবি : কালবেলা
রবীন্দ্রজয়ন্তী উৎসবের উদ্বোধন করেন স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী। ছবি : কালবেলা

বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে শুরু হয়েছে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৩তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন। ৩ দিনব্যাপী রবীন্দ্রজয়ন্তী উৎসবের আয়োজন করেছে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি।

বুধবার (৮ মে) বেলা ১১টায় জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়তনে রবীন্দ্রজয়ন্তী উৎসবের উদ্বোধন করেন স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী।

প্রদীপ প্রজ্বালন ও জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে শুরু হয় প্রথম দিনের আয়োজন। এরপর সদ্য প্রয়াত শিল্পী সাদি মহম্মদকে স্মরণ করা হয় যন্ত্রসংগীতের করুণ সুর পরিবেশনার মাধ্যমে।

‘সোনার বাংলার স্বপ্ন ও বাস্তবতা: রবীন্দ্রনাথ থেকে বঙ্গবন্ধু’ প্রতিপাদ্যে অনুষ্ঠিত আলোচনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, ‘রবীন্দ্রনাথ এবং বঙ্গবন্ধুর দর্শন একসাথে দেখলে তার কেন্দ্রে বাঙালি জাতিসত্তা , আত্মপরিচয় এবং আত্মমর্যাদা খুঁজে পাই’।

তিনি আরও বলেন, ‘বাঙালির আত্মপরিচয় ও আত্মমর্যাদা প্রতিষ্ঠাই ছিল রবীন্দ্রনাথ ও বঙ্গবন্ধুর মধ্যেকার নিবিড় যোগসূত্র। রবীন্দ্রনাথ বাঙালিকে নিয়ে গেছেন বিশ্ব সভায়, বঙ্গবন্ধুও ১৯৭৪ সালে জাতিসংঘের সভায় প্রথম বাংলায় ভাষণ দিয়েছিলেন। বঙ্গবন্ধু আমাদের জাতীয় সংগীতরূপে বেছে নিয়েছিলেন রবীন্দ্রনাথ রচিত ‘আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি’।

স্বাগত বক্তব্যে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক বলেন, ‘স্বাধীনতা পরবর্তীকালে শুধু বঙ্গবন্ধু নয়, কবিগুরু রবীন্দ্রনাথকেও নিষিদ্ধ করা হয়েছিল, বঙ্গবন্ধুর মৃত্যুর পর রবীন্দ্রনাথের দর্শন অনেকটাই বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা চলেছে।’

তিনি আরও বলেন, বাঙালি কবি এবং বাংলা কবিতা লিখে যিনি বিশ্বকবি হয়েছেন, স্বাধীনতার পর আমরা দেখেছি জাতীয় সংগীতকেও বদলে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এমনই এক রবি যে রবির উদয় আছে, কিন্তু অস্ত নেই।

এছাড়াও আলোচনা পর্বে বক্তব্য প্রদান করেন রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. শাহ্ আজম এবং সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব খলিল আহমদ।

সভাপতির বক্তব্যে সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী নাহিদ ইজাহার খান বলেন, ‘কবিগুরু মুক্ত চিন্তার পাঠের মাধ্যমে যেভাবে সাহিত্যকে রাঙিয়ে তুলেছেন, তেমনি জাতির পিতার দর্শন, আত্মপরিচয়ের সংগ্রাম আমাদের শক্তি জোগায়। সব পরিস্থিতিতেই বঙ্গবন্ধু ও কবিগুরুকে আমাদের ধারণ করতে হবে।’

আলোচনায় বক্তারা বলেন, ‘বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে আমরা যার কাছে সবচেয়ে বেশি ঋণী তিনি কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। শুধু বাংলা সাহিত্যের সমৃদ্ধিই নয়, তার মাধ্যমে বাংলা সাহিত্য বিশ্ব দরবারে পৌঁছেছে।’

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ব্যালট নম্বরের টোকেন নিয়ে বুথে প্রবেশের অভিযোগ ছাত্রদল সমর্থিত প্যানেলের

বাঙ্গি ক্ষেতে পড়ে ছিল স্কুলছাত্রের গলাকাটা লাশ

হাসনাত আব্দুল্লাহর ফেসবুক প্রোফাইল ডিসেবল

ফেসবুক প্রোফাইল ডিসেবলের কারণ জানালেন হাসনাত আব্দুল্লাহ

খালেদা জিয়াকে নিয়ে স্মৃতিচারণা / বেসরকারি খাতনির্ভর অর্থনীতি গড়ে তুলতে উদ্যোগ নেন তিনি  

৩৫তম নিউইয়র্ক বইমেলার আহ্বায়ক নির্বাচিত হয়েছেন ড. নজরুল ইসলাম

তারেক রহমানের সঙ্গে যমুনা গ্রুপের চেয়ারম্যানসহ পরিচালকদের সৌজন্য সাক্ষাৎ

এক মাসের জন্য বাদ দিন চিনি

নদীজুড়ে কুয়াশা, স্থবির ঢাকা-কালাইয়া নৌরুট

মুস্তাফিজ ইস্যুতে ভারতকে তুলাধুনা করে বাংলাদেশের পাশে রমিজ রাজা

১০

জকসু নির্বাচনে দুই ভিপি প্রার্থীর পাল্টাপাল্টি অভিযোগ

১১

বিচারকের কক্ষে ঘুষ দিতে গিয়ে পুলিশ আটক

১২

জকসু নির্বাচন : কেন্দ্রে নারী ভোটারের দীর্ঘ সারি 

১৩

নতুন প্রস্তাব ভারতের, ‘কঠিন’ সিদ্ধান্ত বিসিবির

১৪

আফ্রিদির বদলি খেলোয়াড়ের নাম ঘোষণা করল ব্রিসবেন

১৫

সব অভিযোগ অস্বীকার করলেন মাদুরো

১৬

ভেনেজুয়েলার দায়িত্ব কে নেবেন? ট্রাম্প বললেন, ‘আমি’

১৭

আজ ৮ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়

১৮

রাজশাহীতে মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড

১৯

নিবন্ধনের সময় শেষ / পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিতে ১৫ লাখের বেশি আবেদন

২০
X