কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ২৯ ডিসেম্বর ২০২৩, ০৭:২১ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

অর্থনীতির জন্য ক্ষতিকর কর্মসূচি থেকে বিরত থাকার অনুরোধ বিজিএমইএ সভাপতির

বিজিএমইএ-র লোগো
বিজিএমইএ-র লোগো

দেশ ও অর্থনীতির জন্য ক্ষতিকর কর্মসূচি গ্রহণ থেকে বিরত থাকতে শ্রমিকদের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন বাংলাদেশের তৈরি পোশাকশিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ’র সভাপতি ফারুক হাসান।

শুক্রবার (২৯ ডিসেম্বর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তিনি বলেন, ‘আগামী ১ জানুয়ারি থেকে কিছু সংগঠন পোশাক খাতে শ্রমিক ধর্মঘট পালনের ঘোষণা দেওয়ায় বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে, যা নিতান্তই অনাকাঙ্ক্ষিত।’

তিনি বলেন, এ ধরনের একটি কর্মসূচি কখনোই সমর্থনযোগ্য নয়, বরং আমরা মনে করি, এটি শিল্পকে অস্থিতিশীল করার একটি অপচেষ্টা। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আমরা যখন এক কঠিন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছি, সেই সময়টিতে ধর্মঘটের নামে যেকোনো কর্মসূচি পালন করা হলে তা আমাদের অথনীতিকে ব্যাহত করবে, সেই সঙ্গে বহির্বিশ্বে শিল্প সম্পর্কে নেতিবাচক বার্তা দেবে এবং ক্রেতাদের মধ্যে সংশয় সৃষ্টি করবে, যা মোটেই কাম্য নয়।

তিনি আরও বলেন, করোনা পরবর্তী বিশ্ব অর্থনীতি, ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের প্রভাবে বিশ্বব্যাপী মূল্যস্ফীতির চাপ এখন পর্যন্ত সামলে উঠা সম্ভব হয়নি। এ ছাড়া মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে উন্নত দেশগুলো সুদের হার ও মর্টগেজ রেট বাড়িয়েছে। এতে ভোক্তাদের ক্রয় ক্ষমতা ও খুচরা বিক্রয় কমে এসেছে এবং বৈশ্বিক পর্যায়ে পণ্যের দরপতন ঘটছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বিশ্বব্যাপী পণ্যের বিক্রি ও চাহিদা কমছে, দরপতন তীব্রতর হচ্ছে, উৎপাদন খরচ বেড়ে প্রতিযোগী সক্ষমতা ধরে রাখা চ্যালেঞ্জিং হয়ে পড়েছে। এ সময় নতুন ন্যূনতম মজুরি এরই মধ্যে বাস্তবায়ন করা হয়েছে। ২০২৪ সালের জানুয়ারির শুরু থেকে নতুন মজুরি পাওয়া শুরু করবে।

এ রকম পরিস্থিতিতে শিল্পে ধর্মঘট পালনের মতো কর্মসূচি গ্রহণ একান্তভাবেই অনভিপ্রেত- শিল্প ও অর্থনীতির জন্য মোটেও তা শুভ নয়। মনে রাখা বাঞ্ছনীয়, শিল্প না থাকলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবেন শ্রমিক ভাই-বোন। এখন পর্যন্ত তাদের জন্য দেশে বিকল্প কর্মসংস্থানের খাত গড়ে উঠেনি।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, বাংলাদেশের অর্থনীতি এই শিল্পের ওপর নির্ভরশীল। শিল্পের প্রবৃদ্ধি, আমাদের অর্থনীতি ও দেশের আর্থ-সামাজিক সমৃদ্ধির পরিপূরক। তাই এই শিল্পের প্রতিযোগী সক্ষমতা টিকিয়ে রাখা আমাদের শ্রমিকদের, তাদের পরিবার এবং বৃহত্তর অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

ফারুক হাসান বলেন, এ অবস্থায় দেশ ও অর্থনীতির স্বার্থে পোশাক শিল্পকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার না করার জন্য অনুরোধ করছি। আমি বিশ্বাস করি, আমাদের শ্রমিক ভাই-বোনেরা তাদের জীবিকার প্রধান উৎসটি কোনোভাবেই ক্ষতিগ্রস্ত হতে দেবেন না। আপনারা কোনো ধরনের প্ররোচনা ও অপচেষ্টায় নিজেদের সম্পৃক্ত করবেন না। আমি গভীরভাবে বিশ্বাস করি, সবার ঐকান্তিক সহযোগিতায় পোশাকশিল্প আরও বহুদূর এগিয়ে যাওয়ার সামর্থ্য রাখে।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ভালুকায় বিএনপি ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকদের সংঘর্ষ, আহত অর্ধশতাধিক

আরাও এক আসন থেকে সরে দাঁড়ালেন জামায়াত প্রার্থী

গভীর রাতে বিসিবি সভাপতি বুলবুলের দেশ ছাড়ার গুঞ্জন!

ডাকসু নিয়ে বিতর্কিত বক্তব্য : দুঃখ প্রকাশ সেই জামায়াত নেতার

আর্সেনালকে হারিয়ে প্রিমিয়ার লিগ জমিয়ে তুলল ম্যানইউ

তৌহিদ হোসেন ও ইসহাক দারের ফোনালাপ

ইয়ামালের অসাধারণ গোলে আবারও লা লিগার শীর্ষে বার্সা

ছাত্রলীগ নেতা সাদ্দামের স্ত্রীকে হত্যা করা হয়েছে, দাবি তার ভাইয়ের

কিশোরদের কানে ধরে ওঠবস বিতর্ক, ব্যাখ্যা দিলেন ডাকসুর সর্বমিত্র

বাগেরহাটের ডিসি-এসপিকে ফোন করে হুমকি

১০

বিএনপির জনসভার ১৮টি মাইক, ৫ কয়েল তার চুরি

১১

দুস্থ মানুষের পাশে দাঁড়ানোই বিএনপির রাজনীতি : রিজভী

১২

সিরাজগঞ্জে বুদ্ধিস্ট ফেডারেশনের শীতবস্ত্র বিতরণ

১৩

তারেক রহমানই বাংলাদেশকে সামনে এগিয়ে নিতে পারবেন :  সালাম

১৪

খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে ঢামেকে শোক বই, উদ্বোধন করলেন ড্যাব সভাপতি 

১৫

শাকিবের গ্রিন কার্ড পাওয়ার ‘গোপন’ খবর ফাঁস করলেন অমিত হাসান

১৬

ইসিকে নিরপেক্ষতা ও স্বচ্ছ ভোট গণনা নিশ্চিত করতে হবে : রবিউল

১৭

ঢাবির মাঠে খেলতে আসায় কানে ধরালেন ডাকসুর সর্বমিত্র

১৮

সোমবার গ্যাস থাকবে না যেসব এলাকায়

১৯

তারেক রহমানের মাধ্যমে নতুন বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই : মঈন খান

২০
X