সীতাকুণ্ড (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি
প্রকাশ : ২৪ অক্টোবর ২০২৩, ০৬:২২ পিএম
আপডেট : ২৪ অক্টোবর ২০২৩, ০৬:৪৫ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

বিপদ সংকেতের মধ্যেও সমুদ্রে গোসলে নেমেছেন পর্যটকরা

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে গুলিয়াখালি সি বিচে ঘূর্ণিঝড় উপেক্ষা করে সমুদ্রে গোসল করছেন পর্যটকরা। ছবি : কালবেলা
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে গুলিয়াখালি সি বিচে ঘূর্ণিঝড় উপেক্ষা করে সমুদ্রে গোসল করছেন পর্যটকরা। ছবি : কালবেলা

বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত প্রবল ঘূর্ণিঝড় হামুন অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। যে কোনো সময় আঘাত হানতে পারে চট্টগ্রামে। ঘূর্ণিঝড় হামুনের প্রভাবে চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন জেলায় ৭ নম্বর বিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। কিন্তু এ বিপদ সংকেতকে তোয়াক্কা না করে দলে দলে গুলিয়াখালি সমুদ্রসৈকতে ঘুরতে আসছে পর্যটকরা।

পর্যটকরা জানান, সাগর উপকূলীয় এলাকায় বিপদ সংকেতের ব্যাপারে তারা কিছুই জানেন না। পর্যটকরা বলছেন, আমরা ঘূর্ণিঝড় সতর্ক সংকেত সম্পর্কে কিছুই জানি না। তা ছাড়া আমরা সমুদ্রে নামার সময় কেউ নিষেধ করেননি এবং কোনো সতর্ক চিহ্ন দেয়নি। প্রশাসনের তৎপরতা থাকলে ঘূর্ণিঝড়ের মধ্যে আমাদের এখানে আসা সম্ভব হতো না।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, ঘূর্ণিঝড় হামুনকে কেন্দ্র করে সকালে উপজেলা কার্যালয়ে জরুরি সভার মাধ্যমে প্রতিটি ইউনিয়নের চেয়ারম্যানকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য। এ ছাড়াও ৫৯টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত করা হয়েছে। ১৫টি মেডিকেল টিম ও শুকনা খাবারে ব্যবস্থা করা হয়েছে। বন্ধ রাখা হয়েছে সীতাকুণ্ড থেকে সন্দ্বীপ চলাচলের স্পিডবোট ও নৌকা।

মঙ্গলবার (২৪ অক্টোবর) দুপুর আড়াইটার দিকে গুলিয়াখালি সমুদ্রসৈকতে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে দলে দলে আসছেন পর্যটকরা। পর্যটকরা দল বেঁধে করছেন ফুটবল খেলা আবার কেউ গোসল করছেন সমুদ্রের পানিতে।

ঢাকা থেকে বেড়াতে আসা সিয়াম নামে এক যুবক কালবেলাকে বলেন, আমরা ১১ জনের একটি টিম এখানে বেড়াতে এসেছি। সবাই মিলে খুব মজা করছি কিন্তু একবারের জন্য কেউ বলল না যে, এখানে বিপদ সংকেত চলছে।

মুরাদপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও গুলিয়াখালি সি বিচ কমিটির সদস্য সচিব রেজাউল করিম বাহার কালবেলাকে বলেন, উপজেলা প্রশাসনের নির্দেশে আমরা প্রচার চালাচ্ছি। এখানে তো জনে জনে বলা সম্ভব নয়।

সীতাকুণ্ড উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও গুলিয়াখালি সি বিচ কমিটির সভাপতি কে এম রফিকুল ইসলাম কালবেলাকে বলেন, আজ সকালে ঘূর্ণিঝড় হামুনকে কেন্দ্র করে জরুরি সভার মাধ্যমে প্রতিটি ইউনিয়নের চেয়ারম্যানকে সতর্কতা অবস্থানের জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়াও ৫৯টি আশ্রয় কেন্দ্র, ১৫টি মেডিকেল টিম ও শুকনা খাবার প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

মেরাজ কি রজবের ২৭ তারিখেই হয়েছিল?

ধানের শীষ পবিত্র মার্কা, বদনাম হতে দিব না : শামা ওবায়েদ 

মিরপুর স্টেডিয়ামে ভাঙচুর

মেরাজ সফরে যাঁদের সঙ্গে দেখা হয়েছিল নবীজির (সা.)

সায়েন্সল্যাবে ঢাবির বাস ভাঙচুর, দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা চায় ডাকসু

জাতীয় বেতন কমিশনের কার্যক্রম নিয়ে ঢা‌বি সাদা দলের উদ্বেগ

১২ দিনেও সন্ধান মেলেনি স্কুল থেকে নিখোঁজ শিশুর

রাষ্ট্রপতির কাছে নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূতের পরিচয়পত্র পেশ

গণভোট নিয়ে সপ্তাহব্যাপী প্রচারণায় জেলায় জেলায় যাচ্ছেন উপদেষ্টারা 

দক্ষিণ চীন সাগর থেকে মধ্যপ্রাচ্যে বিমানবাহী রণতরী পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

১০

সেই ছবি দেখিয়ে ট্রাম্পকে হত্যার হুমকি

১১

অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত বিপিএল

১২

উন্নত ফিচার ও শক্তিশালী ব্যাটারিসহ নতুন স্পার্ক গো ৩ উন্মোচন করলো টেকনো

১৩

এসএসসি পরীক্ষা শুরুর তারিখ প্রকাশ

১৪

নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর কারণ জানালেন রাশেদ প্রধান

১৫

নগরবাউল জেমসের উদ্দেশ্যে যে প্রশ্নটি করলেন আসিফ আকবর

১৬

নতুন কর্মসূচি দিয়ে সড়ক ছাড়লেন শিক্ষার্থীরা

১৭

জামায়াত কর্মীকে ছুরিকাঘাতের পর হাতুড়িপেটা

১৮

নাজমুলের যে বক্তব্যে উত্তাল হয়ে ওঠে ক্রীড়াঙ্গন

১৯

রাজনৈতিক দলগুলোতে কালো টাকার প্রভাব বাড়ছে : বদিউল আলম

২০
X