কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি
প্রকাশ : ১৬ জুলাই ২০২৪, ০৯:০৪ এএম
অনলাইন সংস্করণ

কুড়িগ্রামে বন্যায় ৫০ হাজার কৃষকের ক্ষতি ১০৫ কোটি টাকা

বন্যার পানি কমে যাওয়ায় দৃশ্যমান হচ্ছে বিভিন্ন সবজির মাচা। ছবি : কালবেলা
বন্যার পানি কমে যাওয়ায় দৃশ্যমান হচ্ছে বিভিন্ন সবজির মাচা। ছবি : কালবেলা

কুড়িগ্রামে বন্যার পানি নেমে যাওয়ায় স্পষ্ট হয়ে উঠছে ক্ষতচিহ্ন। ক্ষেতের মাচান থাকলেও নেই সবুজ গাছ। পানির নিচ থেকে ভেসে উঠছে পাট, পটল, আমন বীজতলা ও বেগুনসহ বিভিন্ন সবজি ক্ষেত।

দ্বিতীয় দফায় দীর্ঘস্থায়ী বন্যায় জেলার ৯ উপজেলায় শুধু কৃষিতেই ক্ষতি হয়েছে ১০৫ কোটি টাকা।

জেলা কৃষি বিভাগের তথ্য সূত্রে জানা গেছে, জেলার ৯ উপজেলায় শুধু কৃষিতে ৮ হাজার হেক্টর জমির বিভিন্ন ফসল তলিয়ে যায়। এতে ক্ষতি হয়েছে প্রায় ১০৫ কোটি টাকা। আর ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে প্রায় ৫০ হাজার।

অপরদিকে বন্যার পানির প্রবল স্রোতে গ্রামাঞ্চলের কাঁচা-পাকা সড়কগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বিভিন্ন যানবাহনে যাতায়াত করছে মানুষজন। এসব গ্রামীণ কাঁচাপাকা সড়ক ও ঘর-বাড়ির ক্ষতি নিরূপণ কাজ করছে সংশ্লিষ্ট দপ্তর।

কুড়িগ্রাম সদরের পাঁচগাছী ইউনিয়নের সিতাই ঝাড় এলাকার কৃষক ছোমেদ আলী বলেন, আমার এক বিঘা জমির পটলের আবাদ শেষ। এখনো বাড়ির চারদিকে পানি। আমন বীজতলা করতে পারছি না। আমন আবাদও মনে হয় করা হবে না।

একই এলাকার কৃষক শহীদ আলী বলেন, বানের পানিতে এখনো সব জমি তলিয়ে আছে। বীজতলা করার সময় শেষের দিকে। এবার আমাদের এলাকার কৃষক কেমন করে আবাদ করবে চিন্তায় বাঁচে না সবাই।

কুড়িগ্রাম কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন কালবেলাকে বলেন, দ্বিতীয় দফা বন্যায় কুড়িগ্রামের ৯ উপজেলায় কৃষি সেক্টরে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। আমরা ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের তালিকা করছি। এ ছাড়া কৃষকরা যেন আমন আবাদ ভালোভাবে করতে পারে তাই পরামর্শ দিচ্ছি।

কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রাকিবুল হাসান বলেন, প্রায় দুই সপ্তাহ পর ব্রহ্মপুত্রসহ জেলার ওপর দিয়ে প্রবাহিত সব নদ-নদীর পানি বিপদসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তবে এ মুহূর্তে বন্যার কোনো পূর্বাভাস নেই।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

নুরের সবশেষ অবস্থা জানালেন চিকিৎসক

নুরের খোঁজ নিলেন রাষ্ট্রপতি

গ্রামবাংলার জনপ্রিয় হাডুডু খেলা দেখতে মানুষের ঢল

দুপক্ষের সংঘর্ষে ইউপি সদস্যসহ নিহত ২

সমালোচনার শিকার পাকিস্তানি অভিনেত্রী

ডাকসু নির্বাচনে ফরহাদের জিএস প্রার্থিতা চ্যালেঞ্জ করে রিট

১২ বলে ১১ ছক্কা হাঁকালো, শেষ ওভারে এলো ৪০ রান

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সব বিভাগের পরীক্ষা স্থগিত

ব্যাংকে গরুর মাংস খাওয়া নিষেধ, প্রতিবাদে কর্মীদের ‘পার্টি’

ব্যাংকিং টিপস / ঋণ নেওয়ার আগে যেসব চিন্তাভাবনা জরুরি

১০

বাংলা সিনেমায় মুগ্ধ অনুপম খের

১১

ফের ছোট পর্দায় ফিরছেন মধুমিতা

১২

প্রকৃতির আশীর্বাদপুষ্ট ঔষধি নিম

১৩

বিসিবির নির্বাচন জিতলে কী কী পদক্ষেপ নেবেন, জানালেন তামিম

১৪

৫০০ সাংবাদিককে ছাঁটাই করছে ট্রাম্প প্রশাসন

১৫

ধূমপানের ক্রেভিং কমাতে সাহায্য করে যে ফল

১৬

‘ফ্যাসিস্টদের দৃশ্যমান বিচার ছাড়া নির্বাচন উৎসবমুখর হবে না’

১৭

স্থানীয়দের সঙ্গে চবি শিক্ষার্থীদের রাতভর সংঘর্ষ, আহত অর্ধশতাধিক

১৮

টানা তিন জয়ে লা লিগার শীর্ষে রিয়াল

১৯

মোদি এখন কোথায়?

২০
X