বরিশাল ব্যুরো
প্রকাশ : ৩০ অক্টোবর ২০২৪, ০৬:৫৮ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

সিন্ডিকেট ভাঙতে বরিশালে ন্যায্যমূল্যের দোকান

বরিশালে ন্যায্যমূল্যের দোকান
বরিশালে ন্যায্যমূল্যের দোকান

বাজার সিন্ডিকেট ভাঙতে বরিশালে ন্যায্যমূল্যের দোকান বসানো হয়েছে। বুধবার (৩০ অক্টোবর) সকালে ‘বৈষম্যবিরোধী ছাত্র নাগরিক, বরিশাল’ -এর ব্যানারে নগরের চাঁদমারি মাদ্রাসা সড়কস্থ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে প্রথমদিনের এ বাজার বসে।

খুচরো বাজারের থেকে এ বাজারে পণ্য কম দামে পেয়ে প্রথম দিনেই ক্রেতাদের মাঝে সাড়া ফেলেছে। সকাল ১০টার দিকে শুরু হওয়া বাজারের সব পণ্যই বেলা ১১টার দিকে শেষ হয়ে যায়।

ক্রেতারা বলছেন, এভাবে যদি বাজার বিভিন্ন স্থানে বসানো যায়, তাহলে বাজারের মূল্য সিন্ডিকেটের অধঃপতন ঘটবে। কারণ এ বাজারে টাটকা সবজি খুচরো বাজারের থেকে অনেক কম দামেই মিলেছে। চাঁদমারি এলাকার বাসিন্দা মরিয়ম বলেন, প্রথম দিনেই বাজার ভালো জমে উঠেছে, তবে চাহিদার থেকে তরিতরকারি অনেক কম ছিল। অনেকেই খবর পেয়ে আসতে আসতে বেচাবিক্রি শেষ হয়ে গেছে। গরীব মানুষের জন্য এ ধরনের বাজার হলে ভালোই হয়।

রাজিয়া নামের এক নারী বলেন, গত কয়েক মাসে ৮০ টাকার নিচে লাউ বাজার থেকে কিনতে পারি নাই, সেখানে ৩০-৪০ টাকার মধ্যে লাউ চিন্তাও করিনি। আবার কলা ও শসার দামও কম বাজারের থেকে।

বাজারটি পরিচালনার দায়িত্বে থাকা আবু বক্কর সিদ্দিক জানিয়েছেন, প্রথমদিনে তারা ‘বৈষম্যবিরোধী ছাত্র নাগরিক, বরিশাল’ এর চাঁদমারি কলোনীতে দোকান বসিয়েছেন। মূলত বাজারের সিন্ডিকেট ভাঙার জন্যই এ উদ্যোগ।

তিনি বলেন, উজিরপুরের গুঠিয়া এলাকা থেকে পণ্য কিনে এনে এখানে ন্যায্যমূল্যে বিক্রি করছি। প্রথম দিনে নগরের চাঁদমারি কলোনি ব্যতীত আমতলার মোড় মডেল মসজিদের সামনেও একটি দোকান বসানো হয়েছে। আমরা চাচ্ছি এটিকে আরও বৃদ্ধি করতে, মূলত বস্তি এলাকায় আরও দোকান বসাতে চাচ্ছি।

যতদিন বাজার সিন্ডিকেট না ভাঙবে ততদিন এ বাজার থাকবে জানিয়ে তিনি বলেন, আমরা সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে পণ্য এনে ভোক্তার কাছে বিক্রি করছি, মাঝে কোনো সুবিধাভোগী নেই। ফলে আমরা যে কম মূল্যে পণ্য বিক্রি করতে পারছি, তাতে ক্রেতারা সন্তুষ্ট হচ্ছেন।

তিনি বলেন, চাহিদা অনুযায়ী আমরা আরও বেশি পণ্য ক্রয় করবো এবং স্টলের সংখ্যাও বৃদ্ধি পাবে। আজ প্রথমদিনে আমরা ১০টার সময় পণ্য নিয়ে এসে ক্রেতাদের এত আগ্রহ দেখেছি যে মুহূর্তের মধ্যে সব বিক্রি শেষ হয়ে গেছে।

উল্লেখ্য, প্রথমদিনে কাঁচামরিচ ১১০ টাকা কেজি, করলা ৫০ টাকা, শসা ৩০ টাকা, মুলা ২৫ টাকা, পেঁপে ২৫ টাকা, কলা হালি প্রতি ২৫ টাকা, লাউ আকার ভেদে ৩০-৪০ টাকা এবং ধনে পাতা ১ শত গ্রাম ১৫ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে। কৃষকের কাছ থেকে পণ্য ক্রয়ের ওপর ভিত্তি করে এ দাম উঠানামা করবে বলে জানিয়েছেন উদ্যোক্তারা।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

দিনদুপুরে ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা

নামাজরত ব্যক্তির কতটুকু সামনে দিয়ে হাঁটা যাবে?

এশিয়া সাসটেইনেবিলিটি রিপোর্টিং অ্যাওয়ার্ড পেয়েছে এনআরবিসি ব‍্যাংক

বরিশাল ছাড়ল স্টিমার ‘পিএস মাহসুদ’

এয়ারবাসে বড় ত্রুটি, বিঘ্নিত হতে পারে হাজার হাজার ফ্লাইট

খালেদা জিয়ার দ্রুত আরোগ্য কামনায় রুয়েটে দোয়া মাহফিল

বিপিএলের নিলাম থেকে বাদ পড়ে যা বললেন বিজয়

ইউনিচার্ম আনল সোফি অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়া ন্যাপকিন

রাজপথে নামার হুঁশিয়ারি নার্সদের

খালেদা জিয়ার জন্য দোয়া চাইলেন আজহারি

১০

ঢাকা-খুলনা মহাসড়ক অবরোধ

১১

বিমানবন্দরে অবতরণের সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বিমান বিধ্বস্ত

১২

জানুয়া‌রির শুরু‌তেই বই পা‌বেন শিক্ষার্থীরা : গণ‌শিক্ষা উপ‌দেষ্টা

১৩

ই-রিটার্ন দাখিল করেছেন ২০ লাখের বেশি করদাতা

১৪

খালেদা জিয়ার জন্য এয়ার অ্যাম্বুলেন্স প্রস্তুত : আযম খান

১৫

বেশিক্ষণ ফোন ব্যবহার করলে কি ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ে?

১৬

নির্বাচনী প্রচার স্থগিত করে খালেদা জিয়ার জন্য দোয়া

১৭

বিএনপির সময় ক্যাপিটাল মার্কেটে ধস নামেনি : আমীর খসরু

১৮

শ্রম-ভিসা সুবিধার নিয়ম পরিবর্তন করল ইউরোপের এক দেশ

১৯

ইরানের পরমাণু স্থাপনা নিয়ে ভয়ের তথ্য দিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

২০
X