শেখ হাসিনা ক্ষমতায় থাকলে দেশের উন্নয়ন হয়। উন্নয়নের জন্য শেখ হাসিনাকে আবারও প্রধানমন্ত্রী করতে উপকারভোগীদের প্রতি সমর্থন দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন খাদ্যমন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা সাধন চন্দ্র মজুমদার।
আজ বুধবার (১৬ আগস্ট) দুপুরে নওগাঁর নিয়ামতপুরে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় ভেড়া, ভেড়ার খাবার ও গৃহনির্মাণ উপকরণ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন তিনি।
খাদ্যমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ৭ মার্চ ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে স্বাধীনতার বাঁশি বাজিয়েছিলেন। সেই বাঁশির সুরে দলে দলে মানুষ স্বাধীনতার জন্য বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে একতাবদ্ধ হয়। অর্জিত হয় কাঙ্ক্ষিত স্বাধীনতা। তার সুযোগ্য কন্যা দেশের জন্য নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন।
সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেন, সরকারের বাস্তবমুখী কার্যক্রমের ফলে বাংলাদেশ এখন মাছ উৎপাদনে বিশ্বে তৃতীয়, সবজি উৎপাদনে দ্বিতীয়, ধান উৎপাদনে দ্বিতীয়, মাংস ও ডিম উৎপাদনেও স্বাবলম্বী হয়েছে। এটাই শেখ হাসিনার বাংলাদেশ- বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা খাদ্য উৎপাদনে গুরুত্ব দিয়ে প্রতি ইঞ্চি জমি চাষের আওতায় আনার নির্দেশনা দিয়েছেন। বিষয়টি অনুধাবন করে উৎপাদন বাড়াতে মনোযোগী হয়েছে কৃষক।
প্রধানমন্ত্রী কর্মসংস্থানের ওপর জোর দিয়েছেন। যারা ভেড়া পালন করবেন তাদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। ভেড়া ভালোভাবে লালন পালন করতে পারলে এর মাধ্যমেই তারা কর্মসংস্থান করে নিতে পারবেন। পরিবারে তিনি কর্মক্ষম সদস্য হিসেবে মর্যাদা পাবেন। গ্রামীণ নারীরা সেলাই মেশিনের মাধ্যমেও আয়বর্ধক কাজে যুক্ত হয়ে নিজেদের আর্থিক অবস্থার উন্নয়ন করছেন বলে উল্লেখ করেন খাদ্যমন্ত্রী।
নিয়ামতপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইমতিয়াজ মোরশেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন নিয়ামতপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফরিদ আহম্মেদ, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নাদিরা বেগম, নিয়ামতপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, সাধারণ সম্পাদক জাহিদ হাসান বিপ্লব, থানার ওসি মাইদুল ইসলাম। স্বাগত বক্তব্য রাখেন উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. ইয়ামিন আলী।
অনুষ্ঠানে ২৯৭ জন নৃগোষ্ঠীর সদস্যকে বিনামূল্যে ২টি করে ভেড়া, ২৭ কেজি করে ভেড়ার খাবার ও ভেড়ার ঘর তৈরির উপকরণ দেওয়া হয়। এ ছাড়াও অনুষ্ঠানে মহিলাবিষয়ক অধিদপ্তরের বিভিন্ন প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারী ৫০ জনের মাঝে ৬ লাখ টাকার চেক এবং সমাজসেবা অধিদপ্তরের মাধ্যমে ২৩ জনের মাঝে জটিল রোগের চিকিৎসা বাবদ ১২ লাখ ৫০ হাজার টাকার চেক বিতরণ করা হয়।
এর আগে খাদ্যমন্ত্রী উপজেলা পরিষদের পুকুরে মাছের পোনা উন্মুক্ত করেন।
মন্তব্য করুন