লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি
প্রকাশ : ১১ মে ২০২৫, ০৪:০৩ পিএম
আপডেট : ১১ মে ২০২৫, ০৫:২২ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

বিএনপি যা চেয়েছে তাই হয়েছে : এ্যানি

বিএনপি যা চেয়েছে তাই হয়েছে : এ্যানি

বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধে সরকার যে সিদ্ধান্ত দিয়েছে বিএনপির কথার সঙ্গে তা মিলে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন। বিএনপিসহ সব রাজনৈতিক দলকে ডাক দিয়ে সরকার যদি আলোচনা করত তাহলে বহু আগেই এ নিষ্পত্তি হতে পারত।

তিনি বলেন, যেটা হয়েছে, বিএনপি যা চেয়েছে তাই হয়েছে। আলোচনামাফিক বিচার-প্রক্রিয়া দ্রুত শেষ করতে হবে। বিচার-প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে আমাদের সমাধান নিয়ে আসতে হবে।

রোববার (১১ মে) দুপুরে লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার হাজিরপাড়া ইউনিয়নের বড়বল্লভপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও মান্দারী ইউনিয়নের মিয়াপুর ভূঁইয়া বাড়ি নুরানি মাদ্রাসায় ওয়ার্ডভিত্তিক নেতা নির্বাচনের ভোটগ্রহণ পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন।

শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি বলেন, হাসিনার বিচার দ্রুত হলে গুম-খুনের একটা ফলাফল আসবে। বিচারের রায় হবে। গণহত্যার বিচার হবে, বিচারে একটা রায় হবে। যারা গণহত্যা-গুম-খুন করে তাদের রাজনীতি করার অধিকার নেই। বিচার প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধকরণ আমরা চাই। অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্ব হলো সব রাজনৈতিক দলের সঙ্গে বসে দ্রুত বিচার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা।

তিনি বলেন, সবার আগে হাসিনা ও তার সাঙ্গপাঙ্গদের বিচার এবং আইনের মাধ্যমে বিচারিক প্রক্রিয়ায় আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধকরণ। এটা নিয়ে পাড়া-মহল্লায়, শাহবাগে, যমুনায় বারবার মিছিল-মিটিং করতে হবে, গাড়ি আটকাতে হবে, এতে মানুষের কষ্ট হবে। এটি জনগণ চায় না, প্রত্যাশা করে না। জনগণ চায় টেবিলে আলোচনা করে শেষ করেন। টেবিলে আলোচনাটা জরুরি ছিল। সব রাজনৈতিক দলকে ডেকে নিয়ে আলোচনা করলে এ নিষ্পত্তিটা আরও আগেই হতো।

তিনি আরও বলেন, মানুষ এখন দেশ গড়তে চায়। আমরা যেসব রাজনৈতিক দল একসঙ্গে আন্দোলন করেছি, সেখানে যদি বিন্দুমাত্র মতভেদ তৈরি হয় মানুষ মনে কষ্ট পাবে। এই কষ্ট আমরা মানুষকে দিতে চাই না। আমরা ১৭ বছরের বিচার চেয়েছি।

এ্যানি বলেন, গণহত্যা-গুম-খুনের বিচার চেয়েছি। দুর্নীতি-টাকা পাচারের বিচার চেয়েছি। আমাদের আন্দোলনের ফসল হলো বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার। এ সরকার ৯ মাস দায়িত্ব পালন করছে। ৯ মাসে এখনো পর্যন্ত দৃশ্যমান কোনো বিচার দেখছি না। বিচার প্রক্রিয়া এতো স্লো কেন, কারণ কী? হাসিনার বিচারটা যদি দৃশ্যমান আর দ্রুত হয় তাহলে দেশের মানুষ খুশি হবে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সদস্য হাফিজুর রহমান, জেলা জজ আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) আহমেদ ফেরদৌস মানিক, চন্দ্রগঞ্জ থানা বিএনপির আহ্বায়ক বেলাল হোসেন, সদস্য সচিব আনোয়ার হোসেন বাচ্চু প্রমুখ।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

শ্রমিক নেতাকে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ

দেশে কত দামে স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে আজ

টাকা দিয়ে এবার কোনো নির্বাচন হবে না: ড. মোবারক

বদলি নিয়ে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের মানতে হবে যেসব নিয়ম

বন্ধ হচ্ছে ৬ আর্থিক প্রতিষ্ঠান

দুবাইয়ে নির্মিত হচ্ছে বিশ্বের প্রথম স্বর্ণের সড়ক

চাকরি দিচ্ছে বিকাশ, আবেদন করুন আজই

গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থীকে অপহরণ করে মারধর

ইতালিতে জরুরি অবস্থা জারি

মাথায় আঘাত পেলে যা করবেন, কখনই বা ডাক্তারের কাছে যাবেন

১০

এবার আইসিসি থেকে সুখবর পেল বাংলাদেশ

১১

চট্টগ্রামে বিএনপি ও জামায়াতের ৯ কর্মী আহত

১২

দেশে আমার সকল সন্তান যেন থাকে দুধে ভাতে : মির্জা ফখরুল

১৩

সেপটিক ট্যাংকে গৃহবধূর লাশ, বেরিয়ে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য

১৪

বরিশালে ২৪ শিক্ষকের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

১৫

খুশকি দূর করুন সহজ ঘরোয়া যত্নে

১৬

ঢাকার শীত নিয়ে আবহাওয়া অফিসের নতুন বার্তা

১৭

রাইস কুকার না মাল্টি কুকার? কোনটা আপনার জন্য ভালো বুঝে নিন

১৮

বিএনপির আরও ৬ নেতাকে বহিষ্কার

১৯

রাজধানীতে আজ কোথায় কী

২০
X