নলডাঙ্গা (নাটোর) প্রতিনিধি
প্রকাশ : ২৭ জুন ২০২৫, ১১:০৮ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

দেড়শ বছরের পুরোনো পিতলের রথযাত্রা উদযাপিত

উপমহাদেশের একমাত্র সর্ববৃহৎ ও প্রাচীনতম পিতলের রথযাত্রায় সনাতনীরা। ছবি : কালবেলা
উপমহাদেশের একমাত্র সর্ববৃহৎ ও প্রাচীনতম পিতলের রথযাত্রায় সনাতনীরা। ছবি : কালবেলা

নাটোরে উপমহাদেশের একমাত্র সর্ববৃহৎ ও প্রাচীনতম পিতলের রথযাত্রা উদযাপিত হয়েছে। শুক্রবার (২৭ জুন) সকাল থেকে মাঙ্গলিক আনুষ্ঠানিকতার মধ্যে দিয়ে নলডাঙ্গা উপজেলার মাধনগরের মদনমোহন মন্দির থেকে দেড়শ বছরের পুরানো পিতলের রথ রশি দিয়ে টেনে যাত্রা শুরু করেন।

এতে অংশ নেয় আশেপাশের কয়েক জেলা, উপজেলার হাজারো পুণ্যার্থীরা। নানা সাজে ঢাক-ঢোল বাজিয়ে রথ টেনে নিয়ে যায় ভক্তরা।

দুপুর ২টার দিকে মাধনগর মদনমোহন মন্দির থেকে রথযাত্রা শুরু হয়। নয়দিন পরে এখান থেকেই উল্টো রথে ফিরবেন শ্রী শ্রী জগন্নাথ। মঙ্গল, মুক্তি আর শান্তি সমৃদ্ধির এই যাত্রা মানব জাতির জন্য আশীর্বাদ বলে জানান নানা বয়সী ভক্তরা।

স্থানীয় এলাকাবাসী, মানিক চন্দ্র, বিনয়, সুশান্ত কুমারসহ অনেক বরেন, প্রতিবছরের মতো এই যাত্রা মানুষের চাওয়া-পাওয়ার সন্নিবেশ ঘটায়। আমরা চাই, সরকার যেন এখানকার ভূমিদস্যুদের হাত থেকে দেবোত্তর সম্পত্তি করে।

মদনমোহন মন্দিরের সভাপতি পিন্টু অধিকারী বলেন, ১৬৮ বছরের পুরানো পিতলের এ রথ ১২ ফুট স্কয়ারে ২৫ ফুট উচ্চতা, ১২টি চাকা এ চাকার ভিতরে রয়েছে পিতলের ১২টি পাত, ১২টি কোনো ও ১১২টি পিলার। মাধনগরের ১৬৮ বছরের পুরানো রথ উপমহাদেশের সর্ববৃহৎ ও প্রাচীনতম। মদনমোহনের মাহাত্ম্য দেখে পাবনার দিলালার জমিদার যামিনী সুন্দরী বসাক ১৮৬৭ সালে এ রথ প্রতিষ্ঠা করেন। কিন্তু রথের প্রায় শতাধিক বিঘা দেবোত্তর জমি থাকলেও সে জমিগুলো বিক্রি হয়ে বিভিন্নভাবে হাতবদল হয়ে বেদখল হয়েছে। বেদখল হওয়া এ দেবোত্তর সম্পত্তি ফিরে পাওয়ার দাবি করছি।

নলডাঙ্গা পূজা উদ্‌যাপন কমিটির সভাপতি অ্যাড. উদয় ভট্টাচার্য বলেন, মাধনগরে মদনমোহন মন্দিরে জগন্নাথ দেবের দেড়শ বছরের পুরানো পিতলের রথযাত্রা উদযাপিত হয়েছে। কিন্তু রথের প্রায় শতাধিক বিঘা দেবোত্তর জমি থাকলেও সে জমিগুলো বিক্রি হয়ে বিভিন্নভাবে হাতবদল হয়ে বেদখল হয়েছে। বেদখল হওয়া এ দেবোত্তর সম্পত্তি ফিরে পেতে সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বগুড়ায় ৯ নেতাকে সুখবর দিল বিএনপি

সন্তানের পাপের কারণে মা-বাবার শাস্তি হবে কি না, যা বলছেন আলেমরা

পা দিয়ে জায়নামাজ সোজা করলে কি গোনাহ হয়?

আইপিএল সম্প্রচার বন্ধের সিদ্ধান্তে ইশরাকের সাধুবাদ

সুন্দরবনে উদ্ধার বাঘের অবস্থা আশংকাজনক

শীর্ষ সন্ত্রাসী রাসেল অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার

কুয়েত থেকে ৪০ হাজার প্রবাসী বিতাড়িত

নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠা রিটার্নিং কর্মকর্তাদের অব্যাহতির দাবি

মাইলস্টোনে বিমান ট্র্যাডেজি / নিহত ও আহত পরিবার পাচ্ছে ১০ কোটি টাকার সরকারি অনুদান

শীতে ছিন্নমূল মানুষের পাশে ‘স্বপ্ন’

১০

কক্সবাজারে অস্ত্র তৈরির কারখানার সন্ধান

১১

১৪ জানুয়ারি থেকে কর্মবিরতিতে যাচ্ছে হোটেল-রেস্তোরাঁ কর্মীরা

১২

ইয়াবাকাণ্ডে ৮ পুলিশ বরখাস্ত

১৩

ইরানজুড়ে বিক্ষোভ নিয়ে কঠোর হুঁশিয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের

১৪

তারেক রহমানকে সমবেদনা জানালেন জোনায়েদ সাকি

১৫

পুলিশের ঊর্ধ্বতন ১৪ কর্মকর্তার বদলি

১৬

দেশের ও গণতন্ত্রের স্বার্থই ছিল খালেদা জিয়ার কাছে সর্বাগ্রে : মঈন খান

১৭

কেরানীগঞ্জে কারখানায় বিস্ফোরণ, নিহত ১

১৮

‘শুধু বাংলাদেশ নয় সারা পৃথিবীই তারেক রহমানের দিকে তাকিয়ে আছে’

১৯

মাদুরোকে রক্ষায় দুই ডজনের বেশি সেনা হারাল এক দেশ

২০
X