পঞ্চগড় প্রতিনিধি
প্রকাশ : ২৩ জুলাই ২০২৫, ১২:২৪ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

শ্রাবণে কুয়াশায় ছেয়ে গেছে পঞ্চগড়!

কুয়াশায় ছেয়ে গেছে পঞ্চগড়ের বিভিন্ন এলাকা। ছবি : সংগৃহীত
কুয়াশায় ছেয়ে গেছে পঞ্চগড়ের বিভিন্ন এলাকা। ছবি : সংগৃহীত

উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ে বর্ষার মৌসুমে দেখা মিলেছে ঘন কুয়াশার। বুধবার (২৩ জুলাই) ভোরে জেলার বিভিন্ন স্থানে ঘন কুয়াশার দেখা মিলেছে। সকাল ৯টায় জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করে তেঁতুলিয়া আবহাওয়া অধিদপ্তর।

এর আগে, সকাল ৬টায় একই তাপমাত্রায় রেকর্ড করা হয়। দিনের বেলায় ৩২ থেকে ৩৫ ডিগ্রি এবং রাতের বেলায় ২৫ থেকে ২৭ ডিগ্রিতে ওঠানামা করছে জেলার তাপমাত্রা।

পঞ্চগড় সদর উপজেলার বাসিন্দা সহিদ আলী বলেন, গত ৪০-৫০ বছরেও এমন দিনে কুয়াশার দেখা মেলেনি। ভোর থেকে ঘন কুয়াশায় ঢাকা পড়ে পথঘাট। গত রাত থেকে জেলার সড়ক মহাসড়কগুলোতে হালকা পরিমাণে কুয়াশা পড়তে শুরু করে। রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কুয়াশার পরিমাণও বাড়তে থাকে। ভোরবেলা বৃষ্টির মতো ঝরতে থাকে কুয়াশা।

তিনি আরও বলেন, ভোরবেলা যখন ঘুম থেকে উঠি চারিদিকে খুব ঘন কুয়াশা দেখতে পাই। অন্যান্য সময়ে বর্ষাকালে এমন দৃশ্য দেখা যেত না। তবে আমরা পূর্বপুরুষদের কাছে শুনেছি বর্ষাকালে কুয়াশা দেখা গেলে নাকি বৃষ্টির সম্ভাবনা কমে যায়। গত কিছুদিন ধরে বৃষ্টির অভাবে ভালোভাবে রোপা আমন লাগাতে পারছি না। বৃষ্টির খুবই প্রয়োজন।

জেলা শহরের ইজিবাইক চালক শাহিন ইসলাম বলেন, প্রতিদিনের মতো সকালে বাড়ি থেকে বের হয়ে দেখি চারদিক কুয়াশায় ঢেকে গেছে। গাড়িগুলো হেডলাইট জ্বালিয়ে চলছে অথচ ভ্যাপসা গরমও রয়েছে। বর্ষাকালে এমন কুয়াশা আগে চোখে পড়েনি।

তেঁতুলিয়া প্রথম শ্রেণি আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের সিনিয়র পর্যবেক্ষক রোকনুজ্জামান বলেন, রাতের তাপমাত্রা কমে গেছে এবং বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বেড়ে গেছে। সেইসঙ্গে জলীয় বাষ্প ঘনীভূত হয়ে ক্ষুদ্র জলকণা কুয়াশা হিসেবে দেখা দিয়েছে। রাতের সঙ্গে দিনের তাপমাত্রা ৭-৮ ডিগ্রি পার্থক্য ছিল।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বড় ভাইকে বাঁচাতে গিয়ে প্রাণ গেল ছোট ভাইয়ের

জাবিতে নতুন দুই উপ-উপাচার্যের যোগদান

হামে শিশু মৃত্যু / ড. ইউনূসসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন

বিশ্ব খাদ্য নিরাপত্তা দিবস পালন করল বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব হেলথ সায়েন্সেস

হোটেলে সাবেক ইউপি সদস্যের মরদেহ, সেই নারী পুলিশ হেফাজতে

আরেক দফায় ইসরায়েলে ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ল ইরান

যে কারণে রোগী প্রতিদিন হাসে, কিন্তু আনন্দ পায় না

ডলারকে আমি চিনি : রামিসার বাবা

ফ্রান্সকে হারিয়ে বিশ্বকাপ জিতবে মরক্কো: মামদানি

মালদ্বীপ-বাংলাদেশ ম্যাচে উত্তেজনা, শেষ মুহূর্তে সংঘর্ষ ১-১ গোলে ড্র

১০

বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিসিবির পরিচালক হলেন সিসিক প্রশাসক

১১

নেতানিয়াহুকে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তি অবশ্যই মেনে নিতে হবে : ট্রাম্প

১২

দিনাজপুরে জমে উঠেছে লিচুর বাজার

১৩

শয়তানের মূল ঘাঁটি তেহরানে : মার্কিন রাষ্ট্রদূত

১৪

ভুয়া কমিটি নিয়ে বিএনপির মিডিয়া সেলের সতর্কবার্তা

১৫

৪,৬৯০ অবৈধ প্রবাসীকে নিজ দেশে ফেরত পাঠাল সৌদি, গ্রেপ্তার আরও ৭ হাজার

১৬

ইসরায়েলের হামলার পর এবার বড় সিদ্ধান্ত নিলো ইরান

১৭

সৌদি আরব / প্রিন্স সুলতান বিমানঘাঁটি এলাকায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলার সতর্কতা

১৮

বিদ্যালয়ে ঢুকতে বাধা, গেটের সামনেই প্রধান শিক্ষককে মারধর

১৯

গভীর রাতে ফেলে যাওয়া কাফনের কাপড়ে আরবি হরফ ঘিরে রহস্য

২০
X