ব্রাহ্মণপাড়া (কুমিল্লা) প্রতিনিধি
প্রকাশ : ০১ জানুয়ারি ২০২৬, ১০:১৮ এএম
অনলাইন সংস্করণ

ফের সূর্যের দেখা নেই, ব্যাহত স্বাভাবিক জনজীবন

কুয়াশাজড়ানো ব্রাহ্মণপাড়ার একটি এলাকা। ছবি : কালবেলা
কুয়াশাজড়ানো ব্রাহ্মণপাড়ার একটি এলাকা। ছবি : কালবেলা

কয়েকদিনের লুকোচুরির পর গতকাল বুধবার কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ায় সূর্যের দেখা মিলেছিল। এতে জনজীবনে কিছুটা স্বস্তি ফিরলেও আজ বৃহস্পতিবার আবারও আকাশে সূর্যের দেখা মেলেনি। ঘন কুয়াশা ও হিমেল বাতাসে ফের শীতের প্রকোপ বাড়ায় স্বাভাবিক জীবনযাপন ব্যাহত হয়ে পড়েছে।

বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) সকালে উপজেলার কিছু এলাকা ঘুরে এমন দৃশ্য দেখা গেছে।

এদিন সকাল থেকেই দেখা যায়, ঘন কুয়াশায় ঢাকা পড়ে গেছে চারদিক। ঘন কুয়াশায় দৃষ্টিসীমা কমে যাওয়ায় সড়কেও যান চলাচল ধীরগতির হয়ে পড়েছে। সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন শিশু, বয়স্ক মানুষ, রোগী ও খেটে খাওয়া মানুষজন। শীতের তীব্রতায় অনেকেই কাজে বের হতে পারছেন না। এতে দৈনন্দিন আয়ে প্রভাব পড়ছে শ্রমজীবী মানুষের। বাজারগুলোতেও উল্লেখযোগ্যহারে ক্রেতা-বিক্রেতার উপস্থিতি দেখা যায়নি।

স্থানীয় বাসিন্দা মুখলেসুর রহমান বলেন, কয়েকদিনের শীত-তাণ্ডব শেষে গতকাল সূর্য উঠেছিল। মানুষের মধ্যে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছিল। তবে আজকে আবারও সূর্যের দেখা নেই। হালকা ঠান্ডা বাতাসে তীব্র শীত জেঁকে বসেছে।

নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী আরিশা আফরিন লাইজু বলেন, গত কিছুদিন ধরে তীব্র শীতের কারণে পড়াশোনাও ব্যাহত হয়েছে। গতকাল সূর্যের দেখা পেয়ে ভেবেছিলাম শীতের তীব্রতা অনেকটা হয়ত কমে আসবে, কিন্তু আজ সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখি আবারও সূর্য লুকিয়ে গেছে। সকাল থেকেই কনকনে শীত বইছে।

স্থানীয় বাসিন্দা মাজহারুল ইসলাম বলেন, গত কিছুদিন আগে থেকে পড়া তীব্র শীতে স্বাভাবিক জীবনযাপন বাধাগ্রস্ত হয়ে পড়েছে। মানুষের সঙ্গে সঙ্গে পশু পাখিরাও অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে। তীব্র শীতে শিশুদের অসুস্থতা বৃদ্ধি পাচ্ছে।

সহকারী শিক্ষক মো. আমির হোসেন বলেন, গতকাল যেভাবে সূর্য উঠেছিল মনে হয়েছিল শীতের তীব্রতা হ্রাস পাবে। কিন্তু আজকে ভোর থেকে ঘন কুয়াশা আর উত্তরের হিমেল বাতাসে শীতের তীব্রতা আরও বেড়েছে। মানুষ শীতে কষ্ট পাচ্ছে। বিশেষ করে শিশু ও বয়স্করা বেশি কষ্ট পাচ্ছে।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

কমলো জেট ফুয়েলের দাম

রাজধানীতে ব্যবসায়ীকে গুলি করে ছিনতাই

নোয়াখালীতে আ.লীগ-ছাত্রদল সংঘর্ষ

ছাঁটাই শ্রমিকদের পুনর্বহালের দাবি ইসলামী শ্রমিক আন্দোলনের

স্ত্রীকে ভিডিও কলে রেখে স্বামীর আত্মহত্যা

সংসদে তোফায়েল আহমেদসহ সাবেক ১৬ এমপি-মন্ত্রীর মৃত্যুতে শোক প্রস্তাব

সিগারেট খেতে বাঁধা দেওয়ায় খুন

ইউরোপজুড়ে জিপিএস সংকেত বিঘ্নিত করছে রুশ স্যাটেলাইট

আইনমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে প্রধানমন্ত্রীর ধন্যবাদ

শিক্ষামন্ত্রী পদত্যাগ না করা পর্যন্ত ককরোচ পার্টির আন্দোলন চলবে

১০

জাতীয় সংসদে পাঁচ সদস্যের সভাপতিমণ্ডলী ঘোষণা

১১

ইরানের জব্দকৃত সম্পদ নিয়ে নতুন পরিকল্পনা সাজাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

১২

১০ বছরের শিশুকে ‘ধর্ষণ’, অভিযুক্তকে গণপিটুনির পর পুলিশে সোপর্দ

১৩

৪ বার সঠিক পূর্বাভাস দেওয়া প্রতিষ্ঠান জানাল ২০২৬ বিশ্বকাপের চ্যাম্পিয়ন কে

১৪

আদ্-দ্বীনে ৬ নবজাতকের মৃত্যু / মারা যাওয়া প্রত্যেক শিশুর পরিবার পাবে ৮০ লাখ টাকা : শিশির মনির

১৫

শাকিব বুবলীর দ্বিতীয় সন্তানের আগমন ঘটল কোথায়?

১৬

লাঠিসোঁটা নিয়ে বিএসএফকে ধাওয়া দিল এলাকাবাসী

১৭

এমপিওর দাবিতে অবস্থানরত শিক্ষকদের পানি-স্যালাইন দিলো ছাত্র জমিয়ত

১৮

দুই মাদক কারবারীকে ইট দিয়ে বেধড়ক মারপিট, ভিডিও ভাইরাল

১৯

২৪ বিলিয়ন ডলারের জন্যই থমকে আছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনা

২০
X