শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬, ২৬ আষাঢ় ১৪৩৩
চট্টগ্রাম ব্যুরো
প্রকাশ : ০৬ অক্টোবর ২০২৩, ০৪:৫২ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত করার প্রক্রিয়া বিদেশিরাও সমর্থন করে না : তথ্যমন্ত্রী

চট্টগ্রামে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাব দিচ্ছেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। ছবি : কালবেলা
চট্টগ্রামে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাব দিচ্ছেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। ছবি : কালবেলা

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, বিএনপি নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত করে দেশের গণতন্ত্রকে বাধাগ্রস্ত করার পথে হাঁটছে, সেটি এই দেশের মানুষ হতে দিবে না।

তিনি বলেন, ‘যথাসময়ে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে এবং কেউ নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত করার অপচেষ্টা চালালে দেশের মানুষ যেমন প্রতিহত করবে, একইভাবে নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত করার প্রক্রিয়া কখনো বিদেশিরাও সমর্থন করে না।’

শুক্রবার (৬ অক্টোবর) দুপুরে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে দোয়া মাহফিল ও শোকসভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তথ্যমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘বিএনপি মহাসচিব বলেছেন জননেত্রী শেখ হাসিনার অধীনে কোনো নির্বাচনে তারা অংশগ্রহণ করবে না, এতেই প্রমাণিত হয় তারা নির্বাচনকে ভয় পাচ্ছে। কারণ তাদের কর্মসূচি ও সমাবেশগুলোতে মানুষ হচ্ছে না। ফলে তারা বুঝতে পেরেছে নির্বাচনে জয়লাভের সম্ভাবনা নাই, তাই নির্বাচনকে ভয় পাচ্ছে। এজন্য নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত করার পথে তারা হাঁটছে।’

ড. হাছান মাহমুদ বলেন, এ রকম আল্টিমেটাম তো বিএনপি গত ১৩-১৪ বছরে বহুবার দিয়েছে। গত ডিসেম্বরেও তাদের আল্টিমেটাম ছিল, তারপর খালেদা জিয়াকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে বিদেশ পাঠানোর আল্টিমেটামও ছিল। এখন ১৮ তারিখ আবার আল্টিমেটাম দিয়েছে। এই বছরের ১৮ তারিখ নাকি আগামী বছরের ১৮ তারিখ, নাকি তারও পরের বছরের ১৮ তারিখ সেটিও অনেকে প্রশ্ন রেখেছে। বিএনপির আল্টিমেটাম ফাঁকা বুলি ছাড়া অন্য কোনো কিছু নয়।

তিনি বলেন, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাহেব চট্টগ্রামে দলীয় কার্যালয়ের সামনে রোডমার্চ শেষে যে বক্তব্য রেখেছেন, সেখানে যে সংখ্যক মানুষ হয়েছে, চট্টগ্রামের লালদিঘির পাড়ে অনেক সময় যখন পাগল নাচে তখনও এর কাছাকাছি মানুষ হয়। সুতরাং তাদের কর্মসূচিতে লোক সমাগম সেভাবে হয়নি এবং তারা প্রচণ্ড হতাশাগ্রস্ত হয়ে পড়েছে। আশা করেছিল, বিদেশিরা তাদের কোলে করে ক্ষমতায় বসিয়ে দেবে, সেই আশাও বুমেরাং হয়েছে।

সাংবাদিকদের উদ্দেশে তথ্যমন্ত্রী বলেন, আপনারা দেখেছন প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার সঙ্গে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা উপদেষ্টার বৈঠক হয়েছে। জি-২০ সম্মেলনে কীভাবে বিশ্বনেতাদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক হয়েছে। জো বাইডেনসহ অন্যান্য বিশ্বনেতাদের শুভেচ্ছা বিনিময় হয়েছে, এতে বিএনপি হতাশ হয়ে পড়েছে।

তিনি বলেন, অনেক হাঁকডাক করে বিএনপি একটা রোডমার্চ করেছে, সেখানে আশানুরূপ মানুষ হয় নাই। আমি দেখতে পেলাম গতকাল তারা কুমিল্লা থেকে চট্টগ্রাম আসার পথে প্রচণ্ড যানজট তৈরি করা ছাড়া লোকসমাগম করতে পারেনি।

একুশে পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক নজরুল কবির দীপুর সভাপতিত্বে শোকসভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ও মানববিদ্যা অনুষদের সাবেক ডিন অধ্যাপক ড. মো. সেকান্দর চৌধুরী, রাঙ্গুনিয়া পৌরসভার মেয়র শাহজাহান সিকদার, সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের সদস্য কলিম সরওয়ার প্রমুখ।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বিশ্বকাপ জিতলেই জাতীয় ছুটি ঘোষণা হতে পারে ইংল্যান্ডে

প্রথম ফুটবলার হিসেবে টানা দুই বিশ্বকাপে নতুন ইতিহাস এমবাপ্পের

উজানের ঢল, বৃষ্টি ও ভাঙনে আতঙ্কে হরিজন পল্লী

২২ বছর পর গৌরনদী আসছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ ‘এখনো শেষ হয়নি’: নেতানিয়াহু  

সিলেট সীমান্তে বিএসএফের পুশইন চেষ্টা, ফিরিয়ে দিল বিজিবি

গোড়ালিতে চোট পেলেন এমবাপ্পে, কতটা গুরুতর

বিপৎসীমার ওপরে মেঘনার পানি, প্লাবিত মনপুরার নিম্নাঞ্চল

মনু নদীর প্রতিরক্ষা বাঁধ দিয়ে লোকালয়ে পানি

পাহাড়ি ঢলের পানিতে শেরপুর-নালিতাবাড়ী সড়কের ৩০ মিটার বিধ্বস্ত

১০

বিপৎসীমা ছুঁইছুঁই তিস্তার পানি

১১

জাককানইবির ৭৫ কোটি টাকার বাজেটে কোন খাতে কত বরাদ্দ, জানালেন উপাচার্য

১২

আত্রাই নদীর শহর রক্ষা বাঁধের ওয়াকওয়ে ধস, দুর্ভোগে স্থানীয়রা

১৩

টানা বর্ষণে তলিয়ে গেছে হাতিয়ার নিম্নাঞ্চল, নিরুপায় অর্ধলাখ মানুষ

১৪

৩৬ ঘণ্টার বৃষ্টিতে নাকাল বগুড়া

১৫

গভীর সংকটে ব্রাজিলের ফুটবল, সংস্কারের দাবি পেলেকন্যার

১৬

তিন দিন ডুবন্ত ট্রলার আঁকড়ে মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই / ফিরে এসে আল আমিন বললেন, ‘আমার সহকর্মীরা বেঁচে থাকতে পারে’

১৭

অস্ত্রের মুখে ব্র্যাক কর্মীদের জিম্মি, ব্যাগভর্তি টাকা লুট

১৮

টানা বর্ষণে মনপুরার ১০ গ্রাম প্লাবিত, পানিবন্দি ১৫ হাজার মানুষ

১৯

পটুয়াখালীতে ভারী বর্ষণে ভেসে গেছে কয়েক কোটি টাকার মাছ

২০
X