

বিএনপি প্রতিশ্রুতি দিয়ে উন্নয়ন করে না, বাস্তবে উন্নয়ন কাজ সম্পন্ন করে, এরপর মানুষ তার সুফল ভোগ করে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় সংসদের হুইপ মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু।
শুক্রবার (১২ জুন) বিকেলে শরীয়তপুরের গোসাইরহাট উপজেলার সাইখ্যা গ্রামে জরুরি নদীতীর সংরক্ষণ কাজের শুভ উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু বলেন, মেঘনা ও জয়ন্তী নদীর ভাঙনে দীর্ঘদিন ধরে গোসাইরহাটসহ আশপাশের বিস্তীর্ণ এলাকার মানুষ চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে জীবনযাপন করছিল। প্রতি বর্ষা মৌসুমে বসতভিটা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, রাস্তাঘাট ও ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার শঙ্কায় থাকতে হতো স্থানীয়দের। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে সরকার দায়িত্ব গ্রহণের অল্প সময়ের মধ্যেই ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় জরুরি ভিত্তিতে নদীতীর সংরক্ষণ কার্যক্রম শুরু করেছে।
তিনি বলেন, নদীভাঙন শুধু জমি হারানোর বিষয় নয়, এটি মানুষের স্বপ্ন, জীবিকা ও নিরাপত্তার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। তাই ভাঙনরোধে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। ইতোমধ্যে কাজ শুরু হওয়ায় এলাকার মানুষের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে।
জাতীয় সংসদের হুইপ বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে শরীয়তপুরকে একটি আধুনিক, উন্নত ও পরিকল্পিত জেলা হিসেবে গড়ে তুলতে আমরা কাজ করছি। জেলার অবকাঠামো উন্নয়ন, নদীভাঙন রোধ, যোগাযোগ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন এবং জনসেবামূলক কার্যক্রম বাস্তবায়নে সরকার ধারাবাহিকভাবে পদক্ষেপ গ্রহণ করছে।
তিনি আরও বলেন, সরকারের লক্ষ্য শুধু ঘোষণা দেওয়া নয়, বাস্তবায়নের মাধ্যমে জনগণের জীবনমান উন্নত করা। চলমান নদীতীর সংরক্ষণ কাজ সম্পন্ন হলে এলাকার হাজারো মানুষের বসতভিটা, কৃষিজমি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা নদীভাঙনের ঝুঁকি থেকে রক্ষা পাবে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন শরীয়তপুর জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী খান মোহাম্মদ ওয়ালিউজ্জামান, গোসাইরহাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নুশরাত আরা খানম, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শেখ নওশাদ হাসান, গোসাইরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ বোরহান উদ্দিনসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতা, সরকারি কর্মকর্তা ও এলাকা বাসিন্দারা।