হবিগঞ্জের বানিয়াচং থানা হেফাজতে গোলাম রাব্বানী (২৫) নামে এক আসামির ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। পরিবারের দাবি পিটিয়ে তাকে হত্যা করা হয়েছে অপরদিকে পুলিশের দাবি থানা হাজতে ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে রাব্বানী।
রাতে হাজতের ফ্যানের সঙ্গে পরনের বেল্ট ও গেঞ্জি দিয়ে গলায় বাঁধা অবস্থায় তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৬ ডিসেম্বর) রাতে তার দেহ হাজতের ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওযা যায়। পরে উদ্ধার করে বানিয়াচং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
পুলিশ জানায়, বানিয়াচং উপজেলার নন্দিপাড়া এলাকার মহি উদ্দিনের ছেলে রাব্বানীকে মঙ্গলবার দুপুরে তার বাসার সামনে থেকে বানিয়াচং থানার এসআই মনিরুল ইসলামের নেতৃত্বে একদল পুলিশ চুরির অভিযোগে আটক করে নিয়ে আসে।
এদিকে আজ বুধবার (২৭ ডিসেম্বর) সকালে গোলাম রাব্বানীর মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। নিহতের বড় ভাই মঈন উদ্দিন বলেন, ‘রাব্বানীকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। তার শরীরে একাধিক আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।’
তিনি আরও অভিযোগ করেন, প্রথমে তার ভাইয়ের বুকে ব্যথা বলে খবর দেওয়া হয়। পরে হাসপাতালে এসে দেখতে পান তার ভাইয়ের মৃত্যু হয়েছে।
বানিয়াচং আজমিরীগঞ্জ সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পলাশ রঞ্জন দে জানান, ‘রাব্বানীর বিরুদ্ধে অন্তত ৭টি চুরির মামলা রয়েছে। পুলিশের অগোচরে সে আত্মহত্যা করেছে। তার পরিবারের সদস্য ও একজন ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে সুরতহাল রিপোর্ট করা হয়েছে।’
মন্তব্য করুন