বীরগঞ্জ (দিনাজপুর) প্রতিনিধি
প্রকাশ : ০৯ জুন ২০২৪, ০৩:৪৫ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

ধান শুকাতে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা 

ধান শুকাতে ব্যস্ত কৃষকরা। ছবি : কালবেলা
ধান শুকাতে ব্যস্ত কৃষকরা। ছবি : কালবেলা

দিনাজপুরের বীরগঞ্জে তীব্র তাপদাহ ও বৈরী আবহাওয়া উপেক্ষা করে এ বছর বোরো ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। অধিকাংশ কৃষক তাদের উৎপাদিত ধান ঘরে তুলে মাড়াইয়ের কাজ শেষ করেছেন। বাকি কিছু ধান বিস্তীর্ণ মাঠে যা আছে তা কয়েকদিনের মধ্যেই মাড়াইয়ের কাজ শেষ হবে।

বর্তমানে উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে গ্রামে চলছে ধান সেদ্ধ ও শুকানোর উৎসব। গ্রামের প্রতিটি বাড়িতে নারী-পুরুষসহ সবাই ধান শুকাতে ব্যস্ত সময় পার করছেন।

সরেজমিনে উপজেলার মোহনপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, ধান মাড়াইয়ের পর গ্রামীণ নারী-পুরুষ ছোট ছোট বস্তা করে সেই ধান পুকুর বা বাড়ির নির্দিষ্ট স্থানে গর্ত করে ধান ভেজাতে দিচ্ছেন। সেই ভেজা ধান ৭/৮ ঘণ্টা পানিতে ভেজার পর বড় পাতিলে সেদ্ধ করা হয়। আর এ ধান সিদ্ধ হলে ভ্যানে বা সাইকেলে করে শুকানোর জন্য মাঠে নিয়ে যান তারা।

সিদ্ধ ধান মাঠে দেওয়ার আগে বড় আকারের নেট জাল বিছিয়ে নেওয়া হয়। তারপর সেই কাগজে সেদ্ধ ধান বিছিয়ে দিয়ে শুকানো হয়। ধান শুকাতে সময় লাগে ২/১ দিন। ধান শুকানোর পর সেই ধান ছাঁটাই করে কাঙ্ক্ষিত চাল পাওয়া যায়। যা পরবর্তী আমন ধান আসা পর্যন্ত সেই চালের ভাত খেতে খেয়ে থাকেন গ্রামীণ জনপদের মানুষ।

জানতে চাইলে মোহনপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ পলাশবাড়ী গ্রামের রহিমা বেগম বলেন, আমরা ১ বিঘা ধান মাড়াই করার পর সেই ধান সিদ্ধ দিয়ে মাঠে নিয়ে এসেছি। বাসায় ধান শুকানোর তেমন জাগায় নেই, দিনের অল্প সময়ে ছায়া চলে আসে, আকাশের অবস্থা ভালো না। সিদ্ধ ধান ফাঁকা মাঠে নিয়ে এসেছি। এখানে ধান শুকাতে কমবেশি সারা দিনের রোদ পাওয়া যাবে। কোনো প্রকার ঝামেলা নেই।

কৃষক ফিরোজ আলম বলেন, আগে গ্রামের প্রত্যেক বাড়ির উঠানে ধান মাড়াই ও শুকানোর কাজ করত কিন্তু আজ গ্রামের অধিকাংশ বাড়িতে ফাঁকা জায়গার অভাব। সেই কারণে স্কুল মাঠ কিংবা ফসলি মাঠের ফাঁকা জায়গায় ধান শুকানো হচ্ছে।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

এইচএসসি পাসেই আবুল খায়ের গ্রুপে বড় নিয়োগ

শীত আবার বাড়বে কি না জানাল আবহাওয়াবিদ

দুই জোড়া ভাইকে নিয়ে ইতালির বিশ্বকাপ দল ঘোষণা

আগামী ৫ দিন কেমন থাকবে শীত

নুরুদ্দিন অপুর উপহারের ক্রীড়াসামগ্রী পেয়ে উচ্ছ্বসিত শিক্ষার্থীরা

মেয়ের নাম প্রকাশ করলেন রাজকুমার-পত্রলেখা

‘গণঅভ্যুত্থানে যাদের ভূমিকা নাই, তারাই নানা আকাঙ্ক্ষার কথা বলে’

ট্রাম্পের গাজা প্যানেল নিয়ে ইসরায়েলের আপত্তি

যে গ্রামে দোকান চলে দোকানদার ছাড়াই

গণঅভ্যুত্থানে শহীদ-আহতদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তারেক রহমান 

১০

এ আর রহমানকে ‘ঘৃণ্য মানুষ’ বললেন কঙ্গনা

১১

তিন ইস্যুতে ইসি ঘেরাও ছাত্রদলের

১২

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে জামায়াত আমিরের বৈঠক সন্ধ্যায় 

১৩

শাকসু নির্বাচনের প্রচারে ১২ ঘণ্টা সময় বাড়ল

১৪

ভিন্ন রূপে কেয়া পায়েল

১৫

নানকসহ ২৮ জনের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে ফরমাল চার্জ দাখিল

১৬

সুযোগ এলেই নিজেকে প্রমাণ করতে প্রস্তুত নাহিদ রানা

১৭

খাবার খাওয়ার পর হাঁটা কি শরীরের জন্য ভালো

১৮

করাচিতে শপিংমলে ভয়াবহ আগুন, নিহত ৫

১৯

অবশেষে কোহলিদের স্টেডিয়ামে ফিরছে আইপিএল!

২০
X