কালবেলা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৪ আগস্ট ২০২৩, ০৩:৫৫ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

প্রেমের ফাঁদে ফেলে অর্থ আত্মসাত : পুলিশ কর্মকর্তাসহ আট আসামি কারাগারে

ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

প্রেমের ফাঁদে ফেলে প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ আত্মসাতের মামলায় রিমান্ড শেষে পুলিশের চাকরিচ্যুত এএসআই মাসুম শেখসহ আট আসামিকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (২৪ আগস্ট) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরফাতুল রাকিবের মো. শান্ত ইসলাম মল্লিকের আদালত কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

কারাগারে যাওয়া আসামিরা হলেন- পুলিশের চাকরিচ্যুত এএসআই মাসুম শেখ, চাকরিচ্যুত পুলিশ কনস্টেবল জহিউর রহমান, প্রেমের ফাঁদে ফেলা নারী শাহনাজ, মাসুদুর রহমান মিলন, রিমা আক্তার, আব্দুস সালাম, নাজমুল হাসান ও শওকত আলী।

রিমান্ড শেষে আট আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। এরপর মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও ডিবি পুলিশের উপপরিদর্শক মুন্সী আব্দুল লোকমান তাদের কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

গত ১৭ আগস্ট প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ আত্মসাতের ঘটনায় ভুক্তভোগী রাজধানীর উত্তরা পূর্ব থানায় মামলা করেন। মামলার পর সালাম, নাজমুল, মাসুম ও শওকতকে গ্রেপ্তার করে ডিবি পুলিশ। পরদিন ১৮ আগস্ট আদালত তাদের পাঁচ দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এরপর আসামি শাহনাজ, জহিউর, মিলন ও রিমাকে গ্রেপ্তারের পর গত ২১ আগস্ট তাদের তিনদিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

মামলার এজাহারে বলা হয়, এক বছর আগে বন্ধুর মাধ্যমে আসামি শাহনাজের সঙ্গে ভুক্তভোগী তাজুলের পরিচয় হয়। পরে তাদের হোয়াটসঅ্যাপে কথা হতো। মাঝে মধ্যে শাহনাজ তার বিভিন্ন অসহায়ত্বের কথা বলে টাকা সাহায্য চাইলে তাজুল বিকাশে টাকা পাঠাতেন।

গত ১৫ আগস্ট শাহনাজ তাকে কল করে উত্তরা পূর্ব থানার একুশে হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্টের সামনে যেতে বলেন। সেখানে গিয়ে তাজুল দেখা করেন। একপর্যায়ে শাহনাজ তাকে যাত্রাবাড়ী মাতুয়াইল এলাকায় ঘুরতে নিয়ে যেতে চান। সিএনজি ভাড়া করে মাতুয়াইল শিশু হাসপাতালের সামনে পৌঁছান। এরপর শাহনাজ তাকে তার বাসার দ্বিতীয় তলার ফ্ল্যাটের একটি কক্ষে নিয়ে যান। সেখানে দুজন উপস্থিত হন এবং তারা শাহনাজের বান্ধবী বলে পরিচয় করে দেন।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, অজ্ঞাতপরিচিত ৫-৬ জন পুরুষ লোক তার বসার কক্ষে প্রবেশ করেন এবং তারা নিজেদের ডিবি পুলিশের লোক বলে পরিচয় দেন। তাদের মধ্যে কয়েকজন হঠাৎ ভুক্তভোগীকে মারধর শুরু করেন। তার কাপড় খুলে ফেলা হয়। এরপর তাদের মধ্যে কেউ একজন তাকে উলঙ্গ অবস্থায় মহিলাদের পাশে দাঁড় করে ক্যামেরায় ভিডিও ধারণ করেন।

পরে তার কাছে ২০ লাখ টাকা দাবি করেন। তার কাছে থাকা ৬ হাজার টাকা, ব্র্যাক ব্যাংকের ডেবিট কার্ড এবং ক্রেডিট কার্ড জোরপূর্বক হাতিয়ে নেন। ভুক্তভোগী প্রাণনাশের ভয়ে তাদের দুটি কার্ডের পিন কোড দিয়ে দেন।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

রাজধানীতে আজ কোথায় কী

অজানা ভাইরাসে মরছে গাজার মানুষ

বাসচাপায় প্রাণ গেল শ্যালক-দুলাভাইয়ের, বাসে আগুন দিল বিক্ষুব্ধরা

শুক্রবার রাজধানীর যেসব এলাকার মার্কেট বন্ধ

২৩ জানুয়ারি : আজকের নামাজের সময়সূচি

১৬ ঘণ্টায় সাত জেলায় সমাবেশ, ভোরে ঢাকায় ফিরলেন তারেক রহমান

সাত মাস পর কারামুক্তি, ৫ মিনিট পর ফের গ্রেপ্তার

এবারও ভোট নিয়ে ষড়যন্ত্র হচ্ছে : তারেক রহমান

জবি সিন্ডিকেটের সদস্য হলেন অধ্যাপক ড. মঞ্জুর মুর্শেদ

বিদ্যার দেবী সরস্বতী পূজা আজ

১০

রাজউক অধ্যাদেশ জারি, বোর্ড সদস্য হবেন ৭ জন

১১

নির্বাচনের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় ব্যালট বাক্স ছিনতাই সম্ভব নয় : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

১২

সিজিএসের সংলাপ / ‘মিন্টো রোডে সচিবদের ফ্ল্যাট বিলাসবহুল হোটেলকেও ছাড়িয়ে গেছে’

১৩

ঢাবিতে ধানের শীষের পক্ষে ছাত্রদল নেতার শুভেচ্ছা মিছিল 

১৪

জবি শিক্ষার্থীদের বিশেষ বৃত্তির তালিকা প্রকাশ

১৫

এক্সপ্রেসওয়েতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বাসে টোল দিতে হবে না ঢাবি শিক্ষার্থীদের

১৬

ভাসানীর কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় গণভোটকে ‘হ্যাঁ’ বলুন

১৭

জামায়াত প্রার্থীর নির্বাচনী সমাবেশে অস্ত্রসহ আটক ২

১৮

ম্যানইউকে বিদায় বলছেন ক্যাসেমিরো

১৯

একটি দল প্রবাসীদের ব্যালট পেপার দখল করে নিয়েছে : তারেক রহমান

২০
X