কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৩, ০৫:০৪ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

আদিলুরের রায়, আদালতে যুক্তরাষ্ট্রসহ কয়েকটি দেশের পর্যবেক্ষক

আদালতে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, যুক্তরাজ্য ও অস্ট্রেলিয়াসহ বেশ কয়েকটি দেশের পর্যবেক্ষক। ছবি : সংগৃহীত
আদালতে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, যুক্তরাজ্য ও অস্ট্রেলিয়াসহ বেশ কয়েকটি দেশের পর্যবেক্ষক। ছবি : সংগৃহীত

হেফাজতে ইসলামের নেতাকর্মীদের সরিয়ে দেওয়ার অভিযানে মৃত্যুর সংখ্যা নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানোর অভিযোগের মামলায় মানবাধিকার সংগঠন অধিকারের সম্পাদক আদিলুর রহমান খান শুভ্র ও সংগঠনটির পরিচালক এ এস এম নাসির উদ্দিন এলানের দুই বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। এদিকে মামলার রায় চলাকালে আদালতে বিদেশি পর্যবেক্ষকদের উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে।

বৃহস্পতিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) ঢাকার সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ এম জুলফিকার হায়াত এ রায় ঘোষণা করেন।

মামলার রায় পড়ার সময় আদালতে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, যুক্তরাজ্য ও অস্ট্রেলিয়াসহ বেশ কয়েকটি দেশের পর্যবেক্ষকরা উপস্থিত ছিলেন।

রায়ের পর বিদেশি পর্যবেক্ষকদের মতামত জানতে চাইলে তারা বলেন, আমরা রায় পর্যবেক্ষণ করতে এসেছি। সাংবাদিকরা বিভিন্ন প্রশ্ন করলেও কোনো উত্তর না দিয়ে তারা বলেন, আমরা শুধু পর্যবেক্ষক হিসেবে আদালতে এসেছি।

এর আগে মামলার গত ২৪ আগস্ট যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে ৭ সেপ্টেম্বর রায়ের দিন ধার্য করেন। কিন্তু রায় প্রস্তুত না হওয়ায় রায় পিছিয়ে ১৪ সেপ্টেম্বর দিন ধার্য করেন ট্রাইব্যুনাল।

২০১৩ সালে ৫ মে মতিঝিলের শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলাম সমাবেশ করে। পরে সমাবেশস্থলে রাত্রিযাপনের ঘোষণা দেয় সংগঠনের নেতারা। তাদের সেখান থেকে সরিয়ে দিতে যৌথ অভিযান চালায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। ওই অভিযানে ৬১ জন নিহত হয় বলে দাবি করেছিল অধিকার। তবে সরকারের ভাষ্য সেই রাতের অভিযানে কেউ মারা যায়নি। শাপলা চত্বরে অভিযানের পর ২০১৩ সালের ১০ আগস্ট গুলশান থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছিলেন ডিবির তৎকালীন উপপরিদর্শক (এসআই) আশরাফুল ইসলাম। তদন্ত শেষে ওই বছরের ৪ সেপ্টেম্বর ঢাকার আদালতে আদিলুর ও এলানের বিরুদ্ধে চার্জশিট জমা দেওয়া হয়। এতে ৩২ জনকে সাক্ষী করা হয়। ওই বছরের ১১ সেপ্টেম্বর মামলাটি বিচারের জন্য অভিযোগ আমলে নেন ঢাকার সাইবার ট্রাইব্যুনাল। এরপর ২০১৪ সালে দুই আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত।

মামলার অভিযোগপত্রে বলা হয়, আসামি আদিলুর ও এলান ৬১ জনের মৃত্যুর ‘বানোয়াট, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও মিথ্যা’ তথ্য দিয়ে প্রতিবেদন তৈরি ও প্রচার করে জনমনে ক্ষোভের সৃষ্টি করে আইনশৃঙ্খলা বিঘ্নের অপচেষ্টা চালায়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, সরকার ও রাষ্ট্রের ভাবমূর্তি দেশে-বিদেশে চরমভাবে ক্ষুণ্ন করে। পাশাপাশি তারা ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের মনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিরুদ্ধে বিরূপ মনোভাবের সৃষ্টি করে, যা তথ্যপ্রযুক্তি আইনের ৫৭ (১) ও (২) ধারায় অপরাধ। একইভাবে ওই আসামিরা উদ্দেশ্যমূলকভাবে ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটানোর টেষ্টা চালায় এবং সরকারকে অন্য রাষ্ট্রের কাছে হেয়প্রতিপন্ন করার চেষ্টা চালায়, যা ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০৫ সি ও ডি এবং ৫০৫ এ ধারায় অপরাধ।

আদিলুর রহমান খান পেশায় সর্বোচ্চ আদালতের আপিলেট ডিভিশনের আইনজীবী হিসেবে কর্মরত আছেন। ছাত্রজীবন থেকে তিনি বামপন্থি রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন। আর পরিচালক নাসির উদ্দীন এলান অধিকারের পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালনের আগে সাংবাদিকতা পেশায় জড়িত ছিলেন।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

রাজনীতিকে দুর্বৃত্তের হাত থেকে মুক্ত করতে হবে: হাসনাত 

প্যারোলে মুক্তি পেয়ে মায়ের জানাজায় ‘দুর্ধর্ষ’ ডাকাত

হরমুজ প্রণালি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন দাবি

দুপুরের মধ্যে যেসব জেলায় ৬০ কিমি বেগে ঝড়

সড়কে ঝরল শিক্ষকের প্রাণ

১১ জুলাই / ইতিহাসের এই দিনে

ইরানসংশ্লিষ্ট ১৪ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ওপর নতুন মার্কিন নিষেধাজ্ঞা

রাস্তা পার হতে গিয়ে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় বৃদ্ধ নিহত

১১ জুলাই / আজকের নামাজের সময়সূচি

ছোট ভাইয়ের ছুরিকাঘাতে বড় ভাইয়ের মৃত্যু

১০

শনিবার রাজধানীর যেসব এলাকায় মার্কেট বন্ধ

১১

মাছ ধরতে গিয়ে নিখোঁজ স্কুলছাত্রের মরদেহ উদ্ধার

১২

ফ্রান্স যদি কাউকে ভয় পায়, তাহলে সেটা স্পেন: ইয়ামাল

১৩

ফাইনালের আগে ‘ফাইনাল’ / সেমিফাইনালে ফ্রান্স-স্পেনের খেলা কবে ও কোথায়?

১৪

ফুটবল বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে হারেনি যে দুই দল

১৫

আর্জেন্টিনার বিপক্ষে মাঠে নামার আগে বড় ধাক্কা খেল সুইজারল্যান্ড

১৬

সিলেট জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি গোপিকা শ্যাম, সেক্রেটারি দীপক দাস 

১৭

প্রধানমন্ত্রী / তরুণদের সম্ভাবনাকে অগ্রগতির চালিকাশক্তিতে পরিণত করা অন্যতম লক্ষ্য

১৮

২১তম বিসিএস প্রশাসনের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে সম্মিলন

১৯

‘ভালো চর্বি শরীরের শত্রু নয়, অতিপ্রক্রিয়াজাত খাবারই বড় ঝুঁকি’

২০
X