জবি প্রতিনিধি
প্রকাশ : ২৯ জুলাই ২০২৩, ০৩:২৩ এএম
আপডেট : ২৯ জুলাই ২০২৩, ০৩:২৭ এএম
অনলাইন সংস্করণ

শান্তি সমাবেশ থেকে ফিরে কবি নজরুল কলেজ ছাত্রলীগের ২ গ্রুপের সংঘর্ষ, আহত ১৫

পুরনো ছবি
পুরনো ছবি

আওয়ামী লীগের শান্তি সমাবেশ থেকে ফিরে রাজধানীর কবি নজরুল সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। এতে দুই পক্ষের অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছে।

শুক্রবার (২৮শে জুলাই) সন্ধ্যায় এ ঘটনা ঘটে।

আরও পড়ুন: গুলিস্তানে আ. লীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে নিহত ১

সংঘর্ষে ছাত্র সংসদের ভেতরে অবস্থিত বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রী উভয়ের ছবি ভাঙচুর করা হয়। পরবর্তীতে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে।

জানা যায়, আওয়ামী লীগের শান্তি সমাবেশে যাওয়ার পথে কবি নজরুল কলেজ ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের অনুসারীদের মাঝে নেতৃত্বকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মাঝে বাকবিতণ্ডা সৃষ্টি হয়। পরবর্তীতে কলেজ প্রাঙ্গণে যাওয়ার পর একই বিষয়কে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের সৃষ্টি হয়।

এ হামলায় দুই গ্রুপের অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছে। এ সময় ভারপ্রাপ্ত সভাপতি পক্ষের আবদুর রহমান, মিঠু, সানবির মাহমুদ ফয়সাল, মোঃ রাকিব ও বাপ্পী আহত হয়েছেন। অপরদিকে সাধারণ সম্পাদক পক্ষের রবিন, ইমন, সুহাস ,শাহেদ, আশিক, মাছুম, সাকলাইন ও আনোয়ার আহত হয়েছেন।

বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রীর ছবি ভাঙচুরের বিষয়ে প্রত্যক্ষদর্শী কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সাবেক গণ যোগাযোগ বিষয়ক উপ সম্পাদক ও ভারপ্রাপ্ত সভাপতির অনুসারী সানভির মাহমুদ ফয়সাল বলেন, শান্তি সমাবেশে দুই পক্ষের মধ্যে কথাকাটাকাটি হয়। ক্যাম্পাসে এসে দুই পক্ষের মাঝে আবার বাকবিতণ্ডা হয়। পরবর্তীতে শাহেদ, আনোয়ার, সাকলাইন, মাছুম, আশিক, আশরাফ এদের নেতৃত্বে ৩০/৩৫ জন আমাদের উপর হামলা করে। হামলার এক পর্যায়ে তারা সংসদে থাকা বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রীর ছবি ভাঙচুর করে।

অপরদিকে আরেক প্রত্যক্ষদর্শী কবি নজরুল কলেজ ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাধারণ সম্পাদকের অনুসারী রাফি উজ সাকলাইন বলেন, আমি বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করেছি। কিন্তু সাগরের অনুসারীরা উল্টো নিজেরাই নিজেদের কার্যালয়ে হামলা চালিয়েছে। সাগর নিজেই বহিরাগত। ওর নেতৃত্বে কেরানীগঞ্জ থেকে বহিরাগতরা এসে আমাদের ওপর হামলা চালিয়েছে। আমার ওপরেও হামলা হয়েছে। সানবির, হৃদয় মিয়া, আব্দুর রহমান, রাকিব, সুমন, পলাশ, মারুফ এরা সহ আরো ৩০/৪০ বহিরাগত আমাদের ওপর হামলা চালিয়েছে। আমরা ছিলাম মাত্র ৮/১০। ওরা আমাদের লোকদের মেরে রক্তাক্ত করেছে। সাবেক সহ-সভাপতি ইমরান হোসেন বাবু লুঙ্গি পরে কোমরে পিস্তল নিয়ে ক্যাম্পাসে আমাদের হুমকি দিতে এসেছিল।

হামলার বিষয়ে কবি নজরুল কলেজ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ফারুক হাওলাদার বলেন, ঝামেলার সময় আমি ক্যাম্পাসে ছিলাম না। বিষয়টি একেবারেই অনাকাঙ্ক্ষিত। সমাবেশের সময় যে ঘটনা ঘটেছে তা সেখানেই মিমাংসা করা হয়েছে। আবার ক্যাম্পাসে এসে যে বা যারাই সংঘর্ষ ও ভাংচুরের সঙ্গে জড়িত ছিল আমরা সিসি টিভির ফুটেজ দেখে তাদের নাম কেন্দ্রে পাঠাবো। ছাত্রলীগের অভিভাবক সাদ্দাম ভাই এবং ইনান ভাই তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নিবেন।

কবি নজরুল কলেজ ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি বেলায়েত হোসেন সাগর বলেন, ঘটনার সময় আমি ক্যাম্পাসে ছিলাম না। পরবর্তীতে এসে জানতে পেরেছি। বিষয়টি মীমাংসা করা হয়েছে। তবে যারা বঙ্গবন্ধুর ছবি ভাঙচুর করেছে তারা কখনো ছাত্রলীগের কর্মী হতে পারে না। তারা পিঠ বাঁচানোর জন্য ছাত্রলীগ করছে এবং সুযোগ বুঝে সংগঠনের ভিতরে ঝামেলা সৃষ্টি করছে। যে বা যারাই বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রীর ছবি ভাঙচুরের ঘটনার সঙ্গে জড়িত আছে তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিকভাবে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

দুর্নীতিবাজকে ভোট  দিয়ে সুশাসনের স্বপ্ন দেখাই আত্মপ্রবঞ্চনা

খেলা দেখতে যাওয়ার পথে দুর্ঘটনায় ৭ ফুটবল সমর্থকের মৃত্যু

শীত আসছে কি না, জানাল আবহাওয়া অফিস

বিএনপি-জামায়াতের তুমুল সংঘর্ষ

ধর্মেন্দ্র পাচ্ছেন মরণোত্তর পদ্মবিভূষণ

হজের কার্যক্রম নিয়ে নতুন তথ্য জানালেন ধর্ম উপদেষ্টা

বিএনপির নির্বাচনী অফিস ভাঙচুর

বিএনপির দুপক্ষের তুমুল সংঘর্ষ

একই দলের প্রার্থী হয়ে লড়ছেন মামা-ভাগনে

নির্বাচিত হয়ে সরকারে গেলে সবার আগে শান্তি ফেরাব : মির্জা ফখরুল

১০

বিশ্বকাপ নিশ্চিত করল বাংলাদেশ

১১

নির্বাচনে বিএনপিকে দুটি চ্যালেঞ্জ নিতে হচ্ছে : রবিউল আলম

১২

স্বামী জামায়াত আমিরের জন্য ভোট চাইলেন ডা. আমেনা বেগম

১৩

মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রীর বিমান দুর্ঘটনা নিয়ে নতুন তথ্য

১৪

নাগরিক সমস্যার সমাধানে প্রতিশ্রুতি ইশরাকের

১৫

প্রাণ গেল ২ এসএসসি পরীক্ষার্থীর

১৬

আরও ১১ নেতাকে দুঃসংবাদ দিল বিএনপি

১৭

সুখবর পেলেন মোস্তাফিজুর রহমান

১৮

স্থায়ী পুনর্বাসন ও সম্প্রীতির সমাজ গড়ার প্রতিশ্রুতি আমিনুল হকের

১৯

রবিনের ধানের শীষেই আস্থা সাধারণ ভোটারদের 

২০
X