জবি প্রতিনিধি
প্রকাশ : ১৬ মে ২০২৫, ১১:৫০ এএম
আপডেট : ১৬ মে ২০২৫, ১২:৩৬ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

তৃতীয় দিনের মতো আন্দোলনে জবি শিক্ষার্থীরা

কাকরাইল মসজিদ মোড়ে অবস্থান জবি শিক্ষার্থীদের। ছবি : কালবেলা
কাকরাইল মসজিদ মোড়ে অবস্থান জবি শিক্ষার্থীদের। ছবি : কালবেলা

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা টানা তৃতীয় দিনের মতো আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে। সবকিছু উপেক্ষা করে কাকরাইল মসজিদ মোড়ে জড়ো হয়ে টানা দাবি আদায়ের চেষ্টা করছেন। তবে এখনো সরকার থেকে কোনো আশানুরূপ বার্তা পাননি বলে জানিয়েছেন আন্দোলনকারীরা ।

শুক্রবার (১৬ মে) সকাল ১০টার দিকে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা কাকরাইল মসজিদ মোড়ে অবস্থান নিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে তাদের দাবি আদায়ের চেষ্টা করছেন।

শিক্ষার্থীরা বলছেন, আমরা দিনের পর দিন আন্দোলন করে যাচ্ছি। আমাদের দাবি মেনে নিতে হবে। হল, আবাসন আমাদের অধিকার। আমাদের দাবি যৌক্তিক দাবি।

শিক্ষার্থী আবু তালহা বলেন, জুমার পর থেকে গণঅনশনে বসব আমরা। আমাদের দাবি না মানার সুযোগ নেই।

গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থী রাকিব বলেন, এখন পর্যন্ত প্রশাসন থেকে কোনো বার্তা আসেনি।

আবদুল আলিম আরিফ বলেন, শিক্ষার্থীদের ওপর যে লাঠিচার্জ করা হয়েছে, যে হামলা চালানো হয়েছে এটা অন্যায়। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের দাবি অতিদ্রুত মেনে নিতে হবে। আমরা ভিক্ষা চাইতে আসিনি। অধিকার আদায়ে এসেছি। রক্তচক্ষু দেখাবেন না আমাদের।

এর আগে, বৃহস্পতিবার (১৫ মে) রাতে আলোচনার জন্য উপাচার্য অধ্যাপক ড. রেজাউল করিম এবং ট্রেজারার অধ্যাপক ড. সাবিনা শরমিন শিক্ষা উপদেষ্টা ও উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদের বাসায় দীর্ঘ সময় মিটিং করলেও কোনো সমাধান আসেনি।

পরে রাত ১২টায় নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করেন শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. রইস উদ্দিন। দাবি আদায়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা আজ জুমার পরে গণঅনশন শুরু করবে। এতে সব সাবেক ও বর্তমান জবিয়ানদের অংশ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। আজ শুক্রবার সকাল ১০টা থেকে আন্দোলনস্থলে শুরু হওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়।

একই সঙ্গে অধ্যাপক ড. রইস উদ্দীন শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক দাবির আন্দোলনে পুলিশ কর্তৃক শিক্ষক শিক্ষার্থী, সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনার প্রতিবাদে ১৪ মে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কালো দিবস পালনের ঘোষণা দেন।

এর আগে গত বুধবার (১৪ মে) বেলা পৌনে ১২টায় চার দফা দাবি আদায়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের হাজারের বেশি শিক্ষার্থী প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনা দিকে রওনা হয়। পদযাত্রা প্রথমে গুলিস্তান মাজার গেট বাধার সম্মুখীন হয়। পরে মৎস্য ভবনে ফের পুলিশের বাধা অতিক্রম করে যমুনা অভিমুখে এগিয়ে যেতে থাকেন জবি শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীদের পদযাত্রা কাকরাইল মসজিদ ক্রসিং মোড়ে আসতেই অতর্কিত টিয়ারগ্যাস, সাউন্ড গ্রেনেড, গরম পানি নিক্ষেপ করতে শুরু করে পুলিশ। এতে শিক্ষক শিক্ষার্থী সাংবাদিকসহ শতাধিক আহত হন।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বিক্ষোভে উত্তাল ইরান, নিহত ২৫, গ্রেপ্তার হাজারের বেশি

তীব্র শীতে কাঁপছে তেঁতুলিয়া

ঢাকায় শীত নিয়ে আবহাওয়া অফিসের নতুন বার্তা

ইরাক যুদ্ধের সঙ্গে ভেনেজুয়েলার তুলনা করলেন ট্রাম্প

জকসু নির্বাচন : ভিপি-জিএস-এজিএসে এগিয়ে ছাত্রশিবির

শীতে আপনার সন্তানকে সুস্থ রাখবেন যেভাবে

রাজধানীতে আজ কোথায় কী

নওগাঁয় মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা, বিপর্যস্ত জনজীবন

বেগম খালেদা জিয়াকে ছাড়া বাংলাদেশের ইতিহাস লেখা সম্ভব নয় : মোশাররফ

এখনো বাকি জকসুর ৩৫ কেন্দ্রের ফল

১০

বুধবার রাজধানীর যেসব মার্কেট বন্ধ

১১

ট্রেইনি অফিসার পদে নিয়োগ দিচ্ছে আরএফএল গ্রুপ

১২

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে চাকরির সুযোগ

১৩

৭ জানুয়ারি : আজকের নামাজের সময়সূচি

১৪

চট্টগ্রামে সড়কে পড়ে ছিল মার্সিডিজ, উদ্ধার করল পুলিশ

১৫

ভেনেজুয়েলার তেল নিয়ে নতুন ঘোষণা ট্রাম্পের

১৬

প্রশাসনের মধ্যস্থতায় সুন্দরবনে পর্যটকবাহী নৌযান চলাচল স্বাভাবিক

১৭

ফরিদপুরে যৌথবাহিনীর অভিযানে পিস্তল, গুলি ও ককটেল উদ্ধার

১৮

‘যাদের আমার লোক মনে করেছি, তারা এখন জামায়াতের রুকন’

১৯

জামায়াত আমিরের সঙ্গে ঢাবি উপাচার্যের সাক্ষাৎ

২০
X