

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) এ এফ রহমান হলে মাস্টার্স পর্যায়ের আবাসিক শিক্ষার্থীদের রেজাল্ট প্রকাশের পূর্বেই জোরপূর্বক হলত্যাগে বাধ্য করার অভিযোগের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও নিন্দা প্রকাশ করেছে শাখা ছাত্রদল।
সোমবার (০৫ জানুয়ারি) শাখা দপ্তর সম্পাদক আবু হাসনাত মো. রুকনুদ্দিন স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে নিন্দা প্রকাশ করা হয়।
স্বাক্ষরিত বিবৃতিতে বলা হয়, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় আসন বরাদ্দ নীতিমালা অনুযায়ী, মাস্টার্স পরীক্ষার রেজাল্ট প্রকাশের আগ পর্যন্ত শিক্ষার্থীর ছাত্রত্ব ও আবাসিক বৈধতা বহাল থাকে। অথচ এ নীতিমালাকে উপেক্ষা করে শুধুমাত্র ভাইভা বা পরীক্ষা শেষ হওয়ার অজুহাতে শিক্ষার্থীদের হল ছাড়তে বাধ্য করা হচ্ছে, যা সম্পূর্ণ নিয়মবহির্ভূত, অমানবিক এবং ক্ষমতার অপব্যবহার।’
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘নীতিমালার ২০(ঙ) ধারায় স্পষ্টভাবে বলা আছে, রেজাল্ট প্রকাশের পরেই কেবল আসন স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হবে। সেখানে জোরপূর্বক উচ্ছেদের কোনো বিধান নেই। তবুও ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তকে ‘আইন’ হিসেবে চাপিয়ে দেওয়া শিক্ষার্থীদের শিক্ষা, আবাসন ও ভবিষ্যৎকে চরম অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দিচ্ছে।’
এ বিষয়ে এএফ রহমান হলের প্রোভস্ট প্রফেসর ড. মোহাম্মদ তাছলিম উদ্দিন বলেন, ‘২০(ঙ) যেটা বলেছে ওইটাও ঠিক আছে, কিন্তু ২০(গ) অনুযায়ী পরীক্ষা পর্যন্তই সিট থাকে। এবং ২৪-এর কলামে পরিষ্কারভাবে উল্লেখ আছে যে প্রোভস্ট পরীক্ষা শেষের পরে তাগিদ দেওয়ার জন্য নোটিশ দিতে পারবে। আমি নোটিশে দিয়েছি, কাউকে তো বের করে দেইনি। শিক্ষার্থীদের যদি কোনো অসুবিধা থাকে, আমার সঙ্গে বলতে পারত। আমি প্রোভস্ট হয়ে প্রত্যেকের রুমে রুমে যেতে পারব না- এই কারণে আমি নোটিশ দিয়েছি তাগিদ দেওয়ার জন্যই।’
এ বিষয়ে শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল নোমান বলেন, ‘এখানে হল সংসদ এবং শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আমরা কথা বলেছি। ওই অনুযায়ী আমরা আমাদের বিজ্ঞপ্তিটা দিয়েছি।’
মন্তব্য করুন