কালবেলা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১২ জুন ২০২৫, ০৯:০১ এএম
অনলাইন সংস্করণ

প্রাথমিক স্তরে নতুন মূল্যায়ন পদ্ধতি 

জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)। ছবি : কালবেলা গ্রাফিক্স
জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)। ছবি : কালবেলা গ্রাফিক্স

প্রাথমিক স্তরের শিক্ষাক্রমে বড় ধরনের পরিবর্তন আনা হয়েছে। এখন প্রথম থেকে দ্বিতীয় শ্রেণি পর্যন্ত সম্পূর্ণ ধারাবাহিক মূল্যায়ন হবে। তৃতীয় থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত ধারাবাহিক মূল্যায়নের পাশাপাশি সামষ্টিক মূল্যায়নও চালু করা হয়েছে। এই পরিবর্তনের মূল লক্ষ্য হলো শিক্ষার্থীদের শিখন অভিজ্ঞতাকে আরও আনন্দময় ও সহজ করে তোলা। এর জন্য শিখন-শেখানো পদ্ধতি, মূল্যায়ন প্রক্রিয়া এবং বিষয়বস্তু নির্বাচনে বিশেষ পরিবর্তন আনা হয়েছে।

বুধবার (১১ জুন) প্রাথমিকে পরিমার্জিত শিক্ষাক্রম ‘জাতীয় শিক্ষাক্রম ২০২১ প্রাথমিক স্তর (পরিমার্জিত ২০২৫)’ প্রকাশ করেছে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)।

এই শিক্ষাক্রমে শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন কৌশল, শিখন-শেখানো কার্যাবলি এবং বিষয়বস্তু নির্বাচনে ব্যাপক পরিবর্তন আনা হয়েছে, যার মূল লক্ষ্য শিক্ষার্থীর শিখন অভিজ্ঞতাকে আনন্দময় ও সহজ করে তোলা।

এনসিটিবি সূত্রে জানা যায়, জাতীয় মূল্যবোধ, সংস্কৃতি, ইতিহাস ও জীবনদর্শনের প্রতিফলন ঘটিয়ে নতুন দিক উন্মোচনের ফলেই জাতীয় শিক্ষাক্রম ২০২১ (প্রাথমিক স্তর) পর্যালোচনা করে এটি পরিমার্জন করা হয়েছে।

এই শিক্ষাক্রমে শিক্ষার্থীকেন্দ্রিক শিখনের ওপর সর্বাধিক গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে। এর মাধ্যমে শিখন প্রক্রিয়ায় শিক্ষার্থীর সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা, তাদের কৌতূহলী ও অনুসন্ধিৎসু করে তোলা, প্রশ্ন উত্থাপন ও সমস্যা সমাধানের সুযোগ করে দেওয়া এবং কল্পনা ও উদ্ভাবনী চিন্তনের মাধ্যমে উচ্চতর দক্ষতা অর্জনে ব্রতী করে তুলতে প্রয়োজনীয় সুযোগ রাখা হয়েছে।

শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন কৌশলে আনা হয়েছে বড় ধরনের পরিবর্তন। প্রথম শ্রেণি থেকে দ্বিতীয় শ্রেণি পর্যন্ত শতভাগ ধারাবাহিক মূল্যায়ন পদ্ধতি প্রবর্তন করা হয়েছে। অন্যদিকে, তৃতীয় থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত ধারাবাহিক মূল্যায়নের পাশাপাশি সামষ্টিক মূল্যায়ন পদ্ধতিও চালু করা হয়েছে। এই পরিবর্তনগুলো শিক্ষার্থীর সামগ্রিক অগ্রগতি পর্যবেক্ষণে সহায়ক হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

জাতীয় শিক্ষাক্রম সমন্বয় কমিটির (এনসিসিসি) সভায় এই পরিমার্জিত শিক্ষাক্রমটি অনুমোদন লাভ করে। এনসিটিবি আরও জানায়, শিক্ষাক্রম বিশেষজ্ঞ, শিক্ষণ বিশেষজ্ঞ, বিষয় বিশেষজ্ঞ, শ্রেণি শিক্ষক এবং অন্যান্য সুধীজনের কাছ থেকে যৌক্তিক পরামর্শ ও নির্দেশনা পেলে তা শিক্ষাক্রম পরিমার্জনের পরবর্তী ধাপে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হবে। এই যুগান্তকারী পরিবর্তন দেশের প্রাথমিক শিক্ষাকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে এবং শিক্ষার্থীদের মেধা ও মননের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

দুই কিলোমিটার এলাকাজুড়ে যানবাহনের সারি

ভেনেজুয়েলায় অভিযানটি ছিল দেখার মতো, যেন টিভি শো : ট্রাম্প

চমক রেখে শক্তিশালী দল ঘোষণা ভারতের

ধরা পড়ল ৪ মণ ওজনের দুই পাখি মাছ

জয়া বচ্চনের মন্তব্যে সরব পাপারাজ্জি মহল

মাদুরোকে তুলে নেওয়ার পর বিশ্ববাজারে তেলের দামের অবস্থা

গণতন্ত্রের সঙ্গে খালেদা জিয়ার নাম ওতপ্রোতভাবে জড়িত : কবীর ভূঁইয়া

ভেনেজুয়েলায় যুক্তরাষ্ট্রের অভিযান নিয়ে জাতিসংঘের মহাসচিবের উদ্বেগ

হানিয়ার বিয়ে নিয়ে যা বললেন জ্যোতিষী

দোয়ার মাধ্যমে শেষ হলো ৩ দিনব্যাপী খুরুজের জোড়

১০

এলোপাতাড়ি গুলিতে যুবক নিহত

১১

মাদুরোকে ‘অপরাধীর মতো হাঁটিয়ে নেওয়ার’ ভিডিও প্রকাশ

১২

ফার্মগেটে সড়ক অবরোধ

১৩

ফেনী-১ আসনে খালেদা জিয়ার মনোনয়ন স্থগিত

১৪

ভেনেজুয়েলায় মার্কিন হামলায় নিহত অন্তত ৪০

১৫

জেনে নিন আজকের স্বর্ণের বাজারদর

১৬

আজ আইসিসিকে চিঠি দেবে বিসিবি, থাকবে যেসব বিষয়

১৭

রোজ এক গ্লাস কমলার রস খাওয়ার যত উপকারিতা

১৮

জামিন পেলেন বৈষম্যবিরোধীর সেই নেতা

১৯

যেসব এলাকায় শৈত্যপ্রবাহ আরও বাড়বে, জানাল আবহাওয়া অফিস

২০
X