কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ১৬ মার্চ ২০২৫, ১২:০০ এএম
আপডেট : ১৬ মার্চ ২০২৫, ১২:০৩ এএম
অনলাইন সংস্করণ

১৫ বছরে স্বকীয়তা ও স্বাতন্ত্র্যবোধ বলে কিছু অবশিষ্ট নেই : মুশফিকুল ফজল

মুশফিকুল ফজল আনসারী। ছবি : সংগৃহীত
মুশফিকুল ফজল আনসারী। ছবি : সংগৃহীত

মেক্সিকোয় নিয়োজিত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত সাংবাদিক মুশফিকুল ফজল আনসারী বলেছেন, ‘১৫ বছরে নিজস্ব স্বকীয়তা ও স্বাতন্ত্র্যবোধ বলে কিছু আর অবশিষ্ট নেই। ছিল না কোনো ব্যক্তিত্ব কিংবা পেশাদারত্ব।’

তিনি বলেন, ‘হাসিনার দীক্ষা এমন ছিল, সবাইকে ইচ্ছায় কিংবা অনিচ্ছায় কেবল হায় মুজিব, হায় হাসিনা করতে হতো। আমার মিশনে যেখানে হাত দিই, কেবল মুজিব, হাসিনা আর নৌকার ছড়াছড়ি।’

দূতাবাসের সামগ্রী নিয়ে আনসারী বলেন, ‘বিদেশিদের উপহার দেওয়ার সামগ্রী যেমন কলম, কলমদানি, মগ, নোটবুক, চাবির রিং, ব‍্যাগ, পেপার ওয়েটসহ সবকিছুতেই কেবল সেই মুখমণ্ডল। আমার ধারণা, পৃথিবীর এমন কোনো ভাষা নেই, যে ভাষায় বাপ-বেটির বই অনূদিত হয়নি! আমাদের এক কক্ষে স্প্যানিশ ভাষায় অনূদিত বইয়ে ঠাসা, অসংখ্য বক্স। সের দরে কেউ কিনলে বেচে দিয়ে টাকাটা সরকারের ট্রেজারিতে অন্তত দিতে পারতাম। আর সেই ঐতিহাসিক মূর্তি, আমি আসার আগেই সরিয়ে ফেলা হয়েছে।’

যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন দূতাবাসের প্রেস মিনিস্টার গোলাম মোর্তজার সোশ্যাল মিডিয়ার এক পোস্টের প্রতিক্রিয়ায় শনিবার মুশফিকুল ফজল আনসারী এসব কথা বলেন।

সাংবাদিক গোলাম মোর্তজা বলেন, ‘গতকালের পোস্টের পর মরক্কোয় বাংলাদেশ দূতাবাসের হোমপেজের ছবি বাদ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু এখনো এমন অনেক কিছু রয়ে গেছে। মরক্কো দূতাবাসে যা ঘটল, এমন ঘটতে পারে আরও অনেকগুলো দেশে, বিশেষ করে গুরুত্বপূর্ণ দেশগুলোতে। কারণ সব জায়গায় এখনো ফ্যাসিস্ট সমর্থক দিয়ে ভর্তি দূতাবাস।’

এই পোস্টের প্রতিক্রিয়ায় মুশফিকুল ফজল বলেন, ‘শুধু কী মরক্কো? পাবলিক ডমেইনে আর বলতে চাই না। তবে আপাতত ম‍্যাক্সিকোর সোশ্যাল মিডিয়ার ব্যানারে দ্রোহের প্রতিচ্ছবি দেখে কিছুটা স্বস্তি পেতে পারেন।’

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

অ্যাসিড হামলায়ও দমে যাননি, প্লাস্টিক সার্জারির মুখ নিয়েই রুখে দিলেন পর্তুগালকে

মাকে বাঁচাতে গিয়ে প্রাণ হারালেন কিশোর

অবশেষে দলের সঙ্গে নেইমারের অনুশীলন

হাম ও উপসর্গে আরও পাঁচ শিশুর মৃত্যু

পানির ট্যাংক বসাতে গিয়ে প্রাণ গেল ইলেকট্রিশিয়ানের

‘রাজধানীর কোন রুটে কোন কোম্পানির বাস চলবে, তা নিয়ে কাজ চলছে’

গৃহকর্মী ‘নির্যাতন করা’ পুলিশ দম্পতি কারাগারে 

বিএনপির দুই গ্রুপের পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি, ১৪৪ ধারা জারি

হাইকোর্টের যে রায়ে ধাক্কা খেলেন মমতা ব্যানার্জী

৩৫ বছরেই চলে গেলেন ডাভেইগ চেজ

১০

চট্টগ্রাম বন্দরে রেকর্ড কন্টেইনার হ্যান্ডলিং

১১

অক্সফোর্ড ইউনিয়নে টমি রবিনসনের বক্তৃতা ঘিরে বিক্ষোভ  

১২

‘নিরাপত্তার ঘেরাটোপ যেন সরকারপ্রধানকে জনগণ থেকে দূরে ঠেলে না দেয়’

১৩

ভারতে বিজেপি নেতাকে জীবন্ত পুড়িয়ে হত্যা

১৪

ব্রাজিল-হাইতি ম্যাচের রেফারি নিয়ে বিতর্ক

১৫

আইসিইউতে সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও চিত্রশিল্পী মুস্তাফা মনোয়ার

১৬

আমার গোড়ালি ভেঙে গেলেও মেসি কার্ড পেত না : আলজেরিয়া ডিফেন্ডার

১৭

ট্রাক-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে বাবা ও ছেলের মৃত্যু

১৮

মাছ ধরতে গিয়ে প্রাণ গেল ২ যুবকের

১৯

যে কারণে ভারত ও পাকিস্তান পরস্পরের পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা চালায় না

২০
X