কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ২৯ জুন ২০২৫, ০১:৩৫ পিএম
আপডেট : ২৯ জুন ২০২৫, ০১:৪২ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

জুলাই সনদ স্বাক্ষর কবে, জানালেন আলী রীয়াজ

জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহসভাপতি অধ্যাপক ড. আলী রীয়াজ। পুরোনো ছবি
জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহসভাপতি অধ্যাপক ড. আলী রীয়াজ। পুরোনো ছবি

জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহসভাপতি অধ্যাপক ড. আলী রীয়াজ বলেছেন, আমরা আশা করেছিলাম আবু সাঈদের শাহাদাতবার্ষিকীতেই সবাই মিলে সনদে স্বাক্ষর করতে পারব। সেটা কতটা সম্ভব হবে, তা আপনাদের ওপর নির্ভর করে। আমরা খানিকটা শঙ্কিত, সে জায়গায় যাবো না। তবে এটা বলতে পারি, জুলাই মাসের মধ্যে এই প্রক্রিয়া একটা পরিণতির দিকে যেতে হবে।

রোববার (২৯ জুন) সকালে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে কমিশনের সঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলোর দ্বিতীয় দফার সপ্তম দিনের বৈঠকের শুরুর আগে তিনি এসব কথা বলেন।

ঐকমত্য কমিশনের সহসভাপতি বলেন, কমিশনের গত সাত দিনের আলোচনায় বিভিন্ন বিষয়ে অগ্রগতি হলেও আশাব্যঞ্জক অগ্রগতির ক্ষেত্রে আমরা এখনও খানিকটা পিছিয়ে আছি।

এ অগ্রগতির জায়গাটা অর্জন করা দরকার এই কারণে, আমরা কেউই চাই না আগের জায়গাটায় ফিরে যেতে। এটা আগামীকাল, আগামী দিনের বিষয় না। এটা দীর্ঘদিনের বিষয়।

তিনি বলেন, আমাদের লক্ষ্য ছিল ফ্যাসিবাদী শাসন থেকে মুক্ত হওয়া এবং যে কাঠামো এই শাসনকে তৈরি করেছে তার পরিবর্তন সাধন করা। এই সংকল্প থেকে সবকিছু পাশে রেখে আমরা সমবেত হয়েছিলাম। আপনাদের কর্মীরা প্রাণ দিয়েছেন, নিপীড়ন সহ্য করেছেন। সেই রক্তের ওপর পা রেখে আমরা এখানে এসেছি।

তিনি আরও বলেন, কমিশন আপনাদের প্রতিপক্ষ নয়, বরং আপনাদেরই অংশ। আমরা কেবল দায়িত্ব পালন করছি। আপনাদের অবস্থানের কারণেই কমিশনের নমনীয়তা প্রকাশিত হয়েছে। মূলনীতির ক্ষেত্রে কমিশনের কিছু প্রস্তাব ছিল যা আলোচনা মাধ্যমে অগ্রসর হয়েছে।

কমিশনের সহসভাপতি ৭০ অনুচ্ছেদ এবং উচ্চকক্ষ সংক্রান্ত প্রস্তাবনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। তিনি উল্লেখ করেন, উচ্চকক্ষের বিষয়ে দুটি প্রস্তাব ছিল। এর মধ্যে একটি প্রস্তাব ছিল ১০৫ জন সদস্য রাষ্ট্রপতি মনোনীত করবেন। আপনারা এই বিষয়ে আপত্তি তুলেছেন এবং আমরা আলোচনা মাধ্যমে ১০০ সদস্যের উচ্চকক্ষ তৈরির বিষয়ে একমত হয়েছি।

কালবেলা
কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

আর্জেন্টিনা নাকি স্পেন? / ফাইনাল নিয়ে শামনের ভবিষ্যদ্বাণী, সিংহ বলছে ভিন্ন কথা

ফিলিস্তিনি বন্দিদের জন্য কারাগারে কুমির রাখার পরিকল্পনা ইসরায়েলের

জয়পুরহাট জেলা এনসিপির আহ্বায়কের পদত্যাগ

সুনামগঞ্জে নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ১৪ কিলোমিটার সংস্কারের অপেক্ষায়

ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল তুরস্ক

সাবেক সতীর্থের চোখে মেসি: কোন জাদুতে তিনি সবার চেয়ে আলাদা

শিশু-নারীর সুরক্ষায় জাতিসংঘের নেতৃত্বে বৈশ্বিক ঋণ-সহায়তা কাঠামোর আহ্বান

আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের হামলায় নিহত ২

চার জেলায় ব্যাংক খোলা আছে আজ

১০

প্রিয় দলকে জেতাতেই হবে / ফাইনালের আগে সমর্থকদের ঘরে ঘরে কুসংস্কার

১১

আর্জেন্টিনার মুখোমুখি হওয়ার আগে স্পেন কোচের ‘একমাত্র ভয়’ কী নিয়ে

১২

ডুবে মারা গেলেন রাষ্ট্রীয় পদকপ্রাপ্ত ডুবুরি

১৩

পাকিস্তানে ফের বাড়লো জ্বালানির দাম

১৪

হাতের টানেই গুঁড়ো হচ্ছে নির্মাণাধীন স্টেডিয়ামের ঢালাই, প্রতিবাদ করায় হামলা

১৫

মধ্যপ্রাচ্যে ভ্রমণ নিয়ে নতুন সতর্কতা জারি যুক্তরাষ্ট্রের

১৬

বহু বছর ধরে অচল থাকা ইরাক-সিরিয়া তেল পাইপলাইন সচলে সমঝোতা

১৭

ডেমরার পুলিশ লাইনে পুলিশ সদস্যের ‘আত্মহত্যা’, থানায় মামলা

১৮

বন্যার সময় আসতে না পারায় এলাকাবাসীর কাছে ক্ষমা চাইলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১৯

ফাইনালে ইয়ামালকে নিয়ে বিশেষ ছক কষেছেন মেসি

২০
X