কালবেলা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৩, ০৭:৩১ পিএম
আপডেট : ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৩, ০৭:৫৯ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

মালয়েশিয়ায় ফাঁসি থেকে বাঁচলেও কারাদণ্ড এক বাংলাদেশির

মালয়েশিয়ার আদালত। ছবি : সংগৃহীত
মালয়েশিয়ার আদালত। ছবি : সংগৃহীত

মালয়েশিয়ায় ফাঁসির দণ্ড থেকে রেহাই পেয়েছেন আশরাফুল আলম (২৮) নামে এক প্রবাসী বাংলাদেশি। আট বছর আগে মাদক পাচারের মামলায় দোষী সাব্যস্ত হয়েছিলেন তিনি। তবে ফাঁসি থেকে বাঁচলেও, মাদক মামলায় দীর্ঘ কারাবাস ভোগ করতে হচ্ছে তাকে। দেশটিতে বিভিন্ন মাদক পাচারের জন্য রয়েছে সর্বোচ্চ মৃত্যুদণ্ডের বিধান।

৯ কেজি মেথামফেটামিন মাদক পাচারের অভিযোগে এক বাংলাদেশি নাগরিক ও ভারতের দুই নাগরিকসহ তিনজনকে ফাঁসির আদেশ দেয় দেশটির আদালত। কিন্তু সাজা কমিয়ে ফাঁসি থেকে রেহাই পেলেন তারা। দেশটির আপিল আদালতে এমন চাঞ্চল্যকর মামলার রায়ে সাজা কমিয়ে ১৫ বছরের কারাদণ্ড ও ১০ রতান বা বেত্রাঘাতের রায় প্রদান করে। বাংলাদেশি সেই অভিযুক্তের নাম আশরাফুল আলম বলে জানিয়েছে দেশটির জাতীয় গণমাধ্যমগুলো।

অপর দুজনের নাম কে দিনাকরণ, এবং বাকি একজন ভারতীয় নাগরিক আরিভাজাগান মুরুগেসান ৫০, এর পরিবর্তে ১৫ বছরের কারাদণ্ড এবং ১০টি দোররা মারার শাস্তি দেওয়া হয়েছে। তাদেরকে গ্রেপ্তারের তারিখ ছিল গত ১৩ আগস্ট। দেশটির আইন অনুযায়ী ওই তারিখ থেকেই তাদের ১৫ বছরের সাজা গণনা শুরু হবে।

বিচারপতি দাতুক হাদারিয়া সৈয়দ ইসমাইল, দাতুক আজমান আবদুল্লাহ এবং দাতুক এস এম কোমাথি সুপিয়াহর সমন্বয়ে গঠিত তিন সদস্যের আপিল বেঞ্চ প্যানেল হাইকোর্ট মাদকপাচারের দায়ে মৃত্যুদণ্ড রায় বাতিল করে মাদক রাখার অপরাধ স্বীকার করায় আশরাফুলসহ মোট তিনজনকে ১৫ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে এবং প্রত্যেককে ১০ বেত্রাঘাত দেওয়ার আদেশ দিয়েছেন।

কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- বাংলাদেশি নাগরিক আশরাফুল আলম (২৮), ভারতীয় নাগরিক আরিভাজাগান মুরুগেসানকে (৫০) ও দিনাকরন (৪৩)। ২০১৬ সালের ১৩ আগস্ট দুপুরে সেলাঙ্গরের আমপাংয়ের একটি বাড়ি থেকে ৯ হাজার ১৭৯ দশমিক ৩ গ্রাম মেথামফেটামিন বা বা ক্রিস্টাল মেথ পাচারের অভিযোগ ওঠে তাদের বিরুদ্ধে। আদালতের রায় ঘোষণার সময় বিচারক হাদারিয়া বলেন, ওই তিনজনের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ ত্রুটিপূর্ণ ছিল। তাদের বিরুদ্ধে মালয়েশিয়ার ১৯৫২ সালের বিপজ্জনক ড্রাগস অ্যাক্ট সেকশন ৩৯বি (১) ধারায় অভিযোগ ছিল, যা প্রমাণ হলেই মৃত্যুদণ্ড অবধারিত। বিপজ্জনক ড্রাগস অ্যাক্ট ১৯৫২ অনুসারে, কোনো ব্যক্তির কাছে যদি ৩০ গ্রাম বা তার বেশি মেথামফেটামিন থাকে তবে তাকে পাচারকারী হিসেবে গণ্য করা হয়।

তাদের আইনজীবী আফিফুদ্দিন আহমাদ হাফিফি আদালতকে ১০ থেকে ১৫ বছরের জেলের সাজা দেওয়ার জন্য বলেছিলেন। তবে ডেপুটি পাবলিক প্রসিকিউটর সোলেহা নোরাতিকাহ ইসমাইল মাদকের ওজন বিবেচনায় ১৮ থেকে ২০ বছরের মধ্যে কারাদণ্ডের পরামর্শ দিয়েছেন।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

আগ্রাসনবিরোধী আন্দোলনের উদ্যোগে ‘জুলাই বীর সম্মাননা’ অনুষ্ঠান বুধবার 

বিশ্বকাপে ভারতে না গেলে আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়বে বিসিবি!

কৃষক লীগ নেতা আব্দুর রহমান গ্রেপ্তার

চট্টগ্রামে জামায়াতের কোটিপতি প্রার্থী, সম্পদ কত?

ঝালকাঠিতে ইনসাফ মঞ্চের যাত্রা শুরু

বরিশালের সাবেক মেয়র সাদিক আবদুল্লাহর বিরুদ্ধে দুর্নীতির মামলা

১০ জেলায় শৈত্যপ্রবাহ অব্যাহত থাকবে

সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য জরুরি নির্দেশনা

বিএনপিকে পত্রপল্লবে সজ্জিত করেছেন বেগম খালেদা জিয়া : কায়সার কামাল

ব্যালেট পেপার হাতে পেয়ে খুশি মালদ্বীপ প্রবাসীরা

১০

খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় নিকডু শিক্ষক সমিতির দোয়া মাহফিল 

১১

সোনারগাঁয়ে যুবলীগ নেতা জাকির ও নেত্রী রোজি গ্রেপ্তার

১২

নিহত যুবদল নেতার স্ত্রী হলেন পল্লবী থানা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক 

১৩

নির্বাচন নিয়ে কোনো ষড়যন্ত্র জনগণ মেনে নেবে না : মিলন

১৪

তিন বছর পর বুবলীর ‘প্রেশার কুকার’

১৫

মাছ ধরতে গিয়ে ঠান্ডায় জেলের মৃত্যু

১৬

গত ১৫ মাসের ইতিবাচক পরিবর্তন অন্তর্বর্তী সরকারের সফলতা : উপদেষ্টা ফরিদা

১৭

পোস্টাল ব্যালট বিতরণ কবে থেকে, জানালেন প্রেস সচিব

১৮

কোটের হাতাতে এই অতিরিক্ত বোতাম কেন থাকে, আসল রহস্য জেনে নিন

১৯

জকসুর ভোট গণনা স্থগিত

২০
X