মে মাসে টানা তাপপ্রবাহ থাকবে না এপ্রিলের মতো। চলতি মাসের দ্বিতীয়ার্ধে নিম্নচাপ বা ঘূর্ণিঝড়ের শঙ্কা রয়েছে বলে আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে। এ মাসে ৩ থেকে ৫ দিন বজ্র, শিলাবৃষ্টিসহ কালবৈশাখী এবং দুই থেকে তিন দিন তীব্র কালবৈশাখীর আভাস রয়েছে।
মে মাসের জন্য আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরিচালক মো. আজিজুর রহমানের স্বাক্ষরিত পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
পূর্বাভাসে বলা হয়, মে মাসজুড়ে সামগ্রিকভাবে দেশে স্বাভাবিক বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা আছে। তবে এ মাসে দেশে তিন থেকে পাঁচ দিন বজ্র ও শিলাবৃষ্টিসহ হালকা ধরনের কালবৈশাখী ঝড় এবং দুই থেকে তিন দিন বজ্র ও শিলাবৃষ্টিসহ মাঝারি বা তীব্র কালবৈশাখী ঝড় হতে পারে।
একইসঙ্গে মে মাসে বঙ্গোপসাগরে এক থেকে দুটি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে যার মধ্যে মাসের দ্বিতীয়ার্ধে একটি নিম্নচাপ ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে।
মো. আজিজুর রহমান বলেন,
আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরিচালক আজিজুর রহমান বলেন, এপ্রিলে সারা দেশে সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে ৩.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস ও ২.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি ছিল। আর সারা দেশে গড় তাপমাত্রা ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি ছিল। এ মাসে দেশের কোথাও কোথাও এক থেকে তিনটি মৃদু অথবা মাঝারি তাপপ্রবাহ এবং এক থেকে দুটি তীব্র তাপপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। মে মাসে বঙ্গোপসাগরে এক বা দুটি লঘুচাপ হতে পারে। যার মধ্যে একটি মাসের দ্বিতীয়ার্ধে নিম্নচাপ অথবা ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে।
পূর্বাভাসে বলা হয়, এ মাসে দিনের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি থাকবে। স্বাভাবিক বৃষ্টিই হতে পারে। দেশের কোথাও কোথাও অবশ্য কয়েকটি তাপপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে।
আরেক পূর্বাভাসে আরও বলা হয়েছে, আগামী ১০ মে‘র পর থেকে বৃষ্টিপাতের ফলে সারা দেশে তাপমাত্রা কমার সম্ভাবনা রয়েছে। পরবর্তী ৫ থেকে ৬ দিন দমকা হাওয়া, ঝড়ো বাতাস ও বজ্র ঝড়সহ বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। এরপর আবারও আসতে পারে তাপপ্রবাহ।
অন্যদিকে শুক্রবার (০৩ মে) ভোর ৫টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য দেওয়া আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, দেশের ছয় জেলার ওপর দিয়ে ঘণ্টায় ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।
পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, বরিশাল, পটুয়াখালী, কুমিল্লা, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম এবং কক্সবাজার অঞ্চলসমূহের ওপর দিয়ে পশ্চিম অথবা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরসমূহকে ১ নম্বর সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
মন্তব্য করুন