কালবেলা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৩ মে ২০২৪, ০২:১২ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

৮০ শতাংশ নৌশ্রমিক চর্ম ও আন্ত্রিক রোগে আক্রান্ত : এসসিআরএফ

নৌযান। ছবি : সংগৃহীত
নৌযান। ছবি : সংগৃহীত

লবণাক্ত ও অপরিশোধিত পানি ব্যবহারের কারণে দেশের অভ্যন্তরীণ নৌপথে চলাচলকারী নৌযানসমূহের ৮০ শতাংশ শ্রমিক-কর্মচারী চর্মরোগ ও পেটের পীড়াসহ বিভিন্ন ধরনের জটিল আন্ত্রিক রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। ঢাকার গণমাধ্যমকর্মীদের সংগঠন শিপিং অ্যান্ড কমিউনিকেশন রিপোর্টার্স ফোরামের (এসসিআরএফ) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৩ মে) সংগঠনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে প্রতিবেদনের সারসংক্ষেপ প্রকাশ করা হয়। প্রতিবেদনে নৌশ্রমিকদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় যাত্রী ও পণ্যবাহী সরকারি-বেসরকারি সব ধরনের নৌযানে পানিশোধনার স্থাপন বাধ্যতামূলক করার সুপারিশ করা হয়েছে।

বছরব্যাপী জরিপ ও অনুসন্ধান চালিয়ে এ প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়। এতে বলা হয়, জরিপকালে ১০ শ্রেণির নৌযানের শতাধিক শ্রমিক ছাড়াও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলা হয়েছে।

এসব নৌযানের মধ্যে রয়েছে যাত্রীবাহী লঞ্চ, পণ্যবাহী বিভিন্ন ধরনের জাহাজ, স্কেভেটর (খননযন্ত্র), ড্রেজার (পলি অপসারণ যন্ত্র), ডাম্ববার্জ ও হাউজবোটসহ বিভিন্ন ধরনের নৌযান। এসসিআরএফ জানায়, দেশের এক পঞ্চমাংশ উপকূলীয় জনপদ। সেখানকার নদ-নদীর পানিতে প্রায় সারা বছর তীব্র লবণাক্ততা থাকে। এ ছাড়া দেশের প্রায় সকল নদী মারাত্মক দূষণের শিকার। নৌশ্রমিকরা দিনের পর দিন নৌযানে থাকেন। কিন্তু সরকারি-বেসরকারি নৌযানসমূহে কোনো পানি শোধনাগার নেই।

প্রতিবেদনে বলা হয়, সরকার ও সেরকারি নৌযান মালিক- কোনো কর্তৃপক্ষই বিনামূল্যে বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ করে না। স্বল্পবেতনভোগী নৌশ্রমিকরা বাধ্য হয়ে সব কাজে নদীর পানি ব্যবহার করছেন। এতে তারা ভয়ানক জটিল রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন।

চিকিৎসকদের বরাত দিয়ে এসসিআরএফের প্রতিবেদনে বলা হয়, দীর্ঘদিন নদীর লোনা ও দূষিত পানি ব্যবহারের কারণে চর্মের অনেক রোগসহ কর্কট রোগ (স্কিন ক্যানসার) ও শ্বাসকষ্টজনিত নারা রোগ হতে পারে। লিভার সিরোসিস, রক্ত আমাশয়, আমাশয়, গ্যাস্ট্রিক আলসার (পাকস্থলীতে ক্ষত) ও নিয়মিত ডায়রিয়াসহ বিভিন্ন ধরনের জটিল আন্ত্রিক পীড়া হতে পারে। এই সংকট নিরসনে অভ্যন্তরীণ নৌপথে চলাচলরত সরকারি-বেসরকারি সব ধরনের নৌযানে পানি শোধনাগার স্থাপন বাধ্যতামূলক করার সুপারিশ করেছে এসসিআরএফ।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

গরু ভাগাভাগির দ্বন্দ্বে ছেলের হাতে বাবা খুন

৪৩ পণ্য ও সেবা রপ্তানি প্রণোদনার মেয়াদ বাড়ল

২০২৫ সালে গুরুত্বপূর্ণ আর্থিক মাইলফলক অর্জন করল কমিউনিটি ব্যাংক

ভিসা নিয়ে বাংলাদেশকে বড় দুঃসংবাদ দিল অস্ট্রেলিয়া

কর্মস্থলে মোটরসাইকেল বহর নিয়ে এসে তোপের মুখে পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা

আলোচনায় বসতে চায় ইরান, বললেন ট্রাম্প

বিএনপিতে যোগ দিলেন এলডিপির কয়েকশ নেতাকর্মী

ককটেল ফাটিয়ে বাংলাদেশি কৃষককে ধরে নেওয়ার চেষ্টা বিএসএফের

পার্থর আসন থেকে সরে দাঁড়ালেন বিএনপির প্রার্থী 

মনোনয়নপত্র জমার সুযোগ পেয়ে যা বললেন হিরো আলম

১০

কখন ডিম খেলে বেশি উপকার পাওয়া যায়, যা বলছেন বিশেষজ্ঞরা

১১

অটোরিকশাচালককে কুপিয়ে হত্যা

১২

বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় পরিষদের প্রেসিডেন্ট হলেন রুয়েট উপাচার্য

১৩

সেরা নির্বাচন উপহার দিতে পুলিশ প্রতিজ্ঞাবদ্ধ : ডিআইজি রেজাউল

১৪

আগুন পোহাতে গিয়ে দগ্ধ বৃদ্ধার মৃত্যু

১৫

বিমান দুর্ঘটনায় জনপ্রিয় সংগীতশিল্পীসহ ছয়জন নিহত

১৬

প্রার্থিতা ফিরে পেয়ে কাঁদলেন ১ স্বতন্ত্র প্রার্থী

১৭

সরকারি বিভিন্ন উন্নয়নকাজে এমপি রাখেন ৫০ ভাগ : রুমিন ফারহানা

১৮

খুলনায় সিআইডি অফিসে আগুন, পরে এসি বিস্ফোরণ

১৯

১৫ দিন পর দাদির জিম্মায় ঘরে ফিরল শিশু আয়েশা

২০
X