কালবেলা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৭ ডিসেম্বর ২০২৪, ০৭:৪১ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

‘পঞ্চদশ সংশোধনীর রায় জনগণের প্রত্যাশা পূরণে একধাপ অগ্রগতি’

হাফেজ মাওলানা ইউনুছ আহমাদ। ছবি : সংগৃহীত
হাফেজ মাওলানা ইউনুছ আহমাদ। ছবি : সংগৃহীত

সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী বাতিলের রায়ের মাধ্যমে জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে প্রত্যাশা পূরণে একধাপ অগ্রগতি হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর মহাসচিব অধ্যক্ষ হাফেজ মাওলানা ইউনুছ আহমাদ।

মঙ্গলবার (১৭ ডিসেম্বর) বিকেলে পুরানা পল্টনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর দলীয় কার্যালয়ে যুগ্ম ও সহকারী মহাসচিবদের সঙ্গে আলোচনাকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।

মাওলানা ইউনুছ আহমাদ বলেন, এ রায়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা ফিরে আসায় জনমনে স্বস্তি ফিরে এসেছে। তবে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা ফিরিয়ে দেওয়ার পাশাপাশি আমাদের জাতিসত্ত্বার রক্ষাকবচ সংবিধানের মূলনীতিতে আল্লাহর ওপর আস্থা ও বিশ্বাস ফিরিয়ে দিলে দেশের মানুষ আরও বেশি উৎফুল্ল হতো এবং জাতীয় সংহতি আরও মজবুত হতো।

তিনি বলেন, শুধু তত্ত্বাবধায়ক সরকার নয়, আল্লাহর ওপর আস্থা ও বিশ্বাস ফিরিয়ে এনে আওয়ামী আমলের সকল সংশোধনী বাতিল করা জনগণের প্রাণের দাবি।

তিনি আরও বলেন, বিগত সময়ে আওয়ামী লীগ ভারতের আজ্ঞাবহ হয়ে ভারতীয় আধিপত্যবাদ ও ফ্যাসিবাদকে টিকিয়ে রাখতে সংবিধানের যে অবৈধ সংশোধনী এনেছে তার সবকিছু বাতিল করতে হবে।

১৬ ডিসেম্বর জাতির উদ্দেশে প্রধান উপদেষ্টার নির্বাচনসংক্রান্ত বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর মহাসচিব বলেন, প্রধান উপদেষ্টা নির্বাচনের বিষয়ে নিজেই নিশ্চিত নন। নির্বাচন তারা কবে করতে চান, এ ব্যাপারে উপদেষ্টামণ্ডলী বা প্রধান উপদেষ্টা এখনো নিশ্চিত হতে পারেননি বলেই ২০২৫ সালেও হতে পারে, ২৬ সালেও হতে পারে এমন কথা বলেছেন। এতে বুঝা যায় নির্বাচনের সময় নির্ধারণের বিষয়ে এখনো সংশয় আছে। এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে তিনি কেন সংশয় মিশ্রিত কথা বললেন; এটা আমাদের বোধগম্য নয়। নির্বাচন নিয়ে পরিষ্কার বক্তব্য আসা উচিত।

তিনি বলেন, একটি ফলপ্রসূ নির্বাচন সকল মানুষ ও রাজনৈতিক দলের প্রত্যাশা। গত ৫৩ বছর যেমন নির্বাচন হয়েছে, তেমন নির্বাচন আমরা চাই না; জনগণও চায় না। একটা সুষ্ঠু রাজনৈতিক পরিবেশ তৈরির পর ফলপ্রসূ নির্বাচন হবে- এটাই আমাদের প্রত্যাশা।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ডাচ্-বাংলা ব্যাংকে ২০২৫ সালের জন্য ৩০% ডিভিডেন্ড অনুমোদন

পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের স্বাস্থ্যসেবা কার্ড দিল ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন

ইসরায়েলকে বলেছি হিজবুল্লাহর দায়িত্ব সিরিয়ার ওপর ছেড়ে দিতে : ট্রাম্প

ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল জাপান

দুজন নিহতের ঘটনায় গ্রেপ্তার আতঙ্কে পুরুষশূন্য গ্রাম, থমথমে পরিস্থিতি

পুলিশের গাড়িবহরে হামলা, আহত ১০

জানালেন সেতুমন্ত্রী / পদ্মা রেলসেতুর পিলারের মাটি খুঁড়ে নেওয়া হয়েছে, ‘বিষয়টি এমন নয়’

শ্বশুরবাড়ি থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার, পরিবারের দাবি হত্যা

পুলিশের গুলিতে ছিনতাইকারী গুলিবিদ্ধ, আটক ৪

নদীবন্দরে সতর্কতা, বজ্রবৃষ্টি হতে পারে যেসব অঞ্চলে

১০

বৃদ্ধের বিবস্ত্র মরদেহ পড়েছিল পাহাড়ের চূড়ায়

১১

মায়ের নামে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আবেদন বিএনপির সংসদ সদস্যের

১২

গম আমদানি রেকর্ড উচ্চতায়, কমছে চাষের জমি

১৩

গ্যাস বিস্ফোরণে বাবা-মা-ভাইয়ের পর চলে গেল মিমও

১৪

কমলা নাকি কলা, রক্তে শর্করার জন্য কোনটি বেশি ভালো?

১৫

শ্রীলঙ্কার ক্রিকেটারের সঙ্গে সূর্যবংশীর হাতাহাতি 

১৬

আরও ভূমি দখলের দাবি রাশিয়ার, পাল্টা প্রতিরোধের কথা বলছে ইউক্রেন

১৭

ইরানের সঙ্গে আলোচনার পরবর্তী ধাপ আরও সহজ হবে : ট্রাম্প

১৮

আ.লীগ আর গণতন্ত্র কখনোই একসঙ্গে যায় না : মির্জা ফখরুল

১৯

মা ও শিশুর স্বাস্থ্যসেবায় সরকার অগ্রাধিকার দিচ্ছে : সিসিক প্রশাসক

২০
X