কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ২২ অক্টোবর ২০২৫, ০৮:৩৬ পিএম
আপডেট : ২২ অক্টোবর ২০২৫, ০৮:৫২ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

এই মুহূর্তে নির্বাচন কমিশনের পুনর্গঠন প্রয়োজন : নাহিদ ইসলাম

এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম ও নির্বাচন কমিশনের লোগো। ছবি : সংগৃহীত
এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম ও নির্বাচন কমিশনের লোগো। ছবি : সংগৃহীত

এই মুহূর্তে নির্বাচন কমিশনের পুনর্গঠন প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশনের গঠন প্রক্রিয়া, নির্বাচন কমিশনের বর্তমান আচরণ আমাদের কাছে মনে হচ্ছে যে এটা নিরপেক্ষ হচ্ছে না।

বুধবার (২২ অক্টোবর) প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

নাহিদ ইসলাম বলেন, আমরা নির্বাচন কমিশন নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছি। নির্বাচন কমিশনের গঠন প্রক্রিয়া, নির্বাচন কমিশনের বর্তমান আচরণ আমাদের কাছে মনে হচ্ছে যে এটা নিরপেক্ষ হচ্ছে না। এটা স্বচ্ছ হচ্ছে না। নির্বাচন কমিশন সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে যেভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করার কথা ছিল সেটা করছে না। কিছু কিছু দলের প্রতি পক্ষপাতিত্ব দেখা যাচ্ছে এবং কোনো কোনো দলের প্রতি বিমাতাসুলভ আচরণ তারা করছে।

তিনি বলেন, বিগত সময়গুলোতে নির্বাচন কমিশন যেসব পদক্ষেপ নিয়েছে সেইখানে কিভাবে তাদের পক্ষপাতিত্ব ফুটে উঠেছে সেই বিষয়ে আমরা বলেছি। একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য একটি নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশন প্রয়োজন। সুষ্ঠু নির্বাচন কমিশন নির্বাচন যদি না হয় তাহলে একটা সরকার কিভাবে আসবে? ফলে আমরা সরকারকে সেই বিষয়টি অবহিত করেছি। এবং আমরা মনে করি যে, নির্বাচন কমিশন এই মুহূর্তে পুনর্গঠন হওয়া প্রয়োজন।

ঐতিহাসিক জুলাই সনদে স্বাক্ষরের বিষয়েও সিদ্ধান্ত জানিয়েছেন দলটির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন, জুলাই সনদ বাস্তবায়নটা কীভাবে হবে সেটা সম্পর্কে নিশ্চয়তা পাওয়ার পরই আমরা স্বাক্ষর করব।

নাহিদ ইসলাম বলেন, আমরা জুলাই সনদ নিয়ে কথা বলেছি। যেহেতু জুলাই সনদ স্বাক্ষর অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়েছে এবং জাতীয় নাগরিক পার্টি সেখানে অংশ নেয়নি। ফলে আমরা আমাদের অবস্থান সরকারের কাছেও তুলে ধরেছি। ঐকমত্য কমিশনের কাছেও আমরা তুলে ধরেছি। আমরা সে কথাগুলোই পুনর্ব্যক্ত করেছি, জুলাই সনদের শুধু কাগজের মূল্যে আমরা বিশ্বাসী নই। এটি কীভাবে বাস্তবায়ন হবে সেটা সম্পর্কে নিশ্চয়তা পাওয়ার পরই আমরা স্বাক্ষর করব।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বিরিয়ানির বিনিময়ে বিক্রি হচ্ছে বিবেক, শিক্ষার্থীদের নিয়ে রাশেদ খাঁনের ক্ষোভ

শূন্যরেখায় থাকা ২৮ জনকে ফিরিয়ে নিল বিএসএফ

মার্কিন হামলার জবাবে ‘শত্রু ঘাঁটিতে’ আঘাত ইরানের

রাজধানীতে গ্যাস লিকেজের আগুনে পুড়ল তিনজন, আশঙ্কাজনক দুই

কুয়েত ও বাহরাইনের দিকে ৭টি ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে ইরান : যুক্তরাষ্ট্র

আ.লীগের চুরি ও পাচারের কারণেই বিদ্যুৎ-জ্বালানি খাতে চাপ : তথ্যমন্ত্রী

মাছবাহী পিকআপের সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে নিহত ২

ঢাকার সড়কে যাত্রীবাহী বাস উল্টে প্রাণ গেল হেলপারের

ইরান যুদ্ধের প্রভাবে আরও কোটি মানুষ খাদ্য সংকটে পড়তে পারে : জাতিসংঘ

যাত্রীবাহী বাসের পেছনে মোটরসাইকেলের ধাক্কা, নিহত ২

১০

৭৫ ইউনিট পর্যন্ত বিদ্যুৎ ব্যবহারে দাম বাড়বে না : তথ্য উপদেষ্টা

১১

সুপ্রিম কোর্ট ও অ্যাটর্নি জেনারেলের বিভিন্ন শাখা শনিবার খোলা 

১২

ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ১৮ কিলোমিটার যানজট

১৩

তেল-গ্যাস-বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি ও সীমান্তে পুশইনের প্রতিবাদে ঢাকায় বিক্ষোভের ডাক

১৪

শান্তিরক্ষায় আত্মত্যাগের স্বীকৃতি, জাতিসংঘ পদকে ভূষিত ৬ বাংলাদেশি

১৫

১০ লাখ টাকায় ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ আপসের দাবি

১৬

শূন্যরেখায় থাকা সেই ১৭ জনকে ফিরিয়ে নিল বিএসএফ

১৭

প্রতিশ্রুতি বনাম বাস্তবতা : নবম পে-স্কেল নিয়ে বড় দুঃসংবাদ

১৮

দেশে স্বর্ণের দামে বড় পতন, ভরি কত

১৯

ইরানের রাডার স্থাপনায় মার্কিন হামলা

২০
X