

১০-দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের সমঝোতা অনুযায়ী জাতীয় নাগরিক পার্টিকে (এনসিপি) ৩০টি সংসদীয় আসন ছেড়ে দেওয়া হলেও এর মধ্যে অন্তত ২টি আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীরা মনোনয়ন প্রত্যাহার করেননি। আসন দুটি হলো নরসিংদী-২ ও চট্টগ্রাম-৮।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ছিল। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এসব আসনে জামায়াতের প্রার্থীরা সরে না দাঁড়ানোয় বিষয়টি নিয়ে জোটের ভেতরে অস্বস্তি তৈরি হয়েছে। এনসিপি জানিয়েছে, এ নিয়ে শরিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা চলছে।
নরসিংদী-২ আসনটি ১০ দলীয় ঐক্য এনসিপিকে ছেড়ে দিলেও জামায়াতের প্রার্থী আমজাদ হোসাইন শেষ পর্যন্ত মনোনয়ন প্রত্যাহার করেননি। অভিযোগ রয়েছে, মনোনয়ন প্রত্যাহারের দিনে তিনি দলীয় কর্মী-সমর্থকদের দ্বারা নিজ বাসায় আটকে পড়েন। ফলে এনসিপির প্রার্থী মো. গোলাম সারোয়ার (সারোয়ার তুষার) একক প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামার সুযোগ পাননি।
অন্যদিকে বোয়ালখালী উপজেলা ও চান্দগাঁও-পাঁচলাইশ এলাকা নিয়ে গঠিত চট্টগ্রাম-৮ আসনেও একই পরিস্থিতি তৈরি হয়। এই আসনে এনসিপির প্রার্থী মো. জোবাইরুল হাসান আরিফ। ঐক্যভুক্ত অন্যান্য দলের প্রার্থীরা মনোনয়ন প্রত্যাহার করলেও জামায়াতের প্রার্থী মো. আবু নাছের শেষ পর্যন্ত সরে দাঁড়াননি। এ ঘটনাকে এনসিপির প্রার্থী ‘অনভিপ্রেত’ বলে মন্তব্য করেছেন।
এ ছাড়া এনসিপিকে ছেড়ে দেওয়া আরও ২টি আসন সিরাজগঞ্জ-৬ ও নারায়ণগঞ্জ-৪ -এ জামায়াত নয়, বরং জোটভুক্ত অন্যান্য দুই শরিক দলের প্রার্থীরা মনোনয়ন প্রত্যাহার করেননি। সিরাজগঞ্জ-৬ আসনে আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি) এবং নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মাঠে রয়ে গেছেন।
এ বিষয়ে এনসিপির কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সেক্রেটারি ও দলের যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরা শারমিন বলেন, যেসব আসনে সমঝোতা থাকা সত্ত্বেও প্রার্থিতা প্রত্যাহার হয়নি, সেগুলো নিয়ে শরিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা চলছে। আলোচনার মাধ্যমে একটি সমাধানে পৌঁছানো যাবে বলে আমরা আশাবাদী।
মন্তব্য করুন