কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ২৬ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৮:৪৩ পিএম
আপডেট : ২৬ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৯:৩০ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

শাহবাগে দাঁড়িয়ে রাষ্ট্রের নিরাপত্তা নিয়ে যে প্রশ্ন তুললেন জুমা

বক্তব্য রাখছেন ফাতিমা তাসনিম জুমা। ছবি : সংগৃহীত
বক্তব্য রাখছেন ফাতিমা তাসনিম জুমা। ছবি : সংগৃহীত

শহীদ শরিফ ওসমান হাদি হত্যার বিচার নিয়ে সরকারের নিষ্ক্রিয়তা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ইনকিলাব মঞ্চের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার মুখপাত্র ফাতিমা তাসনিম জুমা। প্রশ্ন তুলে তিনি বলেছেন, ‘রাষ্ট্রের নিরাপত্তা, গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ এবং স্থিতিশীলতা রক্ষার কাজ যদি নাগরিক সংগঠনকেই করতে হয়, তবে জনগণের টাকায় এমন সরকারকে টিকিয়ে রাখার যুক্তি কোথায়?’

শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) বিকাল ৩টার দিকে শাহবাগে তিনি এসব কথা বলেন।

এদিন জুমার নামাজের পর ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মী, সাধারণ শিক্ষার্থী এবং সমর্থক জনতা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদ থেকে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে শাহবাগ মোড়ে এসে অবস্থান নেন। মিছিলটি শাহবাগে পৌঁছানোর পরপরই অবরোধকারীরা রাস্তা বন্ধ করে দেন এবং যান চলাচল পুরোপুরি থমকে যায়। চত্বরে ‘নারায়ে তাকবির, আল্লাহু আকবার’; ‘দিল্লি না ঢাকা, ঢাকা ঢাকা’; ‘এক হাদি লোকান্তরে, লক্ষ হাদি লড়াই করে’; ‘লীগ ধর, জেলে ভর।’ ইত্যাদি স্লোগান শুরু হয়।

বক্তব্যের শুরুতেই শহীদ হাদির স্মৃতি টেনে জুমা বলেন, ‘যে ভাইয়ের কণ্ঠে আমরা রাজপথে স্লোগান শুনতাম, আজ তাকে কবরে রেখে এখানে দাঁড়িয়ে কথা বলতে হচ্ছে। এটা পুরো ইনকিলাব টিমের জন্য অপূরণীয় শোক।’

তিনি বলেন, ‘৫ আগস্ট-পরবর্তী সময়ে দেশে অসংখ্য নেতা তৈরি হয়েছে। কিন্তু ওসমান হাদি নিজেকে কখনো নেতা বলেননি। সবসময় ‘কর্মী’ পরিচয়ে থেকেছেন। নেতৃত্ব দাবি করা সহজ হয়ে গেছে। কিন্তু আমার ভাই ওসমান হাদি নিজেকে কখনো নেতা বলেননি।’

বিচার প্রক্রিয়ায় অগ্রগতির শূন্যতা নিয়ে তিনি প্রশাসন এবং সরকারের দিকে সরাসরি তীর ছোড়েন। তিনি জানান, হাদির মৃত্যুর পর খুনিদের অবস্থান, পলায়ন বা দেশে থাকা নিয়ে গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর কাছে স্পষ্ট কোনো চিত্র নেই। গোয়েন্দা সংস্থার দায়িত্বও আমাদের পালন করতে হচ্ছে। এমন একটা সরকারকে বাংলাদেশের মানুষের টাকায় বসিয়ে রেখে লাভ কী?

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

চেয়ারম্যানসহ বিএসইসির চার কমিশনারের পদত্যাগ

যুক্তিতর্ক শুনানির আগে অসুস্থ রামিসা হত্যার আসামি স্বপ্না

১০ বছর পর আবারও ফাইনালে মুখোমুখি বাংলাদেশ-ভারত

থানার ভেতরে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে বেধড়ক মারধর, ৩ পুলিশ প্রত্যাহার

যুবদলের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা

ঋতুপর্ণার জাদুকরী সেই গোলের নাম কেন ‘অলিম্পিক গোল’?

আর্থিক লেনদেনের জেরে প্রেমিকাকে শ্বাসরোধে হত্যা, গ্রেপ্তার ৩

ঈদযাত্রায় সড়ক দুর্ঘটনায় হতাহত ১১১৮ জন

মহাসড়কে আ.লীগের ঝটিকা মিছিল, গ্রেপ্তার ১২

বিহারের হাসপাতালে ভয়াবহ আগুন, নিহত ৪

১০

এবার জেমস বন্ড সাজে ডোনাল্ড ট্রাম্প

১১

স্ত্রীর গর্ভে ৫ সন্তান, উন্নত চিকিৎসার খরচ জোগাতে পারছেন না দরিদ্র রংমিস্ত্রি

১২

সীমান্তে পুশইন চেষ্টা রুখে দিল বিজিবি

১৩

বজ্রপাতে মা-ছেলের করুণ মৃত্যু

১৪

দিল্লির হোটেলে আগুন : মৃত্যুপথযাত্রী বাবাকে দেখতে এসে পুড়ে মরলেন ৮ স্বজন

১৫

ময়মনসিংহে হামের উপসর্গে আরও এক শিশুর মৃত্যু

১৬

বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে জামায়াতের বিক্ষোভ আজ

১৭

আ.লীগ ও জামায়াত একই জিনিস, আমাদের সতর্ক থাকতে হবে : ইশরাক

১৮

আজও নেই বৃষ্টির সম্ভাবনা

১৯

দেশে ফিরলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

২০
X