কালবেলা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৭ ডিসেম্বর ২০২৩, ০২:৩১ পিএম
আপডেট : ২৭ ডিসেম্বর ২০২৩, ০৬:১৪ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

ইশতেহারে ভাড়াভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধের প্রতিশ্রুতি আ.লীগের

ইশতেহারে ভাড়াভিত্তিক, অদক্ষ বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে আওয়ামী লীগ। ছবি : সংগৃহীত
ইশতেহারে ভাড়াভিত্তিক, অদক্ষ বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে আওয়ামী লীগ। ছবি : সংগৃহীত

আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ইশতেহারে ভাড়াভিত্তিক, অদক্ষ বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে আওয়ামী লীগ। বুধবার (২৭ ডিসেম্বর) প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে নির্বাচনী ইশতেহারে এ ঘোষণা দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা।

ইশতেহারে বলা হয়, উন্নত কিংবা উন্নয়নশীল প্রতিটি দেশের সার্বিক অর্থনৈতিক উন্নয়নে পর্যাপ্ত, নির্ভরযোগ্য ও ক্রয়ক্ষমতার সঙ্গে সংগতিপূর্ণ মূল্যে বিদ্যুৎ ও জ্বালানির সংস্থান একটি পূর্বশর্ত। বঙ্গবন্ধু ১৯৭২ সালে বিদেশি শোষণ চিরতরে বন্ধ এবং জাতীয় স্বার্থকে সুরক্ষা দিতে দেশের জ্বালানি ও খনিজ সম্পদসহ সকল প্রাকৃতিক সম্পদের ওপর রাষ্ট্রীয় মালিকানা প্রতিষ্ঠা করেন। বঙ্গবন্ধু হত্যার ২১ বছর পর শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগের প্রথম সরকারের সময় (১৯৯৬ থেকে ২০০১) জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতে যুগান্তকারী কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়। ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত বিএনপি-জামায়াতের ব্যাপক লুটপাট, অব্যবস্থাপনা এবং অদক্ষতার কারণে জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতে ভয়াবহ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। ২০০৯ সাল থেকে শেখ হাসিনার সরকারের তিন মেয়াদে দেশে যুগান্তকারী ও বৈপ্লবিক উন্নয়ন করা হয়। ফলে শিল্প ও বাণিজ্য খাত প্রয়োজন অনুযায়ী বিদ্যুৎ পাচ্ছে। গ্রামাঞ্চলসহ দেশের প্রতিটি ঘরে বিদ্যুৎ প্রাপ্তি সুনিশ্চিত হয়েছে।

ইশতেহারে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের উন্নয়নে যেসব অঙ্গীকার প্রদান করা হয়েছে সেগুলো হলো-

১. নিরবচ্ছিন্ন ও মানসম্মত বিদ্যুৎ এবং জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা।

২. বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ২০৩০ সালের মধ্যে ৪০ হাজার মেগাওয়াট এবং ২০৪১ সালের মধ্যে ৬০ হাজার মেগাওয়াটে উন্নীত করার দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে। পর্যায়ক্রমে ভাড়াভিত্তিক ও অদক্ষ বিদ্যুৎকেন্দ্রসমূহ বন্ধ (রিটায়ারমেন্ট) করা হবে।

৩. পরিচ্ছন্ন জ্বালানি থেকে দশ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হবে। নবায়নযোগ্য ও পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদিত বিদ্যুৎ সঞ্চালনের জন্য গ্রিড যুগোপযোগী করা হবে।

৪. নেপাল ও ভুটান থেকে জলবিদ্যুৎ আমদানি এবং এই অঞ্চলে আন্তঃরাষ্ট্রীয় বিদ্যুৎ ও জ্বালানি বাণিজ্য ত্বরান্বিত করা হবে।

৫. সঞ্চালন লাইনের পরিমাণ ২৪ হাজার সার্কিট কিলোমিটারে উন্নীত করা হবে।

৬. পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপের (পিপিপি) আওতায় সঞ্চালন লাইন নির্মাণ ও পরিচালনার উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

ঘটনাপ্রবাহ: দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

আইইডিসিআর / নিপাহ ভাইরাস ৩৫ জেলায়, আক্রান্ত হলেই মৃত্যু

নামাজের সময় চোখ খোলা নাকি বন্ধ রাখতে হয়, জানুন

যুক্তরাষ্ট্র থেকে ভুট্টার বড় চালান বাংলাদেশে

যে ৫ ব্যক্তির দোয়া কখনোই কবুল হয় না

থানায় সালিশ করতে এসে আটক আ.লীগ নেতা

জকসুর ফলাফলে নাটকীয় মোড়, ফের ভিপিতে এগিয়ে শিবির

সহকর্মীদের প্রতিবন্ধী সন্তানের শিক্ষা সহায়তায় স্কলারশিপ চালু করল ব্র্যাক ব্যাংক

ট্রেনিং ও বিদেশি বৃত্তি নিয়ে শিক্ষক-কর্মকর্তাদের নতুন নির্দেশনা

আসামিদের নামাজ পড়তে হাজতখানায় জায়নামাজ দিলেন ঢাকার সিজিএম

সিরাজগঞ্জে বিএনপিতে যোগ দিলেন আ.লীগের শতাধিক নেতাকর্মী

১০

চবি ‘এ’ ইউনিটের ফল প্রকাশ, পাসের হার ৫২.৪ শতাংশ

১১

এনসিপি ও ইসলামী আন্দোলনের শতাধিক নেতাকর্মীর বিএনপিতে যোগদান

১২

দৃষ্টিহীনদের পথ দেখাচ্ছে রোবট কুকুর

১৩

মাদুরোর বিরুদ্ধে নিজের নাচ নকলের অভিযোগ করলেন ট্রাম্প

১৪

ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ

১৫

কারাকাসের ঘটনার পর আতঙ্কে তেহরান

১৬

পুলিশের ঊর্ধ্বতন ১৪ কর্মকর্তাকে বদলি

১৭

ঢাবি অধ্যাপক আতাউর রহমান মারা গেছেন

১৮

জকসুর এক কেন্দ্রে ভোট পাননি শিবিরের জিএস-এজিএস প্রার্থী

১৯

আলজাজিরার এক্সপ্লেইনার / কেন প্রায় ২৫ কোটি খ্রিস্টান বড়দিন পালন করেন ৭ জানুয়ারি

২০
X