কালবেলা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৭ জানুয়ারি ২০২৪, ১০:৩৫ পিএম
আপডেট : ২৭ জানুয়ারি ২০২৪, ১০:৫৭ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

সরকারের পৃষ্ঠপোষকতার কারণেই দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি : সাকি

শনিবার গণসংহতি আন্দোলনের জাতীয় পরিষদের বর্ধিত সভায় বক্তব্য দেন দলের প্রধান সমম্বয়কারী জোনায়েদ সাকি। ছবি : কালবেলা
শনিবার গণসংহতি আন্দোলনের জাতীয় পরিষদের বর্ধিত সভায় বক্তব্য দেন দলের প্রধান সমম্বয়কারী জোনায়েদ সাকি। ছবি : কালবেলা

সরকারের পৃষ্ঠপোষকতার কারণেই বাজারে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকসহ সমস্ত অর্থনীতিতে লুটপাট, দুর্নীতি আর সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য ও আধিপত্য চলছে বলে অভিযোগ করেছেন গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমম্বয়কারী জোনায়েদ সাকি।

শনিবার (২২ জানুয়ারি) রাজধানীর ধানমন্ডিতে মেজর হায়দার মিলনায়তনে দিনব্যাপী গণসংহতি আন্দোলনের জাতীয় পরিষদের বর্ধিত সভায় সভাপতির বক্তব্যে এ অভিযোগ করেন তিনি।

জোনায়েদ সাকি বলেন, জনগণের ভোট ছাড়া এই সরকার নির্বাচনের নামে প্রহসন করে জবরদস্তি কায়দায় ক্ষমতা কুক্ষিগত করে রাখছে। ক্ষমতা টিকিয়ে রাখার জন্য রাষ্ট্রশক্তির বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্তাব্যক্তিদের এবং নানা স্তরের সুবিধাভোগীদের অবাধে দুর্নীতি, লুটপাট ও অন্যায়ের সুযোগ দিচ্ছে। এইভাবে তাদের অপশাসনের অংশীদার করে এই কর্তৃত্ববাদী শাসন টিকিয়ে রাখার তৎপরতা চালাচ্ছে। সে কারণে মিথ্যাচার আর দমন-পীড়নই এই তৎপরতার প্রধান দিক।

তিনি আরও বলেন, জনগণ এইবার তাদের একই প্রক্রিয়ায় আর ক্ষমতা চালিয়ে যেতে দেবে না। ৭ জানুয়ারি ৯০ ভাগেরও বেশি মানুষ ভোট না দিয়ে যে গণরায়ের প্রকাশ ঘটিয়েছেন, যে নীরব গণপ্রতিরোধের সূচনা করেছেন তার ওপর ভিত্তি করেই দ্রুততম সময়ে ব্যাপক গণআন্দোলন গড়ে উঠবে। সরকারকে বিদায় করে এই দেশে জনগণের অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন ও জবাবদিহিমূলক শাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করবে। এই লড়াইয়ে গণসংহতি আন্দোলনকে আরও ব্যাপকভাবে ভূমিকা পালন করার জন্য সারা দেশের নেতাকর্মীদের সংগঠন গড়ে তোলা ও সংগ্রাম জোরদার করার আহ্বান জানান সাকি।

এতে আরও বক্তব্য রাখেন দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সমন্বয়কারী আবুল হাসান রুবেল। সভায় কেন্দ্রীয় কমিটির নেতৃবৃন্দ, জাতীয় পরিষদের সদস্য এবং বাছাইকৃত প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

তিন বছর পর ওটিটিতে ফিরছেন বিদ্যা সিনহা মিম

আলোচিত তাইয়েবা হত্যা মামলার প্রধান আসামির জামিন

ক্রীড়াঙ্গনের কিংবদন্তি আবদুস সাদেক আর নেই

ইরান চুক্তি ও ট্রাম্পের ওপর ভীষণ ক্ষুব্ধ অনেক ইসরায়েলি

শ্রমিক লাঞ্ছিতের ঘটনায় কারখানায় উত্তেজনা, সাংবাদিকদের প্রবেশে বাধা

প্রগতিশীল গণতান্ত্রিক দলের চেয়ারম্যান মনিরুল, মহাসচিব আমানতউল্লাহ

বড় পর্দায় ফেরার অপেক্ষায় ফারিন

ইঁদুরে তার কাটায় রাজধানীতে দীর্ঘ সময় বন্ধ ছিল এআই ক্যামেরা!

ট্রাম্পের শান্তি চুক্তিতে অশান্তি করতে পারেন নেতানিয়াহু : মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা

ঢাকা কলেজে ছাত্রশিবিরের বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ

১০

বাজেট ঘোষণার পর নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম বাড়েনি, এটা ইতিহাসে প্রথম : পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

১১

প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া-চীন সফরে গুরুত্ব পাবে যেসব বিষয়

১২

ব্রাজিলের জয়ে মাথা ন্যাড়া, কথা রাখলেন আর্জেন্টিনা সমর্থক রাফি

১৩

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের এমওইউ নিয়ে হোয়াইট হাউসের বার্তা

১৪

বিশ্ব শরণার্থী দিবস ২০২৬ : ‘যতক্ষণ না সবাই নিরাপদ’

১৫

বেনজীরকে ফেরাতে দুবাইয়ে ১৪৪ পৃষ্ঠার নথি পাঠানো হয়েছে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১৬

আগামী সপ্তাহে মধ্যপ্রাচ্য সফরে যাচ্ছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

১৭

শেষ হলো আন্তর্জাতিক দৌড় প্রতিযোগিতার ৩য় আসর

১৮

পেনশনে বড় সুখবর : ৫ বছর চাকরিতেই সুবিধা, সর্বোচ্চ হার ৯০ শতাংশ

১৯

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার চাপ সামলাতে বাড়তে পারে ট্রাইব্যুনাল: চিফ প্রসিকিউটর

২০
X