কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ১৩ নভেম্বর ২০২৪, ১২:১৩ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

সংবিধান সংশোধন নিয়ে শায়খ আহমাদুল্লাহর প্রস্তাবনা

জনপ্রিয় ইসলামি বক্তা শায়খ আহমাদুল্লাহ। ছবি : সংগৃহীত
জনপ্রিয় ইসলামি বক্তা শায়খ আহমাদুল্লাহ। ছবি : সংগৃহীত

সংবিধান সংশোধন কমিশনের কার্যক্রম ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। এ সংক্রান্ত এক আলোচনা সভায় আমন্ত্রণ পেয়েছেন জনপ্রিয় ইসলামি বক্তা শায়খ আহমাদুল্লাহ। দেশের বাইরে অবস্থান করায় এতে তিনি উপস্থিত থাকতে পারবেন না। তবে শায়খ আহমাদুল্লাহর পক্ষ থেকে লিখিত প্রস্তাবনাসহ প্রতিনিধি উপস্থিত থাকবেন বলে জানানো হয়েছে।

বুধবার (১৩ নভেম্বর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এ তথ্য জানিয়ে নিজের প্রত্যাশা ও প্রস্তাবানার কথা জানিয়েছেন শায়খ আহমাদুল্লাহ।

পোস্টে শায়খ আহমাদুল্লাহ লিখেছেন, দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের বিশ্বাস ও মূল্যবোধ ধারণকারী একটি সংবিধান আমাদের প্রত্যাশা। যেখানে আমাদের বিশ্বাস, মূল্যবোধ ও সংস্কৃতির প্রতি শ্রদ্ধাবোধ প্রতিফলিত হবে।

তিনি লেখেন, ইতোমধ্যে সংবিধান সংশোধন কমিশনের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। সংবিধান সংশোধন বিষয়ে সর্বস্তরের প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিতব্য এক আলোচনা সভায় আমন্ত্রণ পেয়েছি। দেশের বাইরে অবস্থান করায় উক্ত সভায় উপস্থিত হতে না পারলেও লিখিত প্রস্তাবনাসহ আমার প্রতিনিধি উপস্থিত থাকবেন ইনশাআল্লাহ। আশা করি, জাতীয় জীবনের এই গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে সংশ্লিষ্ট মহল সুবিবেচনা ও প্রজ্ঞার পরিচয় দেবেন। কমিশনের সদস্যরা ইতোমধ্যে অংশীজনদের মতামত ও প্রস্তাব নেওয়া শুরু করেছেন। আমরা তাদের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানাই।

পোস্টের প্রথম কমেন্টে তিনি লিখেছেন, সংবিধান সংশোধনের ক্ষেত্রে কয়েকটি বিষয় তারা বিবেচনা করবেন বলে আশা করছি।

১. সংবিধানে এ দেশের গরিষ্ঠ সংখ্যক মানুষের ধর্মীয় বিশ্বাস, মূল্যবোধ ও সংস্কৃতির প্রতি শ্রদ্ধবোধ প্রতিফলিত হতে হবে। সংবিধানে এ রকম কোনো ধারা-উপধারা সংযোজন করা যাবে না এবং থাকলে অপসারণ করতে হবে, যা এদেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের ধর্মীয় বিশ্বাস, মূল্যবোধ ও চেতনার পরিপন্থি।

২. সংবিধানের শুরুতে ‘আল্লাহর ওপর আস্থা ও বিশ্বাস হবে প্রজাতন্ত্রের সকল কাজের ভিত্তি’ এই বাক্য পুনঃসংযোজন করতে হবে, যা বিগত সরকার সংবিধান থেকে অপসারণ করেছে।

৩. সংবিধান থেকে ধর্মনিরপেক্ষতা ও সমাজতন্ত্রের বিলোপ করতে হবে। কারণ এটি এ দেশের মানুষের চিরায়তের মূল্যবোধের বিরোধী।

৪. শিক্ষার সকল স্তরে ধর্মীয় শিক্ষার ব্যবস্থা থাকতে হবে। বিষয়টি সাংবিধানিকভাবে বাধ্যতামূলক করতে হবে।

আশা করি, সংশ্লিষ্ট মহল সুবিবেচনার পরিচয় দেবেন।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ফার্মগেট ও এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে অবরোধ শিক্ষার্থীদের

দুর্ঘটনার কবলে এমপি প্রার্থী

সন্তানের জন্মের পর নারীদের মধ্যে বাড়ছে অবসাদ উদ্বেগ

শীত নিয়ে আবহাওয়া অফিসের নতুন বার্তা

নীরবতা ভাঙলেন সাকিব, মুখ খুললেন মুস্তাফিজ ইস্যুতে

গুম-খুনের মামলায় জিয়াউলের বিচার শুরু 

হলিফ্যামিলি হাসপাতালে হামলার নিন্দা / চিকিৎসকদের জন্য নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিতের দাবি ড্যাবের

আ.লীগের অর্ধশতাধিক নেতাকর্মীর বিএনপিতে যোগদান

দুই দফা অ্যাম্বুলেন্স আটক, রোগীর মৃত্যু

বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য অস্ট্রেলিয়ার স্টুডেন্ট ভিসা প্রক্রিয়া আরও কঠিন

১০

বিকেলে আসন সমঝোতা নিয়ে ঘোষণা দেবে ১১ দল

১১

আলী রীয়াজের সঙ্গে ইউরোপীয় ইউনিয়ন নির্বাচন পর্যবেক্ষণ সদস্যদের সাক্ষাৎ 

১২

থাইল্যান্ডে চলন্ত ট্রেনের ওপর ক্রেন ভেঙে পড়ে নিহত ২২

১৩

আইপিএল, বিগ ব্যাশ মাতানো বিধ্বংসী অলরাউন্ডার এবার বিপিএলে

১৪

শীর্ষ সন্ত্রাসী ইলিয়াসের বাসায় সেনাবাহিনীর হানা

১৫

মানবতাবিরোধী অপরাধ / জিয়াউলের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন হবে কি না, জানা যাবে আজ

১৬

এনসিপি ছাড়ার কারণ জানালেন তাসনিম জারা

১৭

চাঁদাবাজির অভিযোগে বৈছাআ নেতা সাকিবসহ আটক ৩

১৮

বিকল্প প্রার্থীদের নিয়ে কী ভাবছে বিএনপি, যা জানা গেল

১৯

বিক্ষোভে উত্তাল ইরানে নিহত ২৪০০-এর বেশি : মার্কিন সংস্থা

২০
X