কালবেলা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৭ অক্টোবর ২০২৩, ০৯:৪৩ পিএম
আপডেট : ০৭ অক্টোবর ২০২৩, ০৯:৫৭ পিএম
অনলাইন সংস্করণ
সেমিনারে বক্তারা

অর্থনৈতিক স্বাধীনতা ছাড়া নারীর চলার পথ সহজ হবে না

‘নারী নেতৃত্ব বিকাশ কর্মসূচি’র আওতাধীন ‘বিকশিত নারী নেটওয়ার্ক’-এর অষ্টম জাতীয় সম্মেলনে অতিথিরা। ছবি : কালবেলা
‘নারী নেতৃত্ব বিকাশ কর্মসূচি’র আওতাধীন ‘বিকশিত নারী নেটওয়ার্ক’-এর অষ্টম জাতীয় সম্মেলনে অতিথিরা। ছবি : কালবেলা

শিক্ষা, স্বাস্থ্যসহ অনেক ক্ষেত্রে নারীরা উন্নতি করেছেন। তবে নারীর অর্থনৈতিক মুক্তি এখনো আসেনি। নারীদের নিজেদের জন্য এবং সমাজের জন্য অর্থনৈতিক মুক্তি আনতে হবে। অর্থনৈতিক স্বাধীনতা ছাড়া নারীর চলার পথ সহজ হবে না।

আন্তর্জাতিক স্বেচ্ছাব্রতী সংস্থা দ্য হাঙ্গার প্রজেক্ট-এর ‘নারী নেতৃত্ব বিকাশ কর্মসূচি’র আওতাধীন ‘বিকশিত নারী নেটওয়ার্ক’-এর অষ্টম জাতীয় সম্মেলনে বক্তারা এসব কথা বলেন।

আজ শনিবার (৭ অক্টোবর) রাজধানীর কাকরাইলে ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ভবনে এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ-সিপিডির সম্মানীত ফেলো ড. রওনক জাহান। তিনি বলেন, দেশের নারীরা অনেকটাই এগিয়েছেন, নিজেকে স্বাবলম্বী হিসেবে গড়ে তুলেছেন। তবে এখনো বাল্যবিয়ে, নারী নির্যাতনের মতো ঘটনা অনেক বেশি ঘটছে। তৃণমূলের নারীরা একে অপরের পাশে দাঁড়ালে নির্যাতন, বাল্যবিয়ে কমে আসবে।

হাঙ্গার প্রজেক্টের গ্লোবাল ভাইস প্রেসিডেন্ট ও কান্ট্রি ডিরেক্টর বদিউল আলম মজুমদার বলেন, নারীমুক্তি মানেই নারীশক্তি। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে মানসিকতা ও দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন সম্ভব। নেটওয়ার্ক তা করে দেখিয়েছে। এখানে একজন নারী অপরজনকে সহায়তা করে প্রজ্বলিত করেছেন। এভাবে এগোলে আত্মনির্ভরশীল, সমৃদ্ধ ও মর্যাদার বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব।

মানবাধিকার সংগঠক হামিদা হোসেন বলেন, তৃণমূলের নারীদের কাছ থেকে অনেক কিছু শেখার আছে। নারীর বিরুদ্ধে ঘটা ঘটনার ক্ষেত্রে মানবাধিকার ও নারীবিষয়ক সংগঠনগুলো একসঙ্গে কীভাবে কাজ করতে পারে, সেটা দেখা দরকার।

নারী উদ্যোক্তা তাজিমা হোসেন মজুমদার বলেন, নারীদের স্বাবলম্বী হয়ে অর্থনৈতিক স্বাধীনতা অর্জন করতে হবে। তা না হলে তারা এগোতে পারবেন না।

সম্মেলনে নারী নেতৃত্ব বিকাশ কর্মসূচির প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন দ্য হাঙ্গার প্রজেক্টের কর্মসূচি পরিচালক নাছিমা আক্তার। তিনি জানান, বিকশিত নারী নেটওয়ার্কের ইউনিয়ন কমিটি ১১৯টি ও উপজেলা কমিটি ৬৮টি। নারী নেটওয়ার্কের নারী নেত্রীরা বাল্যবিয়ে ও ইভটিজিং বন্ধ করা, জন্মনিবন্ধন, স্যানিটেশন, নিরাপদ মাতৃত্বসহ বিভিন্ন সামাজিক কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।

নারী নেত্রীদের অংশগ্রহণে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, র‍্যাফেল ড্র ও বিকশিত নারী নেটওয়ার্কের নতুন কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটি গঠনের মধ্য দিয়ে সম্মেলনের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

গোয়েন্দা সংস্থাকে নিয়ে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর প্রচারণা অনাকাঙ্ক্ষিত

বিশ্বকাপ খেলা নিয়ে বিসিবির সঙ্গে বৈঠকে বসছে আইসিসি

তারেক রহমানের নিরাপত্তা টিমে যুক্ত হলেন আরও ৩ জন

জকসুর ভোট গণনা নিয়ে যা জানাল নির্বাচন কমিশন

আগ্রাসনবিরোধী আন্দোলনের উদ্যোগে ‘জুলাই বীর সম্মাননা’ অনুষ্ঠান বুধবার 

বিশ্বকাপে ভারতে না গেলে আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়বে বিসিবি!

কৃষক লীগ নেতা আব্দুর রহমান গ্রেপ্তার

চট্টগ্রামে জামায়াতের কোটিপতি প্রার্থী, সম্পদ কত?

ঝালকাঠিতে ইনসাফ মঞ্চের যাত্রা শুরু

বরিশালের সাবেক মেয়র সাদিক আবদুল্লাহর বিরুদ্ধে দুর্নীতির মামলা

১০

১০ জেলায় শৈত্যপ্রবাহ অব্যাহত থাকবে

১১

সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য জরুরি নির্দেশনা

১২

বিএনপিকে পত্রপল্লবে সজ্জিত করেছেন বেগম খালেদা জিয়া : কায়সার কামাল

১৩

ব্যালেট পেপার হাতে পেয়ে খুশি মালদ্বীপ প্রবাসীরা

১৪

খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় নিকডু শিক্ষক সমিতির দোয়া মাহফিল 

১৫

সোনারগাঁয়ে যুবলীগ নেতা জাকির ও নেত্রী রোজি গ্রেপ্তার

১৬

নিহত যুবদল নেতার স্ত্রী হলেন পল্লবী থানা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক 

১৭

নির্বাচন নিয়ে কোনো ষড়যন্ত্র জনগণ মেনে নেবে না : মিলন

১৮

তিন বছর পর বুবলীর ‘প্রেশার কুকার’

১৯

মাছ ধরতে গিয়ে ঠান্ডায় জেলের মৃত্যু

২০
X