কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ১১ নভেম্বর ২০২৩, ১০:১৮ এএম
অনলাইন সংস্করণ

ক্ষমতা দখলের পর বড় চ্যালেঞ্জে মিয়ানমারের জান্তা

সেনাঘাঁটি লক্ষ্য করে ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র। ছবি : এএফপি
সেনাঘাঁটি লক্ষ্য করে ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র। ছবি : এএফপি

ক্ষমতা দখলের পর বড় চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে মিয়ানমারের জান্তা সরকার। দেশটির বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলো নতুন করে জোটবদ্ধ হওয়ায় সরকারের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ দেখা দিয়েছে। দ্য গার্ডিয়ানের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

মিয়ানমারের ‘ন্যাশনাল লিবারেশন আর্মি’ (টিএনএলএ), ‘আরাকান আর্মি’ (এএ) এবং ‘মিয়ানমার ন্যাশনাল ডেমোক্র্যাটিক অ্যালায়েন্স আর্মি’ (এমএনডিএএ) নতুন করে জোটবদ্ধ হয়েছে। এবার তারা জান্তার বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করেছে। এ জোট দেশটির অন্যতম প্রধান বাণিজ্য রুট এবং চীনের সীমান্তবর্তী শান রাজ্যের কয়েকটি দখল করেছে। এ ছাড়া তারা সেখানকার কয়েকটি ফাঁড়িরও নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে।

জাতিসংঘের মানবাধিকার সংস্থা জানিয়েছে, শান রাজ্যে সেনা ও বিদ্রোহী গোষ্ঠীদের মধ্যকার সংঘর্ষের জেরে আতঙ্কিত হয়ে অন্তত ৯০ হাজার মানুষ ঘরছাড়া হয়েছেন।

সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, বিদ্রোহীদের মোকাবিলায় সেনাবাহিনী তাদের ওপর বিমান হামলা চালিয়েছে। জান্তার প্রধান মিন অং হ্লেইং হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, তাদের কঠোর হস্তে মোকাবিলা করা হবে। ফলে এ জোট তাদের নিয়ন্ত্রিত এলাকা ধরে রাখতে পারে কিনা সেটাই দেখার বিষয়।

ন্যাশনাল লিবারেশন আর্মির (টিএনএলএ) মুখপাত্র ও ডেপুটি জেনারেল তার পার্ন লা বলেন, তারা অভিযান চালিয়ে শতাধিক সামরিক ফাঁড়ির দখল নিয়েছেন। যদিও তাদের দাবির সত্যতা যাচাই করা যায়নি।

এর আগে গত সপ্তাহে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী স্বীকার করে যে তারা বেশ কয়েকটি শহরের নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছে। এর মধ্যে তাদের কৌশলগত বাণিজ্যের শহর চিনশওয়েহাও রয়েছে। এটি চীনের ইয়ুন্নান প্রদেশের সীমান্তবর্তী শহর। এ অঞ্চল দিয়ে গতে এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চার মাসে মিয়ানমার ১ দশমিক ৮ বিলিয়ন ডলারের বাণিজ্য করেছে।

বিদ্রোহীদের তিনটি দল জোটবদ্ধ হওয়ায় জান্তা ক্ষমতা দখলের পর সবচেয়ে বড় সংকটের মধ্যে পড়েছে। গত আড়াই বছরের মধ্যে তাদের এমন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হয়নি। দেশটির এমন পরিস্থিতিতে উদ্বিগ্ন চীনও। তারনাও এ বিদ্রোহী দলগুলোর কাছে যুদ্ধবিরতির আাহ্বান জানালেও তাতে সাড়া দেয়নি জোট।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

অভিনেতা আলভীর ১০ দিনের রিমান্ড চেয়েছে পুলিশ

আশুরার রোজা রাখার সঠিক নিয়ম

কুড়িগ্রামে নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি, বন্যার আশঙ্কা

ঋণে জর্জরিত হয়ে শিক্ষকের আত্মহত্যা

নাহিদা আক্তারের রেকর্ড

জামিন পেলেন ‘অগ্রযাত্রা প্রতিদিন’র ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক রেজানুর ইসলাম

বিদেশি শিক্ষার্থীদের ‘শর্ট-টার্ম গ্র্যাজুয়েট ভিসা’ দিচ্ছে নিউজিল্যান্ড

১১ বলে হাফ সেঞ্চুরি, ক্রিকেট বিশ্বকে তাক লাগালেন সূর্যবংশী

পূর্ববর্তী সরকারের গাফিলতিতেই টিকা সংকট: ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার

গণশুনানিতে নির্ধারণ হবে বগুড়ার সেই ৩ ইউনিয়নের নতুন নাম

১০

যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের বৈঠকে বসতে সুইজারল্যান্ডে পাকিস্তানের সেনাপ্রধান

১১

নবম পে-স্কেল / শুরুতেই ১০০% বেসিক দাবি, আংশিক বাস্তবায়ন শুভঙ্করের ফাঁকি!

১২

সরকারি কর্মসূচিতে বিতর্কিত নেতার উপস্থিতি, তদন্তে সিলেট জেলা প্রশাসন

১৩

সুইজারল্যান্ডে পৌঁছেছে ইরানের প্রতিনিধি দল 

১৪

ফের বাড়ছে তিস্তার পানি, আতঙ্কে চরাঞ্চলের মানুষ

১৫

অনিশ্চয়তার মধ্যেও সুইজারল্যান্ডে ভ্যান্স, নজর ইরানের ইউরেনিয়ামে

১৬

২৫ হাজার মিডওয়াইফ নিয়োগ দেবে সরকার

১৭

বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে সুইডেনের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

১৮

পাথরবোঝাই ট্রাক খাদে উল্টে চালক-সহকারী নিহত

১৯

ব্রাজিল-হাইতি ম্যাচে স্টেডিয়ামে বাংলাদেশের পতাকা

২০
X