কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ০৮ অক্টোবর ২০২৫, ১২:৫২ পিএম
আপডেট : ০৮ অক্টোবর ২০২৫, ০১:১৯ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

আদালতে বিচারককে গুলি করে হত্যা

ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

আলবেনিয়ার রাজধানী তিরানার আপিল আদালতে বিচার চলাকালীন একজন বিচারককে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। আসামি পক্ষের লোকই তাকে গুলি করে। হামলাকারী বাদী বাবা-ছেলের ওপরও গুলি চালায়। তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

বুধবার বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, বিচারক অ্যাস্ট্রিট কালাজা হাসপাতালে নেওয়ার পথে মারা গেছেন। সম্পত্তি বিরোধের শুনানিকালে এ হামলা হয়। হামলায় বাদী বাবা ও ছেলে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। তবে তাদের আঘাত প্রাণঘাতী নয়।

পুলিশ জানিয়েছে, তারা ৩০ বছর বয়সী একজন পুরুষ সন্দেহভাজনকে গ্রেপ্তার করেছে। যাকে তারা ‘ই শ’ নামের আদ্যাক্ষর দিয়ে শনাক্ত করেছে। তবে আলবেনিয়ান মিডিয়া সন্দেহভাজনের নাম এলভিস শকাম্বি বলে উল্লেখ করেছে।

হামলাকারীর চাচা মামলার একজন আসামি। তাকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ ছাড়া বিচারক নিহতের ঘটনায় আদালতের একজন নিরাপত্তারক্ষীকেও গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। কর্তৃপক্ষের দাবি, অভিযুক্ত নিরাপত্তারক্ষী বন্দুকধারীকে ভবনে ঢুকতে দিয়েছিলেন। তার হাতে একটি ধাতব ডিটেক্টর থাকার পরও তিনি ব্যবস্থা নেননি।

আলবেনিয়ান রাজ্য পুলিশ জানিয়েছে, শকাম্বি রায় ঘোষণার পরপরই তার বেল্ট থেকে পিস্তলটি বের করে বিচারক কালাজাকে বেশ কয়েকবার গুলি করেন। এরপর তিনি দুই বাদীর ওপর বন্দুক তাক করেন বলে অভিযোগ। গুলিতে উভয়ই আহত হন।

আদালতের কর্মকর্তারা জানান, ৬৩ বছর বয়সী নিরাপত্তা কর্মকর্তা বিকে অভিযুক্ত দুই ব্যক্তিকে শারীরিকভাবে পরীক্ষা বা প্রোটোকল বই-এ তাদের নথিভুক্ত করেননি। অথচ আপিল আদালতে প্রবেশকারী বা বেরিয়ে আসা সকল ব্যক্তির নাম রেকর্ড করতে হয়।

সন্দেহভাজন ব্যক্তি এবং তার চাচা শুনানির প্রায় এক ঘণ্টা আগে লবিতে ঘুরে বেড়াচ্ছিলেন। গুলি চালানোর পর শকাম্বি কক্ষ থেকে বেরিয়ে আদালতের একজন কেরানির কাছে পিস্তলটি হস্তান্তর করেন।

পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার সময় তার চাচা ভাতিজাকে আটকানোর কোনো পদক্ষেপ নেননি। বিষয়টি যুক্তিসংগত সন্দেহ তৈরি করে যে, তিনি মামলার বিচারককে হত্যার পরিকল্পনা সম্পর্কে আগেই জানতেন। হতে পারে তিনি নিজেও হত্যায় সহায়তাকারী বা উসকানিদাতা ছিলেন।

কালবেলা/এএএম/এমএইচ
কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

কমছে বাংলাদেশি পাসপোর্টের সক্ষমতা, ভিসা সুবিধায় অনেক এগিয়ে উগান্ডা

ইস্তাম্বুলের অলিগলিতে আধুনিকতার ছোঁয়া: মেট্রো পাল্টে দিয়েছে শহরের চিত্র

আর্জেন্টিনাকে স্পেনের হারানোর ম্যাচটি দেখেছেন ৬৩ মিলিয়ন মানুষ

গাজী নজরুলের এমপি পদ থাকবে কি না, ব্যাখ্যা দিলেন শিশির মনির

জামায়াতের যুদ্ধাপরাধের বিষয়টি বহুল আলোচিত ও সুপ্রতিষ্ঠিত: চরমোনাই পীর  

আন্তঃজেলা চোর চক্রের ৩ সদস্য গ্রেপ্তার

শিশু ধর্ষণ মামলায় যুবকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

মোটরসাইকেল-অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে পরীক্ষার্থী নিহত

রজার্সকে কিনতে ট্রান্সফার ফির যে রেকর্ড ভাঙল চেলসি

ইরানের ৪ ড্রোন ভূপাতিত করল জর্ডান

১০

মাদ্রাসাছাত্রকে রড দিয়ে পিটিয়ে নির্যাতন, শিক্ষক আটক

১১

বিশ্বমঞ্চে লাল-সবুজের কণ্ঠ খুঁজছে ‘ভয়েস অব বাংলাদেশ’

১২

জাবি মেডিকেলে ওষুধ কারচুপি ও অব্যবস্থাপনার তদন্তের দাবিতে মানববন্ধন

১৩

পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা হলে যুক্তরাষ্ট্রকে শক্তিশালী জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি ইরানের

১৪

চট্টগ্রাম বন্দরের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা, মন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চাইল চিটাগং চেম্বার

১৫

বিদ্যুৎ বিল আদায় করবে বেসরকারি খাত: জ্বালানি মন্ত্রী

১৬

দুই মাসের মধ্যে মহাসড়কে চাঁদাবাজি বন্ধ হবে: হাইওয়ে পুলিশপ্রধান

১৭

এক পায়ে দাঁড়িয়ে থাকার আশ্চর্যজনক ৪ উপকারিতা

১৮

এমপি পদ হারানো নিয়ে কী বলছে সংবিধান?

১৯

বরিশালের গল্পে জামিল-মুনমুনের নাটক ‘আজব শহর’

২০
X