ভারতের দিল্লির কাছে হরিয়ানার নুহ এলাকায় একটি তেলের ট্যাংকারে দ্রুতগতির রোলস রয়েসের ধাক্কায় দুজন নিহত হয়েছে। গত মঙ্গলবার (২২ আগস্ট) নয়াদিল্লি-মুম্বাই মহাসড়কে এ ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনার সময় রোলস রয়েস গাড়িটি ২৩০ কিলোমিটার বেগে চলছিল বলে জানিয়েছে এনডিটিভি।
দুর্ঘটনায় পেট্রোল ট্যাংকারের চালক রামপ্রীত এবং তার সহকারী কুলদীপ নিহত হয়েছেন। এ ছাড়া আহত তিনজনকে গুরগাঁও হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। তারা হলেন চণ্ডীগড়ের দিব্যা ও তসবির এবং দিল্লির বিকাশ।
স্থানীয় এক ব্যক্তি বলেন, ‘দুর্ঘটনার খবরে আমরা পাঁচ-ছয় মিনিটের মধ্যে ঘটনাস্থলে পৌঁছে যাই। ততক্ষণে দুর্ঘটনা শেষ হয়ে গেছে। তবে তখনো ট্যাংকারটি আগুনে পুড়ছিল। কিন্তু গাড়িতে কেউ ছিল না। তারা পালিয়ে যায়।
এর আগে পুলিশ জানিয়েছিল, রোলস রয়েসের পাঁচ যাত্রীকে দ্রুত সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল। সম্ভবত তাদের আত্মীয় বা পেছন থেকে তাদের অনুসরণকারীরা এমনটা করেছে।।
আরেক প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, ‘একসঙ্গে সাত-থেকে আটটি গাড়ি ছিল। এগুলোর সব গুলাই সুপার কার। এদের সামনে ও পেছনেও আরও গাড়ি ছিল। দুর্ঘটনাকবলিত গাড়ির লোকদের তারাই সরিয়ে নিয়ে যায়।’
তিনি জানান, ট্যাংকারটি মোড় নেওয়ার সময় এই দুর্ঘটনা ঘটে। তবে রাস্তা ফাঁকাই ছিল। গাড়িটি অত্যন্ত দ্রুতগতিরর হওয়ায় এমনটা হয়েছে। কন্ট্রোল রুমে এই গাড়ির গতি ২৩০ কিলোমিটার রেকর্ড করা হয়েছে।
নুহ থানা পুলিশের সহকারী উপপরিদর্শক অশোক কুমার এনডিটিভিকে বলেন, ট্যাংকারে থাকা ব্যক্তিরা এই রুটে নিয়মিত যাতায়াত করেন। দুর্ঘটনার সময় দুটি গাড়িই দিল্লি থেকে আসছিল।
তিনি বলেন, ‘প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছেন, গাড়িটি দ্রুত গতিতে চলছিল। এর ফলেই দুর্ঘটনা ঘটেছে। তবে এই কারণেই এ দুর্ঘটনা ঘটেছে কিনা, আমরা এই মুহূর্তে নিশ্চিত করতে পারছি না। কত গতিতে গাড়িটি চালানো হয়েছিল, তাও বলা যাচ্ছে না। তবে তদন্ত চলছে।’
পুলিশের এই কর্মকর্তা আরও বলেন, দুর্ঘটনাস্থলে ইউ-টার্ন নেওয়ার মতো জায়গা রয়েছে। আসলে কী ঘটেছিল তা আমরা বের করার চেষ্টা করছি। আমরা বর্তমানে আহতদের বক্তব্য নিচ্ছি। শিগগিরই গুরগাঁও হাসপাতালে যাব।
মন্তব্য করুন