কালবেলা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৫ জুন ২০২৫, ১১:২১ এএম
অনলাইন সংস্করণ

ইসরায়েলকে গুঁড়িয়ে দিতে ইরান যেসব ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে

ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

ইরান আবারও দখলকৃত ইসরায়েলের বিভিন্ন স্থানে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। শনিবার রাতে ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড কর্পস বা আইআরজিসিতের মহাকাশ ইউনিট এই অভিযান পরিচালনা করে।

ইরানি গণমাধ্যম বলছে, এই হামলায় ‘ইমাদ, গাদ ও খাইবার শেকান নামের আধুনিক ও দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহৃত হয়েছে।

ইমাদ হচ্ছে গাদর ক্ষেপণাস্ত্রের আধুনিক ও নির্ভুল ওয়রহেডযুক্ত সংস্করণ। এটি প্রবেশ করার পর দিক ও গতি নিয়ন্ত্রন করতে পারে, যা লক্ষ্যবস্তুতে আরও নির্ভুল আঘাত হানতে সহায়তা করে। ২০১৫ সালের শেষ দিকে পরীক্ষায় উত্তীর্ণ এই ক্ষেপণাস্ত্রটি ১৫.৫ মিটার লম্বা ও ওজন প্রায় ১ হাজার ৭৫০ কেজিতে পৌঁছেছে। এর পাল্লা রয়েছে ১ হাজার ৭০০ কিলোমিটার পর্যন্ত।

অন্য দিকে গাদর হচ্ছে শাহাব-৩ ঘরানার মধ্যপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র যা ২০০৩ সাল থেকে ব্যবহৃত হচ্ছে। এটি ২০০৫ সালে আধুনিকীকরণ করা হয়। গাদর রয়েছে তিনটি ধরনের—গাদর-এস, গাদর-এইচ ও গাদর-এফ। এগুলো ১ হাজার ৩৫০ কিলোমিটার থেকে শুরু করে প্রায় ২ হাজার কিলোমিটার পর্যন্ত যেতে পারে। ওজন ও জ্বালানি ব্যবস্থায় কিছু পরিবর্তন আনার মাধ্যমে এর নির্ভুলতা ও দূরত্ব বাড়ানো হয়েছে।

অন্যটি হচ্ছে খাইবার শেকান, যা মধ্যপাল্লার ও উচ্চ নির্ভুলতা সম্পন্ন। এটি ১ হাজার ৪৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত আঘাত হানতে পারে এবং অ্যারো-৩ ও ডেভিড’স লিং-এর মতো আধুনিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা অল্পতেই এড়াতে পারে। ঘন ঘন ব্যবহারের উপযুক্ত এই ক্ষেপণাস্ত্রটি কঠিন জ্বালানি ব্যবহারের কারণে অল্প সময়ের মধ্যেই নিক্ষেপের জন্য প্রস্তুত করা যায়।

শনিবার রাতে শুরু হওয়া এই অভিযানটি ‘ইয়া আলী ইবন আবি তালিব’ নামে পরিচালিত হয়, যা ঈদ আল ঘাদীর সাথে সমন্বিত ছিল।

আইআরজিসির দাবি, এটি ছিল দখলকৃত অঞ্চলে তাদের সবচেয়ে বড় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা। এর মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ ঘাঁটি ও স্থাপনায় আঘাত করা হয়েছে।

ইরান বলছে, শুক্রবার ও শনিবার সকালে তেহরানে ও অপরাপর স্থানে যে হামলায় অনেক সেনা কমান্ডার ও সাধারণ মানুষ নিহত হন, এটা ছিল তারই জবাব।

মেহের নিউজ এজেন্সি

কালবেলা/পিআর
কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

জাতিসংঘে সেতুমন্ত্রী / সড়ক দুর্ঘটনা কমাতে শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান গড়ার আহ্বান 

জাতীয় স্মৃতিসৌধে বীর শহীদদের প্রতি ফিজিওথেরাপি অ্যাসোসিয়েশনের শ্রদ্ধা

বস্ত্র খাতের সমস্যা সমাধানে প্রধানমন্ত্রীর কমিটি গঠন

জামায়াত এমপির ড্রাইভারের নিরাপত্তা ইস্যুতে নীলা ইসরাফিলের ফেসবুক পোস্ট

প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে চলছে একনেক সভা 

সকালের নাশতা ছাড়া ব্যায়াম করা কি নিরাপদ? জানুন

২০২৭ সালের মধ্যে ‘সড়ক নিরাপত্তা আইন’ প্রণয়ন করবে সরকার

সুদানের চার অঙ্গরাজ্যে কলেরার সংক্রমণ, বাড়ছে উদ্বেগ

শিশু ধর্ষণ মামলার প্রধান অভিযুক্ত হাটহাজারী থেকে গ্রেপ্তার

ছাত্রশিবিরের উদ্যোগে দিনব্যাপী শাখা দায়িত্বশীল কর্মশালা অনুষ্ঠিত

১০

সেতুর পাশে পড়ে ছিল অজ্ঞাত নারীর মরদেহ 

১১

শোকেরও ছুটি নেই

১২

স্বামী ছিলেন জেলে, সংঘবদ্ধ ধর্ষণে স্ত্রী অন্তঃসত্ত্বা

১৩

ব্যাডমিন্টনের মাধ্যমে প্রবাসে বন্ধন ও সম্প্রীতির বার্তা

১৪

‘ইকোফিল’ উদ্যোগ চালু করল এনার্জিপ্যাক

১৫

টানা উত্তেজনায় পাঁচ সপ্তাহের সর্বোচ্চে তেলের দাম

১৬

প্রধানমন্ত্রীকে দেওয়া চিঠিতে দাবি / এমপি নজরুলের নির্দেশে হামলা হয়েছিল ড্রাইভারের ওপর

১৭

বিশ্ববাজারে দুই সপ্তাহের সর্বোচ্চে স্বর্ণের দাম

১৮

এলডিসি উত্তরণে প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর সুপারিশ ইকোসকের

১৯

থালাপতি বিজয়ের ‘জন নায়াগান’ / ৪৮ ঘণ্টায় বিক্রি ১৫ কোটি টাকার টিকিট

২০
X