কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ০৯:০২ এএম
আপডেট : ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ০৯:৩৬ এএম
অনলাইন সংস্করণ

মিসরের প্রস্তাব কেন ফিরিয়ে দিলেন আরব নেতারা

আব্দেল ফাত্তাহ আল-সিসি। ছবি : সংগৃহীত
আব্দেল ফাত্তাহ আল-সিসি। ছবি : সংগৃহীত

দখলদার ইসরায়েল রাষ্ট্র যে কোনো সময় যেকোনো প্রতিবেশী দেশে হামলা চালাতে পারে। সেই উপলব্ধি থেকেই মুসলিম তথা আরব বিশ্বকে বাঁচাতে ন্যাটোর আদলে একটি সামরিক বাহিনী গঠনের প্রস্তাব দিয়েছিল মিসর। কিন্তু আলোর মুখ দেখার আগেই সেই প্রস্তাবের মৃত্যু ঘটেছে। এখন এ নিয়ে নানা চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ্যে আসতে শুরু করেছে। কেন সেই পরিকল্পনা ভেস্তে যায়, তা নিয়ে অবাক করা তথ্য দিয়েছেন মিসরের একজন জ্যেষ্ঠ কূটনীতিক।

কাতারে কয়েক দিন আগে ইসরায়েল হামলা চালানোর পর দোহায় এক জরুরি সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সেখানেই বিশ্বের সবচেয়ে বড় সামরিক জোট ন্যাটোর আদলে একটি বাহিনী গঠনের প্রস্তাব দিয়েছিল মিসর। কিন্তু সবাইকে অবাক করে দিয়ে কাতার ও সংযুক্ত আরব আমিরাত সেই প্রস্তাব আটকে দেয়। খবর মিডল ইস্ট আইয়ের।

পরে মিসরের একজন জ্যেষ্ঠ কূটনীতিক জানান, ১৯৫০ সালের যৌথ প্রতিরক্ষা ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা চুক্তির অধীনে মিশর একটি প্রতিরক্ষামূলক আঞ্চলিক বাহিনী প্রস্তাব করেছিল। যার লক্ষ্য ছিল সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে বহিরাগত হুমকি, বিশেষ করে ইসরায়েলের হাত থেকে রক্ষা করার জন্য একটি দ্রুত-প্রতিক্রিয়াশীল জোট প্রতিষ্ঠা করা।

তবে কাতার ও আমিরাতের কারণে সেই পরিকল্পনা ভেস্তে যায়। মূলত বিদেশি শক্তির ওপর নির্ভর না করে আঞ্চলিক সুরক্ষার দায়িত্ব নিজেদের কাঁধেই তুলে নিতে চেয়েছিলেন আরব নেতারা। কিন্তু কোন দেশ এই বাহিনীর নেতৃত্ব দেবে এ নিয়ে মতবিরোধ দেখা দেয়। সৌদি আরব বাহিনীর নেতৃত্ব দিতে চেয়েছিল। কিন্তু নিজেদের দীর্ঘ সামরিক অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে মিসর নেতৃত্ব নিতে চেয়েছিল। শেষ পর্যন্ত এমন একটি বাহিনী গঠনের পরিকল্পনা ব্যর্থ হয়। এরপরই সৌদি আরব পারমাণবিক শক্তিধর পাকিস্তানের সঙ্গে প্রতিরক্ষা চুক্তি করে। ইসরায়েলের ক্রমবর্ধমান উচ্চাভিলাষের জন্য এমন কাজ করে রিয়াদ।

এর বাইরে ইরান বা তুরস্ক প্রশ্নেও একমত হতে পারেননি মুসলিম বিশ্বের নেতারা। বিশেষ করে ইরান ও তুরস্ককে এই জোটের বাইরে রাখার মত দেয় উপসাগরীয় দেশগুলোর নেতারা। তারা চেয়েছিলেন এই জোটের সদস্য শুধু উপসাগরীয় দেশগুলোই হবে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত কিছু না ঘটায় একরাশ হতাশা নিয়েই দেশে ফেরেন মিসরের প্রেসিডেন্ট আব্দেল ফাত্তাহ আল-সিসি।

কালবেলা/এএএম
কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ঘটনাপ্রবাহ: ফিলিস্তিন-ইসরায়েল সংঘাত
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

রাষ্ট্রপতি পদত্যাগ করলে এরপর কী? জেনে নিন সংবিধানের বিধান

রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের আলোচনা, সফর সংক্ষিপ্ত করে আজই দেশে ফিরছেন স্পিকার

অবশেষে ২৬ দিনের অনশন ভাঙলেন সোনম ওয়াংচুক

দুর্যোগ তহবিল আটকে দেওয়ায় ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে মামলা

সকালের মধ্যেই ঢাকাসহ ১০ জেলায় হতে পারে ঝোড়ো হাওয়াসহ বজ্রবৃষ্টি

ইইউসহ ৬০ বাণিজ্য দেশের উপর যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্ক আরোপ

বরগুনা জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়কের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা

জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধনে অনিয়ম বরদাশত করা হবে না: সিসিক প্রশাসক

সিলেটে বিপৎসীমার কাছাকাছি নদ-নদীর পানি, আতঙ্কে নিম্নাঞ্চলের বাসিন্দারা

রোড রোলার প্রশিক্ষণে সুইডেন সফরের খবর ভিত্তিহীন: চসিক মেয়র

১০

ফাহিমা হত্যা মামলার প্রধান আসামিকে ফের আদালত চত্বরে হামলার চেষ্টা

১১

তদন্ত চলাকালেই বদলি চসিকের আলোচিত সেই প্রকৌশলী দম্পতি

১২

রাতে স্টেডিয়ামে গাঁজা সেবন, ভ্রাম্যমাণ আদালতে যুবকের কারাদণ্ড

১৩

পরশুরামে শিক্ষিকার ফ্ল্যাট থেকে কিশোরী গৃহকর্মীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

১৪

বিডার উদ্যোগে বাস্তবায়নের পথে ৪০০ মিলিয়ন ডলারের বেশি বিনিয়োগ

১৫

কমনওয়েলথ গেমসে উড়ছে লাল-সবুজের পতাকা

১৬

রেল অবরোধে ৩৫ লাখ টাকার ক্ষতির দাবি, দুঃখ প্রকাশ পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের

১৭

১২ গুরুত্বপূর্ণ সংস্থা, বোর্ড ও করপোরেশনে নতুন চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ

১৮

গ্যাস সংকটে সিএনজি স্টেশনে দীর্ঘ সারি, ভোগান্তিতে চালকরা

১৯

জোড়াতালি দিয়ে চলছে গলাচিপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, নেই পর্যাপ্ত চিকিৎসা ব্যবস্থা

২০
X