

লেবাননে সামরিক অভিযান আরও জোরদার করার বিষয়ে আলোচনা করতে যাচ্ছে ইসরায়েলের নিরাপত্তা মন্ত্রিসভা। আগামী বৃহস্পতিবার সাপ্তাহিক বৈঠকে লেবাননে স্থল অভিযান চালানো হবে কি না, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে বলে জানিয়েছে ইসরায়েলের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ইসরায়েল এখন শুধু আকাশ হামলার মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে সরাসরি সেনা পাঠিয়ে স্থল অভিযান চালানোর বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে ভাবছে। এ বিষয়ে দেশটির শীর্ষ নিরাপত্তা কর্মকর্তারা আলোচনা করছেন।
এদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প লেবাননে ইসরায়েলের সামরিক অভিযানের বিরোধিতা করেননি। তবে তিনি সম্প্রতি ফ্লোরিডায় ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে বৈঠকে লেবানন সরকারের সঙ্গে চলমান আলোচনার ফল না আসা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে বলেছেন।
নেতানিয়াহুর সঙ্গে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্প বলেন, হিজবুল্লাহ সঠিক আচরণ করছে না। তবে লেবানন সরকার সংগঠনটিকে নিরস্ত্র করতে কতটা সফল হবে, তা এখনো স্পষ্ট নয়।
অন্যদিকে, লেবাননের প্রধানমন্ত্রী নাওয়াফ সালাম দাবি নাকচ করে বলেছেন, হিজবুল্লাহর অস্ত্র সমুদ্রে ফেলে দেওয়া বা ইসরায়েলের হাতে তুলে দেওয়ার কোনো পরিকল্পনা নেই। তিনি বলেন, এসব অস্ত্রের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা একমাত্র লেবানন সরকারের।
উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ২০২৪ সালের ২৭ নভেম্বর ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহর মধ্যে যুদ্ধবিরতি হলেও ইসরায়েল এখনো লিতানি নদীর দক্ষিণে অন্তত পাঁচটি এলাকায় অবস্থান ধরে রেখেছে। পাশাপাশি দক্ষিণ ও পূর্ব লেবানন এবং বৈরুতের দক্ষিণ উপকণ্ঠে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে।
জাতিসংঘের লেবানন শান্তিরক্ষা বাহিনী (ইউনিফিল) জানিয়েছে, যুদ্ধবিরতির পর থেকে ইসরায়েল ১০ হাজারের বেশি বার এই চুক্তি লঙ্ঘন করেছে। লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, এ সময়ের মধ্যে অন্তত ৩৪০ জন নিহত এবং ৯৭০ জনের বেশি মানুষ আহত হয়েছেন। সূত্র : শাফাক নিউজ
মন্তব্য করুন