কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ০৪:৪৫ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

সৌদিতে এক দিনে সাতজনের শিরশ্ছেদ

সৌদি আরবের পতাকা। ছবি : সংগৃহীত
সৌদি আরবের পতাকা। ছবি : সংগৃহীত

এক দিনে সাতজনের মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে সৌদি আরব। মঙ্গলবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) তাদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে। এএফপির বরাতে ডয়েচে ভেলের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে তাদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে। ২০২২ সালে এক দিনে সর্বোচ্চ ৮১ জনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছিল। এরপর এক দিনে সাতজন সর্বোচ্চ সংখ্যক মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ঘটনা এটি।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বরাতে সৌদি প্রেস এজেন্সি জানিয়েছে, মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা ওই সাতজনের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী সংগঠন তৈরি ও এগুলোকে অর্থায়নের অভিযোগ করা হয়েছে।

এএফপির তথ্যমতে, মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের দিক দিয়ে বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ দেশ সৌদি আরব। দেশটিতে চলতি বছরে এখন পর্যন্ত ২৯ জনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে। এছাড়া ২০২৩ সালে ১৭০ জনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করেছিল দেশটি। প্রায় দুই বছর আগে এক দিনে ৮১ জনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের পর ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়ে দেশটি। সৌদিতে শিরশ্ছেদের মাধ্যমে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়ে থাকে।

মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা এসব ব্যক্তির জাতীয়তা প্রকাশ করা হয়নি। দবে তাদের নাম ও পদবি থেকে ধারণা করা হচ্ছে যে, তারা সৌদি আরবের নাগরিক।

সৌদি প্রেস এজেন্সির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রক্তপাতে উদ্ধুদ্ধকারী সন্ত্রাসী ধারণা লালন, সন্ত্রাসী প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা ও অর্থায়ন, সমাজের স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তা ব্যাহতের লক্ষ্যে এসবের সঙ্গে যুক্ত থাকা ও সহায়তা এবং জাতীয় নিরাপত্তা হুমকির মুখে ফেলানোর দায়ে তাদের দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে। তবে অভিযোগের বিস্তারিত কিছু প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।

দেশটিতে গত বছরের ডিসেম্বরে এক মাসেই কেবল ৩৮ জনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছিল। তাদের মধ্যে ৩৩ জনের বিরুদ্ধেই সন্ত্রাসবাদ সংশ্লিষ্ট অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগ করা হয়েছিল। এছাড়া রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগে দুই সেনারও মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছিল।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

দাবি নিষ্পত্তিতে গতি আনতে না পারলে বীমা খাতে আস্থা ফিরবে না

সড়কে প্রাণ গেল দুই বোনসহ ৩ জনের

বিজ্ঞাপন চুক্তির প্রলোভনে ডেকে নিয়ে অভিনেত্রীকে শারীরিক নির্যাতন!

ঢাবিতে ছাত্রীহলের ‘হয়রানিমূলক’ নিয়ম প্রত্যাহারের দাবি

২০৩০ বিশ্বকাপ কোথায়, সরাসরি কয়টি দেশ খেলবে?

সোনারগাঁয়ে ছাত্রলীগের ১২ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার

সুপেয় পানির সংকটে পেকুয়ার একটি গ্রাম

২০৩৬ সালে অর্থের কোনো গুরুত্ব থাকবে না: ইলন মাস্ক

অহনার ‘বোন’ পরিচয় দিয়ে টাকা দাবি! সাবেক সহকারীকে কড়া হুঁশিয়ারি

ফ্রিল্যান্সারদের জন্য সুখবর

১০

ডেপুটি স্পিকারের স্বাক্ষর জাল করে ডিও পত্র তৈরি, সতর্কতা জারি

১১

বিদেশি লিগে প্রথমবার ডাক পেলেন শামীম

১২

লাল শাপলা দেখতে নেমে আর ফেরা হলো না কলেজছাত্রের 

১৩

৫ দফা দাবিতে ২৯ জুলাই থেকে বগুড়ায় অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘটের ডাক

১৪

বিশেষ ধারাবাহিক / মহাজীবনের যাত্রাপথ

১৫

জাতীয় অধ্যাপক হলেন মাহবুব উল্লাহ

১৬

বালকে চ্যাম্পিয়ন সিলেট, বালিকায় রংপুর

১৭

ভিআইপি বক্স ছেড়ে মাঠে নেমে খেলা দেখলেন প্রধানমন্ত্রী

১৮

খোলা ম্যানহোল নিয়ে কালবেলায় প্রতিবেদন, ব্যবস্থা নিচ্ছে সিটি করপোরেশন

১৯

খাল খনন শেষে ৩৬ লাখ টাকা কোষাগারে ফেরত দিলেন ইউএনও

২০
X