কালবেলা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১০ এপ্রিল ২০২৪, ১০:৩০ পিএম
আপডেট : ১০ এপ্রিল ২০২৪, ১০:৩৭ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

ঈদের দিন ৩ ছেলে নিহত, তবুও বিচলিত নন হামাসপ্রধান

গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর বর্বরতা ও হামাসের প্রধান ইসমাইল হানিয়া। ছবি : সংগৃহীত
গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর বর্বরতা ও হামাসের প্রধান ইসমাইল হানিয়া। ছবি : সংগৃহীত

ঈদের দিন ইসরায়েলের হামলায় ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামীদের সংগঠন হামাসের প্রধান নেতা ঈসমাইল হানিয়ার তিন ছেলে ও নাতি-নাতনি প্রাণ হারিয়েছেন। হানিয়ার ছেলেদের লক্ষ্য করে, গাজার উত্তরপূর্বাঞ্চলের শাতি শরণার্থী ক্যাম্পে হামলা চালানো হলে হতাহতের এই ঘটনা ঘটে। এই খবর জানিয়েছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা।

ছেলে ও নাতি-নাতনিদের মৃত্যুর বিষয়টি আলজাজিরাকে নিশ্চিত করেছেন হানিয়া নিজে। সংবাদমাধ্যমটিকে এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছেন, ইসরায়েলি হামলায় কয়েকজন নাতি-নাতনিসহ তার তিন ছেলে হাজেম, আমির এবং মোহাম্মদ প্রাণ হারিয়েছেন। তবে সন্তানদের মৃত্যুতেও বিচলিত নন হামাস প্রধান।

আলজাজিরাকে তিনি বলেছেন, শহীদদের রক্ত এবং আহতদের যন্ত্রণার মাধ্যমে ফিলিস্তিনিরা আশা তৈরি করে, ভবিষ্যৎ তৈরি করে, মানুষ ও জাতির জন্য স্বাধীনতা ও মুক্তি তৈরি করে। তিনি আরও বলেন, ঈদ উপলক্ষ্যে আত্মীয়-স্বজনদের সঙ্গে দেখা করতে শাতি শরণার্থী ক্যাম্পে গিয়েছিলেন তার ছেলেরা। ওই সময় হামলা চালানো হয়।

হামাস প্রধান দৃঢ় কণ্ঠে বলেন, নেতাদের বাড়িঘর ও পরিবারের সদস্যদের ওপর হামলা চালিয়ে হামাসকে থামানো যাবে না।তিনি আরও বলেন, কোনো সন্দেহ নেই এই শত্রুরা প্রতিশোধ, হত্যা এবং রক্তপাতে উদ্বুদ্ধ হয়েছে এবং তারা কোনো আইন মানে না। চলমান যুদ্ধে এখন পর্যন্ত তার পরিবারের ৬০ সদস্য নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন হামাস প্রধান।

ইসমাইল হানিয়া আরও বলেন, তার ছেলেদের হত্যার মাধ্যমে যুদ্ধের গতিপথ বদলাবে না এবং হামাস যুদ্ধবিরতির দাবি থেকে একটুও সরে আসবে না। ফিলিস্তিনি এই নেতা আরও বলেন, যদি ইসরায়েল মনে করে সন্তানদের লক্ষ্য করার মাধ্যমে এই মুহূর্তে হামাসের অবস্থান পরিবর্তন করা যাবে, তাহলে তারা ভ্রান্তিতে আছে। ফিলিস্তিনের সন্তানদের চেয়ে আমার সন্তানদের রক্তের মূল্য বেশি নয়। ফিলিস্তিনের সকল শহীদ আমার সন্তান।

গাজার মিডিয়া অফিস জানিয়েছে, আল শাতি শরণার্থী ক্যাম্পে হানিয়ার ছেলেরা নিহত হয়েছেন। সেখানে বেসামরিকদের বহনকারী একটি গাড়িতে ইসরায়েলি বিমান থেকে হামলা চালানো হয়।ঈসমাইল হানিয়ার পরিবার-পরিজন গাজাতে থাকলেও নিরাপত্তার কারণে তিনি কাতারে বসবাস করেন। সেখান থেকেই দলটির সব কার্যক্রম পরিচালনা করেন ফিলিস্তিনি এই নেতা।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

টিএন্ডটির টাকা আত্মসাতের দায়ে তিন কর্মকর্তার ১০ বছরের কারাদণ্ড

বাউফল উপজেলা ছাত্রদল সভাপতি কারাগারে

বারবার পিছিয়ে যাওয়া সেই সিনেমার মুক্তির তারিখ ঘোষণা

অভিযোগ চিফ প্রসিকিউটরের / নানা উপায়ে কালক্ষেপণ করছেন জিয়াউল আহসানের আইনজীবী 

ময়মনসিংহে হামের উপসর্গে আরও এক শিশুর মৃত্যু

‘ঝরা বকুল’-এ মনিরা হয়ে হৃদয় ছুঁয়েছেন সুনেরাহ

স্কুলশিক্ষার্থী হত্যা মামলায় শিক্ষক-ছাত্র গ্রেপ্তার, আদালতে সোপর্দ

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের পদত্যাগ 

এনসিপির নতুন কর্মসূচি, নেতাকর্মীদের জরুরি নির্দেশনা

ডিসি সারওয়ারকে পুনর্বহালের দাবি গণঅধিকার পরিষদের নেতার

১০

মেসিকে নিয়ে লিখতে গেলে একটি বইও যথেষ্ট নয়

১১

চাঞ্চল্যকর শিশু তাবাসসুম ধর্ষণ মামলায় আসামির মৃত্যুদণ্ড

১২

মায়ের জন্য অ্যাম্বুলেন্স পাইনি, তবু প্রতিশোধ চাই না: প্রধানমন্ত্রী

১৩

বাসের ধাক্কায় ইউপি সচিব নিহত

১৪

পর্তুগালে অনিশ্চয়তায় অভিবাসী শ্রমিকরা, চলছে চিরুনি অভিযান

১৫

সবার পায়ে গোলাপি জুতা, মেসির পায়ে কেন সাদা?  

১৬

‘সিলেটবাসীর দরকার, ডিসি সারওয়ার’

১৭

ঢাকাসহ ৬ জেলায় সেনা মোতায়েনের নির্দেশ

১৮

নাটকের পর এবার ওটিটিতে কাজ করার ইঙ্গিত দিলেন জিম

১৯

আইসিএপিপির স্থায়ী কমিটির সদস্য হলেন উপদেষ্টা ইসমাইল জবিউল্লাহ

২০
X