কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ২৯ মে ২০২৪, ০৭:০৬ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

ভয়ংকর ক্ষেপণাস্ত্র পেল ইয়েমেনিরা, বড় ঝুঁকিতে ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্র

লোহিত সাগরে ‍হুতিদের ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধকারী মার্কিন রণতরী। পুরোনো ছবি
লোহিত সাগরে ‍হুতিদের ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধকারী মার্কিন রণতরী। পুরোনো ছবি

ফিলিস্তিন-ইসরায়েল যুদ্ধের পর থেকে লোহিত সাগরে জাহাজে হামলা চালিয়ে আসছে ইয়েমেনের বিদ্রোহী গোষ্ঠী হুতিরা। দলটি ইসরায়েলের অভিযানে ফিলিস্তিনের সমর্থনে এ হামলা চালিয়ে আসছে। এরমধ্যে তাদের ভয়ংকর ক্ষেপণাস্ত্র দিয়েছে ইরান। বুধবার (২৯ মে) টাইমস অব ইসরায়েলের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

ইরানের আধাসরকারি বার্তা সংস্থা তাসনিম নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, ইয়েমেনের বিদ্রোহী গোষ্ঠী হুতিদের তেহরানের তৈরি সমুদ্র থেকে নিক্ষেপ করার উপযোগী গদর ক্ষেপণাস্ত্র হস্তান্তর করা করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গদর ক্ষেপণাস্ত্র এখন হুতিদের হাতে পৌঁছেছে। ইয়েমেনের এ বিদ্রোহী গোষ্ঠী ইরানের সশস্ত্র গোষ্ঠী বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) মদদপুষ্ট।

তাসনিম নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, ইয়েমেনিদের হাতে এ ক্ষেপণাস্ত্র যাওয়ায় যুক্তরাষ্ট্র ও তাদের প্রধান আঞ্চলিক মিত্র ইসরায়েলের জন্য গুরুতর ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।

গত অক্টোবরে গাজা যুদ্ধ শুরু হয়। এই যুদ্ধে এরই মধ্যে ৩৫ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। হুতিরা বলছে, গাজার ফিলিস্তিনিদের প্রতি সংহতি এবং ইসরায়েলি হামলার প্রতিবাদে তারা লোহিত সাগর ও এডেন উপসাগরে ইসরায়েল সংশ্লিষ্ট জাহাজে হামলা করে আসছে।

মার্কিন সেনা সদর দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৯ নভেম্বর থেকে লোহিত সাগর ও এডেন উপসাগরে ৫০টির বেশি জাহজে হামলা চালিয়েছে হুতিরা। তাদের হামলার ভয়ে বেশিরভাগ জাহাজ কোম্পানি গুরুত্বপূর্ণ এই দুই নৌপথ এড়িয়ে গন্তব্যে পাড়ি দিচ্ছে। এতে পরিবহন ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়েছে পশ্চিমারা।

হুতিদের হামলার জবাবে বেশ কয়েকটি দেশের সমন্বয়ে একটি টহল জোট গঠন করে যুক্তরাষ্ট্র। এই জোট গঠন করেও ইরানপন্থি যোদ্ধাদের থামাতে না পেরে ইয়েমেনে হুতিদের বিভিন্ন সামরিক স্থাপনায় বিমান হামলা চালায় মার্কিন ও ব্রিটিশ বাহিনী। তবে হামলা করেও এখন পর্যন্ত তাদের থামাতে পারেনি পশ্চিমারা।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

কাজিনদের মধ্যে বিয়ে কি নিরাপদ? গবেষণায় উঠে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য

বিশ্বকাপ নিয়ে গাভির ভবিষ্যদ্বাণী

নারায়ণগঞ্জে বিএনপি নেতাকে ছাত্রদল নেতাদের মারধর

সনাতন ধর্মাবলম্বী ৩ প্রতিবন্ধী ভাইয়ের পাশে দাঁড়ালেন জামায়াতের এমপি

‘গণতন্ত্র ও সাংবিধানিক শাসনব্যবস্থা পুনরুদ্ধারে জিয়াউর রহমানের অবদান স্মরণীয় হয়ে থাকবে’

হাম ও উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু

লেবাননে ইসরায়েলি জেনারেলের গাড়িতে হিজবুল্লাহর ড্রোন হামলা

শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে বিক্ষোভের ঘোষণা ককরোচ জনতা পার্টির

দক্ষিণ লেবাননে আবারও ইসরায়েলি হামলা, নিহত ১

ভারতে সূর্যাস্ত, বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ককে সরিয়ে দিল বিসিসিআই

১০

পাঠ্যক্রমে খেলাধুলাকে অন্তর্ভুক্ত করা হবে : শিক্ষামন্ত্রী

১১

তাপপ্রবাহে পুড়ছে দেশ, থাকবে কদিন?

১২

পশ্চিম তীরের বসতিতে কর ছাড়ের আইন পাস ইসরায়েলের

১৩

নানাবাড়িতে বেড়াতে এসে লাশ হলো মুনতাহা

১৪

শত্রুরা ইরানের জনগণের মনোবল ভাঙার চেষ্টা করছে : মোজতবা খামেনি

১৫

মোগলহাট স্থলবন্দর পুনরায় চালুর উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার : চেয়ারম্যান

১৬

‘জামায়াত নেতার বেদে মেয়েদের চুল কেটে দেওয়ার’ দাবিটি ভুয়া

১৭

কক্সবাজারে মাটিচাপায় দুই শ্রমিক নিহত

১৮

উন্নয়ন বরাদ্দের তালিকায় অস্তিত্বহীন মসজিদ, বিএনপি নেতাকে শোকজ

১৯

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ

২০
X