

ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে তুলে নিয়ে গেছে যুক্তরাষ্ট্র। তাকে নিউইয়র্কের কুখ্যাত মেট্রোপলিটন ডিটেনশন সেন্টার (এমডিসি) ব্রুকলিনে আটক রাখা হয়েছে। এই কারাগারটি এতটাই সমস্যাপূর্ণ যে, অতীতে কিছু বিচারক সেখানে অভিযুক্তদের পাঠাতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন।
রোববার (০৪ জানুয়ারি) আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ১৯৯০-এর দশকের শুরুতে চালু হওয়া এমডিসি ব্রুকলিনে বর্তমানে প্রায় ১,৩০০ বন্দি রয়েছেন। এটি মূলত ম্যানহাটন ও ব্রুকলিনের ফেডারেল আদালতে বিচারাধীন আসামিদের জন্য ব্যবহৃত হয়। এখানে অভিযুক্ত গ্যাং সদস্য ও মাদক পাচারকারীদের পাশাপাশি শ্বেতকলার অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তিরাও থাকেন।
মাদুরোই প্রথম কোনো দেশের প্রেসিডেন্ট নন যিনি এই কারাগারে বন্দি হলেন। এর আগে হন্ডুরাসের সাবেক প্রেসিডেন্ট হুয়ান অরল্যান্ডো হার্নান্দেজ শত শত টন কোকেন যুক্তরাষ্ট্রে পাচারের মামলায় বিচার চলাকালে এই একই কারাগারে আটক ছিলেন।
বর্তমানে এমডিসি ব্রুকলিনে আটক রয়েছেন মেক্সিকোর সিনালোয়া মাদক কার্টেলের সহ-প্রতিষ্ঠাতা ইসমাইল ‘এল মায়ো’ জাম্বাদা গার্সিয়া। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের স্বাস্থ্যবিমা প্রতিষ্ঠান ইউনাইটেড হেলথকেয়ারের সিইও হত্যার অভিযোগে অভিযুক্ত লুইজি ম্যাঙ্গিওনে-ও এখানে বন্দি রয়েছেন।
এর আগে এই কারাগারে আটক ছিলেন আলোচিত ক্রিপ্টো উদ্যোক্তা স্যাম ব্যাংকম্যান-ফ্রিড এবং জেফ্রি এপস্টেইনের ঘনিষ্ঠ সহযোগী ঘিসলাইন ম্যাক্সওয়েল।
দীর্ঘদিন ধরেই বন্দি ও তাদের আইনজীবীরা এমডিসি ব্রুকলিনে সহিংসতা, নিরাপত্তাহীনতা ও অমানবিক পরিবেশের অভিযোগ করে আসছেন। এসব অভিযোগের কারণে কারাগারটি যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ব্যাপকভাবে সমালোচিত।
মন্তব্য করুন